Main Menu

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ

ডেইলি বিডি নিউজঃ রাজধানী ঢাকাসহ গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আজ শুক্রবার বেলা বাড়লেও কোথাও কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি। শীত ও ঘন কুয়াশার প্রভাব পড়েছে জনজীবনে। শীতের কারণে সমাজের ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান আজ শুক্রবার সকালে বলেন, ‘জানুয়ারি মাসে শীত পড়বে, এটা স্বাভাবিক। চট্টগ্রাম বাদে সারা দেশেই শৈত্যপ্রবাহ আছে। এটা আরও ৪-৫ দিন থাকবে। তাপমাত্রা ঢাকায় আর কমার আশঙ্কা নেই।’

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায় ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন রাতে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সিলেট বিভাগের শ্রীমঙ্গলে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি, ময়মনসিংহে ৮ ডিগ্রি, রাজশাহীতে ৮ ডিগ্রি, রংপুরে ৯ ডিগ্রি, খুলনায় ১০ ডিগ্রি এবং বরিশালে ছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সকাল ৭টায় দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পরবর্তী ৬ ঘণ্টা আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। ভোর ৬টা পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশপাশের এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। লঘুচাপের প্রভাবে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝরি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের যেসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা আশপাশের এলাকায় বিস্তার লাভ করতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হয়, জানুয়ারি মাসে দেশের উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে একটি মাঝারি বা তীব্র ধরনের শৈত্যপ্রবাহ এবং অন্য এলাকায় ২-৩টি মৃদু বা মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এদিকে, শীতের আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যাহত হচ্ছে জনজীবন। শীতের প্রকোপে নিম্ন আয়ের মানুষদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।






Related News

Comments are Closed