|
এই সংবাদটি পড়েছেন 25 জন

ছাত্রলীগকে নিয়ে অশুভ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ

মুক্তাদির আহমদ মুক্তা :: বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ছাত্রলীগই ছিল অগ্রগামী কাফেলা। ৫২,৬২,৬৬,৬৯,৭০,৭১ সৃস্টির মূল কান্ডারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বঙ্গবন্ধু উপাধি, জয়বাংলা শ্লোগান, জাতীয় পতাকা নির্ধারণ,জাতীয় সংগীত বাছাই সহ এদেশের মুক্তিসংগ্রামে ছাত্রলীগই ইতিহাসের নিয়ত্তা।

অাওয়ামী লীগের সিংহভাগ নেতৃবৃন্দ স্বাধীকার, স্বাধীনতা নিয়ে যখন নির্লিপ্ত তখন বঙ্গবন্ধুর প্রশয়ে কেবল ছাত্রলীগই ছিল স্বাধীনতার মন্ত্রে উদ্দিপ্ত।অতীতে দেশের বিভিন্ন সংকটাপন্ন সময়ে ছাত্রলীগকে পুঁজি করে, ছাত্রলীগকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের ফায়দা হাসিল করেছে সুযোগসন্ধানীরা।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ভ্যানগার্ড বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সংগ্রাম অার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত সংগঠন।ইতিহাসের প্রমিথিউস,ত্যাগ অার অাত্মপ্রত্যয়ী রাজনীতির শিক্ষাকেন্দ্র বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কে বার বার ক্ষতবিক্ষত করেছে রাজনীতির শকুনরা।ছাত্রলীগ যখনই দ্বিধাবিভক্ত হয়েছে,দ্বন্ধ, কলহে লিপ্ত হয়েছে তখনই এর সুযোগ নিয়েছে নপুংসক ষড়যন্ত্রকারী অার বুদ্ধিবৃত্তিক দালালরা।

দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তখন পদ পদবীর নোংরা খেলায় ছাত্রলীগকে বিভক্ত করার পাঁয়তারা একটি অশুভ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ। ছাত্রলীগের নিবেদিত প্রাণ কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমন করে দায়িত্বশীল অাচরণ করা এখন সবচেয়ে বেশি জরুরী।ছাত্রলীগকে হিংস্রতার পথে ঠেলে দিয়ে অাওয়ামী লীগে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার বাসনার অতীত ইতিহাস সুখকর নয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ পালনের মাহেন্দ্রক্ষণকে সামনে রেখে শিক্ষা,শান্তি অার প্রগতির পতাকার ঐক্যের বন্ধন অারো সুদৃঢ় হোক। অন্ধ অানুগত্য নয় অাদর্শিক যুদ্ধে সময়োপযোগী কর্মসূচিতে ঋদ্ধ হোক প্রিয় পাঠশালা।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।