|
এই সংবাদটি পড়েছেন 45 জন

নারী নির্যাতন কারীদের বিরুদ্ধে এ্যাকশনে ওসি অপরাধ ঢাকতে ওসির আখতারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ২০১৫ সালে এসএমপির বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা ছিলেন আক্তার হোসেন। সে সময় নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের রায়হোসেন ইক্টেকটিক সাপ্লাই এলাকায় আউয়ালের টিলায় বেড়াতে আসেন সিলেট মহানগরের ছাত্রলীগ নেতারা । মহানগর আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জুবের খান গুলি ছুড়েন চিৎকার দিয়ে বলতে থাকেন ডাকাত ডাকাত। এলাকার মানুষ জড়ো হয়ে তাদের আটক করে । ছাত্রলীগ নেতারা আশ্রয় নেয় স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা আলমগীরের বাসায় । পুলিশ আসে আটক করে ছাত্রলীগ নেতাদের জুবের খানের অস্ত্র উদ্বারে নামে ওসি আক্তার পরের দিন জুবের খান সাপ্লাই গেইটে আক্তারের বিরুদ্বে করান মানববন্ধন। ওসি আক্তারকে প্রত্যাহার করা হয় বিমান বন্ধর থানা থেকে । এবার শাহপরান থানার ওসি আক্তার তিন নির্যাতিত নারীর মামলা রেকর্ড করে আসামী গ্রেফতার করে পড়েছেন বিপাকে সোমবার নগরীতে ওসি আক্তারের বিরুদ্বে মানববন্ধন করেছে আসামী পক্ষের লোকজন ।
বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের খাদিমপাড়া ইউনিয়ন কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রাসনা বেগমের উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনে বক্তার এ কথা গুলো বলেন।

মঙ্গলবার দুপুরে শাহপরান গেইটে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের খাদিমপাড়া ইউনিয়ন কমিটি।
খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট আফছর আহমদের সভাপতিত্বে ও শাহপরান থানা কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগ নেতা ফখরুল ইসলাম দুলুর পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি চিহ্নিত ভূমিখেকো চক্র খাদিমপাড়া এলাকা অশান্ত করার চেষ্টা করছে। সন্ত্রাসী আজমল আলী নেপুর ও তার লোকজনের নির্যাতনে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। তারা ভূমিদখলের জন্য বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নেত্রী রাসনা বেগমের উপর হামলা চালিয়ে তার হাত ভেঙ্গে দেয়। এ চক্র নিজেদের অপরাধ ঢাকতে শাহপরান (রহ.) থানার ওসির বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে। ওই মামলার আসামিরা চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
মানববন্ধনে অতিথির বক্তব্যে জাতীয় পার্টি (জেপি) সিলেট জেলা শাখার সভাপতি ইফতেখার আহমদ লিমন বলেন, শান্তির জনপদ হিসেবে পরিচিত শাহপরান এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক ভাল। কিন্তু সন্ত্রাসী চক্র এ অবস্থা মানতে পারছে না। পুলিশ প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন শাহপরান থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভাল। এ কারণে চিহ্নিত অপরাধীরা শাহপরান থানার ওসি আখতার হোসেনসহ পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপবাধ তুলছে। তারা দুর্ণীতিবাজ কর্মকর্তাদের পদায়নের মাধ্যমে শাহপরান এলাকাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট আফছর আহমদ বলেন, ভূমিখেকো, সন্ত্রাসী জালিয়াতচক্র নিজেরাই অপরাধের সাথে জড়িত। তারা সরকারি দলের ভূয়া পরিচয় দিয়ে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের বিভ্রান্ত করতে চায়। বিভিন্ন মামলার আসামিরা জোট বেঁধে গত রোববার কথিত মানববন্ধন করে নারী নির্যাতনকারী আজমল আলী নেপুরকে আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয় দিয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্ঠা করছে। আমরা স্পষ্ট করে বলছি, খাদিমপাড়ায় আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্ত করার পর নতুন কোনো কমিটি নেই। নেপুর আওয়ামী লীগের কোনো পদবীধারী কেউ না। নেপুরের সাংগঠনিক সম্পাদক দাবি করার বিষয়টি ভূয়া।
নেপুরের পক্ষ নিয়ে ওসির অপসারণ দাবিতে ৭ দিনের আলটিমেটাম দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, দুদকের মামলাসহ একাধিক জালিয়াতি মামলার আসামি, ভূমিখেকো আবুল হাসনাত কার স্বার্থ বাস্তবায়ন করতে চায়, তা প্রশ্নবিদ্ধ। হাসনাতের অপকর্ম ঠেকাতে তাকে যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানেই প্রতিহত করার ঘোষণা দেন খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট আফছর আহমদ। এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত জনতা হাসনাতের দুই গালে জুতা মারো, তালে, তালে স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা ফয়জুল হক, ইউপি মেম্বার কবির আহমদ, মহিলা মেম্বার সাজেদা বেগম, যুবলীগ নেতা বাবুল আহমদ, যুবলীগ নেতা সাহেদ আহমদ আনা, যুবলীগ নেতা কামেল খলিল চৌধুরী, ফরিদ আহমদ, সেনাজ আহমদ, শাহ সুমন, আইন উদ্দিন, আবদুল্লাহ, লুৎফুর রহমান, তাজ উদ্দিন, সুহেল আহমদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভানেত্রী শাহিদা খাতুন, সামিনা ইয়াসমিন, লিজা আক্তার, ধনঞ্জয় সরকার, ডালিম, জাকির।