|
এই সংবাদটি পড়েছেন 341 জন

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল: বিশ্রামে চিকিৎসক, রোগী দেখছেন ইন্টার্নরা!

ডেইলি বিডি নিউজঃ হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দুদক কর্মকর্তারা। একই সাথে ৭ দিনের মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করার নির্দেশ প্রদান করেন তারা।

রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হবিগঞ্জের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ এরশাদ। এ সময় তার সাথে দুদকের আরো দুইজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, রোববার সকালে সিভিল পোষাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে অবস্থান নেন বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হবিগঞ্জ কার্যালয়ের তিনজনের একটি দল। এ সময় দুদক কর্মকর্তারা হাসপাতালে কোন ডাক্তার পাননি।

তারা দেখেন, সেখানে রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। সেখানে ঘন্টাখানেক অবস্থান করার পর কোন ডাক্তারের দেখা না পেয়ে ফিরে যান দুদক কর্মকর্তারা। কিছুক্ষণ পর নিজেদের পোষাক পরে আবারো তারা (দুদক কর্মকর্তা) সদর হাসপাতালে অভিযান চালান।

এ সময়ও ইমার্জেন্সি বিভাগে কোন ডাক্তার ছিলেন না। দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানান, ইমার্জেন্সি বিভাগে ডাক্তার তার নিজ রুমে বিশ্রাম করছেন। পরে সেখানে গিয়ে ডাক্তার মিঠুর রায়কে পান দুদক কর্মকর্তারা।

এ ব্যাপারে ডাক্তার মিঠুন রায় দুদক কর্মকর্তাদের জানান, তিনি সেখানে কয়েকজন রোগীর ছাড়পত্র লিখছিলেন। পরে দুদক টিম সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দেখতে পান। এছাড়া সরকারি ঔষধ বিতরণে বিভিন্ন অনিয়ম পান তারা। একই সাথে হাসপাতালের বিভিন্ন সংকটও দুদক কর্মকর্তাদের নজরে আসে। এ ব্যাপারে সকল সমস্যা সমাধান করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৭ দিনের সময় দিয়ে যান দুদক।

এ ব্যাপারে ডাক্তার মিঠুন রায় দুদক কর্মকর্তাদের জানান, তিনি সেখানে কয়েকজন রোগীর ছাড়পত্র লিখছিলেন। পরে দুদক টিম সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দেখতে পান। এছাড়া সরকারি ঔষধ বিতরণে বিভিন্ন অনিয়ম পান তারা। একই সাথে হাসপাতালের বিভিন্ন সংকটও দুদক কর্মকর্তাদের নজরে আসে। এ ব্যাপারে সকল সমস্যা সমাধান করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৭ দিনের সময় দিয়ে যান দুদক।