|
এই সংবাদটি পড়েছেন 101 জন

সিলেট-১ আসনে উচ্চশিক্ষিত এবং আলোকিত এক প্রার্থী এমিরেটাস অধ্যাপক ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন

নওরোজ জাহান মারুফঃ সিলেটের ধোপাদিঘীরপার হাফিজ কমপ্লেক্সের আদি বাসিন্দা ও স্বনামধন্য পরিবারের প্রখ্যাত আইনজীবি এডভোকেট আবু আহমেদ আব্দুল হাফিজ সাহেবের ষষ্ঠ সন্তান দেশ বরেন্য অর্থনীতিবিদ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কূটনীতিক ও শিক্ষাবিদ এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আব্দুল মোমেন ১৯৪৭ সালের ২৩ আগষ্ট সিলেটে জন্ম লাভ করেন।
 
কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রীধারী খাঁন বাহাদুর আব্দুর রহিম সাহেব জনাব মোমেন সাহেবের দাদা। মরহুম আব্দুর রহিম তৎকালীন ‘আসাম সিভিল সার্ভিস’র একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছিলেন। তিঁনি বৃহত্তর সিলেটের হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেটের এসডিও হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করে গেছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনের প্রার্থী আলোকিত পরিবারের আলোকিত সন্তান মোমেন সাহেব’রা সাত ভাই পাঁচ বোন। তাঁর পরিবারের সব সদস্যই কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী। পরিবারের সব সদস্যই স্ব স্ব ক্ষেত্রে সু-প্রতিষ্ঠিত।
 
জনাব এ. কে. আব্দুল মোমেনের বড় ভাই আবুল মাল আব্দুল মুহিত বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে সফল, স্বার্থক ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বরেন্য ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি  সম্পন্ন এ অর্থনীতিবিদ জনাব মুহিত সাহেবের ছোট ভাই ড. মোমেন। তাঁর বড় বোন জাতীয় অধ্যাপক ড. শাহলা খাতুন বৃহত্তর সিলেটের প্রথম এমবিবিএস, এমআরসিওজি, এফআরসিওজি, এফসিপিএস ও এমডি ডাক্তার।
 
মেধাবী ছাত্র জনাব আব্দুল মোমেন শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই শেষ পর্যন্ত স্কলারশিপ নিয়ে কৃতিত্বের সাথে ছাত্র জীবন সমাপ্ত করেন। এসএসসি আইএসসি সিলেট থেকে সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্সসহ এম,এ এবং আইনশাস্ত্রে এল.এল.বি ডিগ্রী অর্জন করেন। অমায়িক, ভদ্র, নম্র কর্মঠ মেধাবী ও খুবই মিশুক প্রকৃতির মোমেন সাহেব ১৯৭৮ সালে ফোর্ড ফাউন্ডেশন ফেলোশিপ এবং ‘হার্ভার্ড ম্যাসন ফেলোশিপ’ নিয়ে বিশ্ববিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের জন্য যান। হার্ভার্ড বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও লোক প্রশাসনে এমপিএ ডিগ্রী অর্জনকারী মোমেন সাহেব পরবর্তীতে নর্থ ইষ্টার্ন ইউনিভাসির্টি (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি এবং এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন।
 
শিক্ষাজীবন শেষ করে মোমেন সাহেব স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে কাজ করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতায় মনোনিবেশ করেন। প্রখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, এমআইটি নর্থ ইষ্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, সেলেম ষ্ট্রেট ইউনিভার্সিটি, মেরিমেক কলেজ, ক্যামব্রিজ কলেজ, ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটি এবং ফ্লেমিংহাম স্টেট ইউনিভার্সিটি তে দীর্ঘ ২৩ বছর সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেন।
 
জনাব মোমেন যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালে বাংলাদেশে বহুদলীয় গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কার্য্যকর কর্মতৎপরতা চালান। এখানে উল্লেখ্য যে ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে বাংলাদেশের ওপর এক ‘শুনানি’র আয়োজন করা হয়। যার কারনে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেস সিনেট ও সরকারে তিনি ‘মিস্টার’ বাংলাদেশ খেতাবে ভূষিত হন। ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের গভর্ণর তাঁকে ‘এ্যাম্বেসেডর অব গুড উইল’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
 
একই সময়ে মোমেন সাহেব যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট পদ প্রার্থী মাইকেল ডুকাকিসের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়ে সুনাম অর্জন করেন। এ. কে. আব্দুল মোমেন ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক এর অর্থনীতিবিদ এবং ইউএনডিপির কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেন। ২০১৬ সালে তিনি ইউএনডিপি ও অর্থ মন্ত্রনালয়ের জন্য ‘সাউথ সাউথ  কোপারেশন ফাইনান্সিং ফর এসডিজি’র ওপর একটি গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। জনাব মোমেন সৌদি আরবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের অধীনে ইকোনমিক এ্যাডভাইজার বা কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেন প্রায় পাঁচ বছর। এই কাজে থাকাকালে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী শ্রমিকেদের উপর অমানবিক নির্যাতন বন্ধসহ তাদের উপযুক্ত মজুরী, কাজের পরিবেশ, শ্রমিক পরিবহনের অব্যস্থা সমূহের বিরোধিতা করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাদের সুবিধাদি আদায়ের জন্য ওয়ার্ল্ড টেড অর্গানাজেশন (ডঞঙ) এর কাছে সুবিচার দাবি করার অধিকার অর্জন করেন।
 
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারের আমলে জনাব আব্দুল মোমেনকে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত এবং পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে তাঁকে জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেন। সু-দীর্ঘ ৬ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে ২০১৫ সালে মোমেন সাহেব দেশে এসে নিজ বাসভূমি সিলেটে ফিরে আসলে এলাকার জনগন কর্তৃক বিপুলভাবে সংবর্ধিত হন।
 
দক্ষ কূটনৈতিক ও শিক্ষাবিদ ড. মোমেন রাজনৈতিক সচেতন মানুষ। রাজনৈতিক পরিবারে জন্মও তাঁর। সেই সুবাদে রাজনীতি তাঁর অস্থিমজ্জায় আছে বলেই রাজনীতির মৌলিক চেতনা ধারণ করতে পেরেছেন। দেশে বহুদলীয় গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে তৎপর হলে তৎকালীন সামরিক সরকার তাঁকে চাকুরীচ্যুত করলে যুক্তরাষ্ট্রে এই বিষয়ে তিনি আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণে ‘কমিটি ফর ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ’ নামে সংগঠন গড়ে তুলেন।
 
তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ১৯৮৭ সালে আমেরিকা সফরকালে সেখানে ‘বঙ্গবন্ধু পরিষদ’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তুলা হয়। ড. মোমেন ও ড. এনায়েত রহিমকে এই সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। বিএনপি সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদকালে ২০০১ সালে দেশে অরাজকতার সৃষ্টি হলে ড. মোমেনের কলম আবার সোচ্চার হয়ে উঠে। তাঁর বস্তুনিষ্ঠ লেখনীতে ও প্রচেষ্টায় যুদ্ধপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ওআইসি সেক্রেটারী জেনারেল পদে নির্বাচন ভেস্তে যায়। ড. আবুল কালাম আব্দুল মোমেনের পরিশ্রম সঠিক কর্মপরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নে তাৎক্ষণিক সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে বাংলাদেশ সে সময়ে জাতিসংঘে বিভিন্ন ফোরামের নেতৃস্থানীয় দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হন।
 
ড. মোমেন জাতিসংঘের ইউনিসেফের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট, পিসকিপিং কমিশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট, ঊঈঙঝঙঈ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেকেন্ড কমিটির প্রেসিডেন্ট, এশিয়া প্যাসিফিক রাষ্ট্রসমূহের চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আশ্বিন থেকে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন। প্রবাসী বাঙালীরা জনকল্যাণের কাজের জন্য ‘জনতার রাষ্ট্রদূত’ খেতাব প্রদান করেন ড. মোমেন সাহেবকে। জনাব মোমেনের প্রচেষ্টায় ৩ যুগপর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়। জাতিসংঘে স্থায়ী মিশন এবং রাষ্ট্রদূতের জন্য স্থায়ী আবাস কিনে ফেলেন যার দরুন মাসে ৪৫ হাজার ডলার ঘর ভাড়া বাবৎ সাশ্রয় হয়। ড. মোমেন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাংলাদেশী সৈন্যের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ৫০ থেকে ৭০ হাজার ডলারে উন্নীতকরণ সহ শান্তিরক্ষা বাহিনীর সৈনিকের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধি পায় শতকরা ৩৭%।
জতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে স্বাধীনতা দিবস, শহীদ দিবস, বিজয় দিবস, নববর্ষ সহ বাঙালীর গৌরবান্বিত দিবসসমূহ পালন ড. মোমেন সাহেবের অগ্রণী ভূমিকারই ফল। মধ্যপ্রাচ্যে শিশুদের উঠের জকি রোধ হওয়া, শিশুশ্রম বন্ধে বিভিন্ন ফোরামের গণশুনানিতে জোড়ালো বক্তব্য পেশ করলে এ বিষয়ে উপযুক্ত আইন পাশ হয় পরবর্তীতে। ১৯৯০-৯৬ সালে নারী ও শিশু পাচার রোধে বিশ্বব্যাপী এক জোড়ালো আন্দোলন গড়ে তোলেন ড. আব্দুল মোমেন। তাঁরই প্রচেষ্টায় নারী ও শিশু পাচার রোধে জাতিসংঘে রেজুলেশন পাশ হয়। ১৯৮৩ সালের ফোবানা সম্মেলনের চেয়ারম্যান, বোস্টনের ইউমেন্স ও চিলড্রেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন জনাব এ. কে. আব্দুল মোমেন।
ড. মোমেন বর্তমানে চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জ এবং বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের উন্নয়নে কাজ করার জন্য মোমেন সাহেবকে ২০১৫ সালের শেষের দিকে দেশে নিয়ে আসেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে ড. মোমেন সিলেটের জনজীবনের উন্নয়ন প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য কিছু দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হলোঃ
 .
ক) সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করণ।
খ) সিলেট-বাদাঘাট ৪ লেনের বাইপাস অনুমোদন।
গ) প্রায় সমাপ্তের পথে সিলেট-সালুটিকর কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ রাস্তার বাজেট অনুমোদনে সক্রিয় ও সহায়তা দান।
ঘ) সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে চৌকিদেখি রাস্তা ৪ লেনে উন্নীত করণের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
ঙ) সিলেট ওসমানী বিমানন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ।
চ) সিলেটে ভবিষ্যত যানটজ মুক্ত শহর গড়ে তোলার জন্য দুইটি রিং রোড নির্মাণ।
ছ) ঢাকা-সিলেট ও সিলেট-চট্টগ্রাম রেলপথ ডাবল লাইন তৈরী করে একটি আধুনিক রেল যোগাযোগ নিশ্চিত করণ এবং উন্নত বগি সংযোগের উদ্যোগ গহণ।
জ) সিলেটে দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা।
ঝ) সিলেটের পর্যটন শিল্পকে আরও দৃষ্টিনন্দন করার প্রতি গুরুত্বারোপ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধন করা।
ঞ) সিলেটের সার্বিক উন্নয়ন সমন্বয় করে ‘আগামীর সিলেট’ তৈরীর মহাপকিল্পনা গ্রহণ।
 .
জনাব মোমেন সাহেবের পিতা এডভোকেট আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা এবং ১৯৪৭ সালে সিলেট জেলা পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্তির গণভোটে তিনি ছিলেন এর কনভেনার। মোমেন সাহেবের মা সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী ছিলেন শিক্ষানুরাগী, সমাজ সচেতন এবং নারীনেত্রী। ভাষা আন্দোলনেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। মরহুমা শাহার বানু আ-মৃত্যু সিলেট মহিলা সমিতির সভানেত্রী এবং ১৯৪৫-৫০ সালে সিলেট মুসলিম মহিলা লীগের সহ সভাপতি ছিলেন। ভাষা আন্দোলনেও তাঁর অবদান গৌরবদীপ্ত। জনাব মোমেনের বাবার মামা ছিলেন পাঠানটুলার আব্দুল হামিদ মিনিষ্টার। তিনি সেই সময়ের একজন খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও প্রখ্যাত জননেতা জনাব হামিদ ১৯২৪-৩৭ সালে আসাম ব্যবস্থাপক সভার সদস্য, সভাপতি ও শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তাঁর আরেক দাদা এস.এম. আকরাম পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন। তিনি পূর্ব বাংলার গভর্ণরের দায়িত্বও পালন করেন। তাঁর নানা ছিলেন জগন্নাথপুর সৈয়দপুর গ্রামের প্রখ্যাত জমিদার সৈয়দ আবুল বাশার চৌধুরী। সিলেটের দ্বিতীয় মুসলমান গ্র্যাজুয়েট দানবীর মৌলভী আব্দুল করিম ছিলেন জনাব মোমেনের বড় বাবা। ব্যক্তিগত জীবনে ড. মোমেন সাহেবের স্ত্রী মিসেস সেলিনা মোমেন একজন স্বাস্থ্য প্রফেশনাল। তাঁদের তিন ছেলে দুই মেয়ের সকলেই আমেরিকা প্রবাসী এবং তারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। অধ্যাপক মোমেন পরীশিলিত ও ধার্মিক লোক, তিঁনি ১৯৯৮ সালে পবিত্র হজ্ব পালন করেন।
আমরা সিলেটবাসী গর্বিত যে, শিক্ষাবিদ ও কূটনৈতিক পৃথিবী বিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় সহ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ণ করে শিক্ষাক্ষেত্রে বিরল কৃতিত্বের অধিকারী মেধাবী জনাব মোমেন সাহেবের মত একজন বিচক্ষণ, যোগ্য, কর্মট, শিক্ষিত, অধ্যবসায়ী ব্যক্তিকে সিলেট-১ আসনে হাল ধরার জন্য পেয়েছি। সুনাম আছে সিলেট-১ আসন জয়ীরাই সরকার গঠন করে থাকে। তাই আসুন আমরা আমাদের উত্তরসূরীদের মত আলোকময় ধারা অব্যাহত রাখতে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা চালিয়ে নিতে হাতে হাত রেখে একযোগে কাজ করি আর মোমেন সাহেবকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী করি।
 
নওরোজ জাহান মারুফ
শুভেচ্ছা-২, আম্বরখানা, সিলেট
মোবাইলঃ ০১৭১২-৫০৯৭১৯