|
এই সংবাদটি পড়েছেন 64 জন

শমশেরনগরে ড্রেনের ময়লায় দুর্ভোগ, ঝুঁকিতে যান চলাচল

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি :: কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর বাজারের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে বিমানবন্দর সড়কে ড্রেনের ব্যবস্থা নেই। তাই বাসাবাড়ি ও ড্রেনের ময়লা পানিতে রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পোহাচ্ছেন।

শুধু তাই নয়, রাস্তার মধ্যবর্তী স্থানে বড় ধরণের গর্ত হওয়ায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ভেঙ্গে যাওয়া রাস্তার পাশে ড্রেন না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। রাস্তাটিও খুবই খারাপ। দু’পাশে গর্ত হওয়ায় ছোটছোট যানসমুহ গর্তে আটকা পড়ছে। ভারী যানবাহনের চাপে যেকোন মুহুূর্তে ড্রেনেজ ভেঙ্গে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা গর্তের মাঝখানে কাঠের টুকরো পুঁতে রেখেছেন।

দুই লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড্রেনের সংস্কার করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার নিচ দিয়ে পূর্ব পাশ থেকে পশ্চিম পাশে পানি নিস্কাশনের ড্রেনের ব্যবস্থা বিনষ্ট হওয়ায় প্রতিবেশী মার্কেটের সামনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড্রেনেজ মেরামতের জন্য শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন। শমশেরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কিছুদিন আগে ঠিকাদারের মাধ্যমে রাস্তার পশ্চিম পাশের অর্ধেক অংশে ড্রেনের কাজ শুরু করেন।

নিম্নমানের কাজ হওয়ায় ড্রেনেজ অংশ ভেঙ্গে পড়ে। পরবর্তীতে পানি জমে ও যানবাহনের চাপে রাস্তার মাঝখানে বড় ধরণের গর্তের সৃষ্টি হয়।

ব্যবসায়ী রায়হানুর রহমান, মোস্তাকিন আহমদসহ ভূক্তভোগী স্থানীয় জনগন অভিযোগ করে বলেন, বিষয়টি জনপ্রতিনিধিদের দেখার কথা থাকলে বারবার বলার পরও কেউ কর্ণপাত করছেন না। ফলে গর্তে গাড়ি আটকে যেকোন মুহুূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

শমশেরনগর ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ বলেন, কিছু কাজ করার পর গাড়ির চাপে আংশিক ভেঙ্গে গেছে। তবে ড্রেনেজের কাজে থাকায় সচরাচর শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। ঠিকাদারকে বলা হয়েছে ড্রেনেজের কাজ পুণরায় শুরু হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, বিষয়টি জনগুরুত্বপূর্ণ থাকায় এলজিএসপি’র বরাদ্ধ থেকে দ্রুত ড্রেনেজের মেরামতের জন্য শমশেরনগর ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব অর্পন করা হয়। আংশিক কাজ হলেও বাকি অংশ দ্রু মেরামত করা হবে।