|
এই সংবাদটি পড়েছেন 16 জন

জগন্নাথপুরে রাস্তা নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ

জগন্নাথপুর :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগময়না গ্রামের ৯০০ মিটার রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের বালু ও এক নাম্বার ইটের পরির্বতে দুই-তিন নাম্বার দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী একাধিক অভিযোগ দিলেও কোন প্রকার কর্ণপাত করেননি দায়িত্বশীলরা। ফলে এ নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ।

জানা যায়, বাগময়না গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে স্বজনশ্রী গ্রামের সামন পর্যন্ত ৯০০ মিটার ইট সলিং ৩৮ লক্ষ টাকা বরাদ্ধে কাজ পান ঠিকাদার ছালিক মিয়া। সে অনুযায়ী ঠিকাদার রাস্তার মাটি খুঁড়ে বিধি অনুযায়ী বক্স করে যে পরিমাণের বালু দেওয়া কথা সেখানে কোন ধরনের বালু দেওয়া হয় নাই। নিয়মের সাথে কাজের কোন মিল পাওয়া যায়নি।

বাগময়না গ্রামের একাধিক ব্যক্তি জানান, যে নিয়মে বালুবিহিন ইট দিয়ে কাজ করছে তাতে ভারী যানবাহনের চাপ পড়লে রাস্তা অল্প দিনেই দেবে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বা এখনো দুই এক জায়গা দেবে গেছে। নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা তৈরী করা হচ্ছে। ১নং ইট দিয়ে কাজ করার কথা থাকলেও ২নং-৩নং ইট দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। একটি ইটের সাথে আরেকটি ইটের দুরত্ব দেখে মনে হয় ঠিকাদারের বেশি টাকা প্রয়োজন তা নাহলে এত দুরত্বে ইট রেখে কাজ করানো এই প্রথম দেখেছি।

ওই এলাকার স্থানীয় অভিযোগ করে গণমাধ্যমকে  বলেন, ‘নিম্নমানের কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার আমাকে বলে, যদি তোমার কথা বলার কারণে বিল বন্ধ করা হয়, তাহলে তোমার উপর চাঁদাবাজি মামলা করবো এবং তোমার জন্য আর ১০ লক্ষ্য টাকা খরচ করবো।

এ বিষয়ে ঠিকাদার ছালিক মিয়ার নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি এই গনমাধ্যমকে বলেন, আমি ১ নাম্বার ইট দিয়ে কাজ করছি। জনগণের অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা, আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে আমি সেভাবে কাজ করছি। বাগময়না গ্রামের কিছু চাঁদাবাজদের জন্য কাজ করতে পারছিনা।

নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণের বিষয়ে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী (এলজিইডি) গোলাম সারোয়ারের কাছে জানতে চাওয়া হলো তিনি বলেন, এ রাস্তার কাজ এলজিইডির অধিনে নয়। এ রাস্তা ত্রাণ ও দূর্যোগ মন্ত্রানলয়ের অধিনে কাজ করা হচ্ছে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।

এ বিষয়ে ত্রাণ ও দূর্যোগ মন্ত্রাণালয়ের জগন্নাথপুরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফ উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের অধিনের এ রাস্তায় ইট সলিং এর কাজ করা হচ্ছে। নিম্নমানের কাজের ব্যাপারে আমাকে কেউ জানায়নি। তারপরও খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।