|
এই সংবাদটি পড়েছেন 44 জন

ওসমানীনগরের চর-তাজপুর রাস্তার বেহাল দশা : দুর্ভোগে জনসাধারণ !

ওসমানীনগর প্রতিদিন :: ওসমানীনগর উপজেলার কুশিয়ারা পারে ছোট্র গ্রাম চর-তাজপুর, এ গ্রামে বসবাস করেন প্রায় ১৫-১৬ শত মানুষ। মাদ্রাসা কলেজ স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষার্থী প্রায় ১শ’’র মত। ২নং সাদিপুর ইউ’পির ৮নং ওয়ার্ডে অবস্থিত এই গ্রাম। বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী আব্দুর রব। ইউপি সদস্য সৈয়দ আব্দুল হামিদ। রাস্তার দূরত্ব আনুমানিক দেড় কিলোমিটার।

নির্বাচন আসলেই জনপ্রতিনিধিদের প্রতুশ্রুতি শুনে হাঁসি মুখে যান এলাকাবাসি ভোট দিতে। সেই হাঁসিটা কান্নায় রূপান্তিতো হয় বৃষ্টির সময় আসলে। রাস্তার বেহাল দশার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন চর-তাজপুরের গ্রামের সাধারণ মানুষসহ শিক্ষার্থীরা। এই এলাকার লোকজনের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি অল্প বৃষ্টিতে পানি জমে কাদা হয়ে যায়।

এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শেরপুর বাজার থেকে পারকুল ও পাহারপুর চলাচলের পাকা রাস্তার সঙ্গে সংযুক্ত আনুমানিক দেড় কিলোমিটার এই রাস্তটি কয়েক যুগ থেকেই এভাবেই আছে। চর-তাজপুরের প্রায় ১৫-১৬ শত মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। বর্তমান বৃষ্টির কারণে চলাচলের জন্য রাস্তাটি অনুপযোগী। রাস্তায় মাটি ভরাট করা প্রয়োজন থাকার পরও এ রাস্তার দিকে কেউ নজর দেন না। তারা অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন আসলেই আমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। নির্বাচন চলেগেলে আর কোনো জনপ্রতিনিধি পাত্বা দেন না! আমাদের সমস্যার কথা জনপ্রতিনিধিগণদের সাথে আলাপ করেও কোন সমাধান হয় নি।

স্থানীয়রা আরও বলেন, এ রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়িত স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ মসজিদের মুসল্লীগণ আসা যাওয়া করেন। এমন অবস্থার ফলে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন যাতায়াত করতে কষ্ট হচ্ছে। রাস্তার ছোট বড় গর্তের কারণে কোনো ধরনের যানবাহন গ্রামের ভিতর প্রবেশ করতে পারছে না। একটু বৃষ্টি হলেই এলাকার লোকজন ঘর থেকে বের হতে পারেন না। এই দুর্ভোগ থেকে এলাকার লোকজন মুক্তি চান। কমপক্ষে রাস্তাটি যেন ইট সলিং করে দেয়া এমন অনুরোধ জানিয়ে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক ও ওসমানীনগর উপজেলার ইউএনও এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য সৈয়দ আব্দুল হামিদ জানান, বর্তমান সময়ে কোন ধরনের বরাদ্দ না থাকায় রাস্তায় কাজ করানো সম্ভব না। আগামী বরাদ্দ আসলে কাজ করানো হবে। এ রাস্তার কাজের জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবর মাসিক সভায় উত্থাপন করেছি। আশা করি অচিরেই রাস্তার কাজ করানো যাবে। সূত্র : বিজয়ের কণ্ঠ ।