|
এই সংবাদটি পড়েছেন 60 জন

উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ এমপির কাছে খোলা চিঠি: ফেইস বুকে ভাইরাল

ডেইলি বিডি নিউজঃ  কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের একটি রাস্তার করুন দশা নিয়ে মৌলভীবাজার-৪ সংসদীয় আসন (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল ) এর ৬ বারের নিার্বচিত এমপি আব্দুস শহীদ এমপির দৃষ্টি আর্কষন করে আব্দুল বাছতি খান নামে একজন ফেইস বুকে খোলা চিঠি লিখেন। সেই পোষ্টটি ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং ভাইরাল হয়েছে। পাঠকের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হলো।

খোলা চিঠি

মাননীয় এমপি মহোদয়, মৌলভীবাজার -৪ আসন, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ।

আমার সালাম নিন।
আপনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালবাসা রইলো। আমি আপনার নির্বাচনী এলাকার নাখান্দা এক গোলাম।দেশের আইনমান্যকারী একজন সাধারণ গরীব ঘরের কেটে খাওয়া মানুষ। আপনার সুশীতল পরশে কমলগঞ্জ- শ্রীমঙ্গলবাসী ধন্য।মানুষের জীবন মানের উন্নয়নে অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রায় ৩ যুগ ধরে। এই অঞ্চলে ব্যপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে আপনার মাধ্যমে। আমার এলাকার সামান্য সমস্যার কথা আপনার সমীপে তুলে ধরলাম——-

মৌলভীবাজার জেলার অন্তরভুক্ত কমলগঞ্জ উপজেলায় ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের অর্ন্তভূক্ত ৭ নং ওয়ার্ড রামচন্দ্র পুর গ্রাম। মুন্সিবাজার টু ভৈরবগঞ্জ বাজার রোডের ধলাই নদীর ব্রীজ থেকে ২নং রামচন্দ্র পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ১থেকে দেড় কিলোমিটার কাচা রাস্তা রয়েছে এবং সে রাস্তা দিয়ে শত শত মানুষ যাতায়াত করে প্রতিদিন।
রাস্তার পাশে জামে মসজিদ ও প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আশেপাশের দেওরাছড়া চাবাগান ও মিরতিংগা এলাকার আংশিক মানুষ ও এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে এবং এলাকার স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসা গামী ছাত্র-ছাত্রীরা এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করে। বর্ষা কাল বা সামান্য বৃষ্টি হলে এই রাস্তার বেহাল দশা/অচল অবস্থা হয়ে যায় । বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ছিলেন রামচন্দ্র পুর গ্রামের কৃতি সন্তান। তার অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায়। আজ থেকে প্রায় দুবছর পুর্বে তার জানাজায় আপনি সহ জেলার নেতৃবৃন্দসহ ছাত্রলীগের তৎকালীন সময়ের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্তিত ছিলেন। এস এম জাকির হোসেন উনার বক্তব্যে বলেছিলেন নজরুলের নামে এই এলাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একটা প্রতিষ্ঠান করে দেওয়ার জন্য। মাননীয় এমপি মহোদয় তখন আপনার বক্তব্যে আপনি বলেছিলেন রামচন্দ্র পুরের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত রোডটি নিহত নজরুলের নামে নামকরণ করা হবে।আপনি এই রাস্তার কাজ দ্রুত শুরু করার তাগিদ দিয়ে যান। আজ দু-বছর হয়ে গেল আজ পর্যন্ত নিহত নজরুলের নামে রোডের নামকরণ এর সাইনবোর্ড পর্যন্ত লাগানো হলনা। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী এই রাস্তাটি যেন পাকা করা হয়। এতে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বিনীত
আব্দুল বাছিত খান,
১নং রহিমপুর ইউনিয়ন, কমলগঞ্জ -মৌলভীবাজার।
১৯/০৫/২০১৯ইং।