Fri. Sep 18th, 2020

অবৈধ পণ্য আমদানি রোধে স্ক্যানার বসছে কাস্টমসে

ডেইলি বিডি নিউজঃ দেশের চারটি গুরুত্বপূর্ণ কাস্টমস হাউজে ম্যানুয়াল পদ্ধতির পরিবর্তে কন্টেইনার স্ক্যানিং সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

এতে অবৈধ মালামাল আমদানি বন্ধ হওয়ার আশা করা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে গৃহীত একটি প্রকল্প মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য একনেক সভায় অনুমোদন পেতে যাচ্ছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, ১১৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি হাতে নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য অবৈধ বা নিষিদ্ধ ঘোষিত মালামালের চালান ও মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি প্রতিরোধ এবং বন্দরে মালামাল চেকিংয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনা।

এ জন্য দেশের চার কাস্টমস হাউজে চালু হবে কন্টেইনার স্ক্যানিং সিস্টেম। প্রকল্পে চীন সরকার অনুদান দিবে ৯৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠেয় একনেক (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) সভায় মোট ১০টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে কার্যতালিকায় তিন নম্বরে রয়েছে ‘চট্টগ্রাম, মংলা, আইসিডি কমলাপুর এবং বেনাপোল কাস্টম হাউজের জন্য কন্টেইনার স্ক্যানার ক্রয়’ প্রকল্প।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমান বন্দরের রফতানি কার্গো এলাকায় কন্টেইনার স্ক্যানার ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু বেনাপোল কাস্টমস হাউজ, আইসিডি কমলাপুর ও মংলা কাস্টমস হাউজে কোন স্ক্যানার নেই। এ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামে বন্দরে সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বেনাপোল কাস্টমস হাউজ, মংলা কাস্টমস হাউজ ও কমলাপুর আইসিডি কাস্টমস হাউজকে স্ক্যানিং সিস্টেমের আওতায় আনা হবে।

সূত্র জানায়, কন্টেনার স্ক্যানিং সিস্টেম চালুর মাধ্যমে এসব বন্দরে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের পোর্ট সিকিউরিটির বিভিন্ন ধারা বা কোড অনুসরণ করা হবে। এ সিস্টেম চালু হলে এটা বৈধ ব্যবসার জন্য যেমন সহায়ক হবে, তেমনি অবৈধ মালামালের চালান প্রতিরোধ করাও সম্ভব হবে। আগামী বছর  ডিসেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের চারটি কাস্টমস হাউজে কার্গো হ্যান্ডলিং সহজতর ও নিরাপদ হবে এবং সময় কম লাগবে। কাস্টম হাউজগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া আর্ন্তজাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রকল্পটি সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।