|
এই সংবাদটি পড়েছেন 74 জন

বিশ্বকাপে সাকিবের প্রথম সেঞ্চুরি

ডেইলি বিডি নিউজঃ বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয় বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করলেন তিনি। গত বিশ্বকাপে দুটি সেঞ্চুরি করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। ৯৫ বলে সেঞ্চুরি করতে ৯টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা হাঁকান ওয়ানডের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব।

বাজে শটে ফিরলেন মিথুন

মুখোমুখি দ্বিতীয় বলেই ডাক মেরে ফিরেছেন মোহাম্মদ মিথুন। লেগ স্পিনার আদিল রশিদের অফ স্টাম্পে পিচ করা বল ছক্কা হাঁকাতে গিয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ব্যাটের কোণায় লেগে বল জমা হয় উইকেটকিপারের গ্লাভসে।

মিথুনের বিদায়ের সময় ২৯ ওভার ৩ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৭০ রান। সাকিব আল হাসান ৯৫ ও মাহমুদউল্লাহ শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

মুশফিকের বিদায়ে ভাঙল শতরানের জুটি

ওভারের প্রথম বলে ছুঁয়েছিল জুটির সেঞ্চুরি। শেষ বলে ভাঙল জুটি। লিয়াম প্লাঙ্কেটের লেংথ বল লেগ সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে ব্যাটের কোণায় লেগে ক্যাচ চলে যায় পয়েন্টে। ডানদিকে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ দেন জেসন রয়।

৫০ বলে ২ চারে ৪৪ রান করেন মুশফিক। তার বিদায়ে ভাঙে ১০৬ রানের জুটি। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ২৯ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬৯ রান। সাকিব আল হাসান ৯৪ ও মোহাম্মদ মিথুন শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

সাকিব-মুশফিক জুটির সেঞ্চুরি

তৃতীয় উইকেটে শতরানের জুটি গড়েছেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। ৯৭ বলে ছুঁয়েছে জুটির সেঞ্চুরি। শেষ তিন ইনিংসে এটি এই দুজনের দ্বিতীয় শতরানের জুটি।

সাকিব-মুশফিক জুটির ফিফটি

টানা তৃতীয় ম্যাচে পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি গড়েছেন সাকিব আল হাসান। ৫৬ বলে স্পর্শ করে জুটির পঞ্চাশ। সাকিব এরই মধ্যে পেয়েছেন ফিফটি।

বাংলাদেশের একশ

লেগ স্পিনার আদিল রশিদকে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে চার হাঁকালেন সাকিব আল হাসান। এই চারে পূর্ণ হলো বাংলাদেশের দলীয় শতরান, ১৯ ওভার ১ বলে।

২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০৫ রান। সাকিব ৫৮ বলে ৫৭ ও মুশফিকুর রহিম ২৫ বলে ১৯ রানে অপরাজিত আছেন।

বিশ্বকাপে সাকিবের ফিফটির হ্যাটট্রিক

বিশ্বকাপে টানা তৃতীয় ফিফটি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। ৫৩ বলে ফিফটি করতে ৩টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ওয়ানডেতে এটি সাকিবের টানা চতুর্থ ফিফটি এবং শেষ সাত ইনিংসে ষষ্ঠ পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস।

টিকলেন না তামিম

শুরু থেকে রানের জন্য সংগ্রাম করছিলেন। টাইমিং হচ্ছিল না ঠিকমতো। তামিম ইকবালের ধৈর্যের বাঁধও যেন ভেঙে গেল তাতে। আউট হলেন বাজে এক শটে। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মার্ক উডকে ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে এসে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন এক্সট্রা কাভারে।

২৯ বলে একটি চারে ১৯ রান করেন তামিম। তার বিদায়ের সময় ১২ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৬৩ রান। সাকিব আল হাসান ৩৫ ও মুশফিকুর রহিম শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

আর্চারের দারুণ ডেলিভারিতে বোল্ড সৌম্য

আগের বলটাতেই আউট হতে হতে বেঁচে গিয়েছিলেন। জোফরা আর্চারের পরের বলটাতে আর রক্ষা হয়নি সৌম্য সরকারের। ভেতরে ঢোকা দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

৮ বলে সৌম্য করেন ২ রান। ৮ রানেই বাংলাদেশ হারায় প্রথম উইকেট। ৩ ওভার ২ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৮ রান। তামিম ইকবাল ৬ ও সাকিব আল হাসান শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশের সামনে বিশাল লক্ষ্য

বাংলাদেশের বাজে বোলিং-ফিল্ডিং ও নিজেদের ব্যাটসম্যানের দারুণ ব্যাটিংয়ে বড় পুঁজি পেয়েছে ইংল্যান্ড। ৬ উইকেটে করেছে ৩৮৬ রান। বিশ্বকাপে যা ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সপ্তম সর্বোচ্চ। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের আগের সর্বোচ্চ ছিল ৮ উইকেটে ৩৩৮ রান। ২০১১ বিশ্বকাপে বেঙ্গালুরুতে ভারতের বিপক্ষে পরে ব্যাট করে ম্যাচটা টাই করেছিল ইংলিশরা।

১২৮ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ইংল্যান্ডকে ভালো সূচনা এনে দেন জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো। রয় ১২১ বলে ১৪ চার ৫ ছক্কায় করেন সর্বোচ্চ ১৫৩ রান। এ ছাড়া বেয়ারস্টো ৫১, জস বাটলার করেন ৬৪ রান।

বাংলাদেশের প্রথম পাঁচ বোলারের সবাই ওভারপ্রতি ৬-এর ওপরে রান দিয়েছেন। মেহেদী হাসান মিরাজ ৬৭ রানে ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৭৮ রানে নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। মাশরাফি বিন মুর্তজা ৬৮ রানে ও মুস্তাফিজুর রহমান ৭৫ রানে নিয়েছেন একটি উইকেট। সাকিব আল হাসান ৭১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন। মোসাদ্দেক হোসেন ২ ওভারে ২৪ রানে উইকেটশূন্য ছিলেন।

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩২৮ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে আয়ারল্যান্ডের। জিততে হলে বাংলাদেশকে গড়তে হবে নতুন রেকর্ড।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ইংল্যান্ড: ৫০ ওভারে ৩৮৬/৬ (রয় ১৫৩, বেয়ারস্টো ৫১, রুত ২১, বাটলার ৬৪, মরগান ৩৫, স্টোকস ৬, ওকস ১৮*, প্লাঙ্কেট ২৭*; মিরাজ ২/৬৭, সাইফউদ্দিন ২/৭৮, মাশরাফি ১/৬৮, মুস্তাফিজ ১/৭৫, সাকিব ০/৭১, মোসাদ্দেক ০/২৪)।

মুস্তাফিজের শিকার স্টোকস

বেন স্টোকসকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি পেসারের শর্ট বল ছক্কায় উড়াতে গিয়ে আকাশে তোলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। পয়েন্টে তিনবারের চেষ্টায় ক্যাচ নেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

৭ বলে স্টোকস করেন ৬ রান। ইংল্যান্ডের সংগ্রহ তখন ৪৭ ওভার ১ বলে ৬ উইকেটে ৩৪১ রান। উইকেটে দুই নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিস ওকস ও লিয়াম প্লাঙ্কেট এখনো রানের খাতা খুলতে পারেননি।

মরগানকে ফেরালেন মিরাজ

আগের বলেই এউইন মরগানের উইকেট পেতে পারতেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে লং অফে ক্যাচ ফেলেন তামিম ইকবাল। পরের বলেই অবশ্য মরগানকে ফেরান মিরাজ। ছক্কায় উড়াতে গিয়ে লং অনে সৌম্য সরকারের দারুণ ক্যাচে পরিণত হন ইংলিশ অধিনায়ক।

৩৩ বলে একটি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৫ রান করেন মরগান। তার বিদায়ের সময় ৪৬ ওভার ৫ বলে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩৪০ রান। বেন স্টোকস ৫ ও ক্রিস ওকস শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

বাটলারকে থামালেন সাইফউদ্দিন

ওভারের প্রথম বলে মেরেছিলেন ছক্কা। পরের বলে জস বাটলারকে ফিরিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ফ্লিক করে ছক্কা হাঁকাতে চেয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ডিপ স্কয়ার লেগে বাউন্ডারি লাইনের কাছে ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার।

৪৪ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৬৪ রান করেন বাটলার। তার বিদায়ের সময় ৪৫ ওভার ২ বলে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩৩০ রান। এউইন মরগান ৩১ ও বেন স্টোকস শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

বাটলারের ঝোড়ো ফিফটি

আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন ৭৩ বলে। জস বাটলার এবার করলেন ঝোড়ো ফিফটি। ৩৩ বলে ফিফটি করতে ২টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

৪৩ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩০৯ রান। বাটলার ৩৫ বলে ৫৩ ও এউইন মরগান ২৩ বলে ২২ রানে অপরাজিত আছেন। চতুর্থ উইকেটে ৭৪ রানের জুটিতে অবিচ্ছিন্ন আছেন এই দুজন।

রয়কে ফিরিয়ে মিরাজের প্রতিশোধ

ওভারের প্রথম তিন বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে টানা তিন ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন জেসন রয়। চতুর্থ বলে ইংলিশ ওপেনারকে ফিরিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছেন মিরাজ। অফ স্পিনারের অফ স্টাম্পের বল আবার ছক্কায় উড়াতে গিয়েছিলেন রয়। তবে এবার বল উঠে যায় আকাশে। এক্সট্রা কাভারে ক্যাচ নেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

১২১ বলে ১৪ চার ও ৪ ছক্কায় রয় করেন ১৫৩ রান। তার বিদায়ের সময় ৩৪ ওভার ৪ বলে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৩৫ রান। জস বাটলার ৫ ও এউইন মরগান শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

রুটকে ফিরিয়ে সাইফউদ্দিনের প্রথম

জো রুটকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের প্রথম উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ডানহাতি পেসার স্লোয়ার বলে আগেই ব্যাট চালিয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ব্যাটের কোণায় লেগে বল ভেঙে দেয় স্টাম্প।

২৯ বলে একটি চারে ২১ রান করেন রুট। তার বিদায়ের সময় ৩১ ওভার ৩ বলে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২০৫ রান। জেসন রয় ১২৬ ও জস বাটলার শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

রেকর্ড কর্নার

রয়ের এটি নবম ওয়ানডে সেঞ্চুরি, চলতি বছর আট ইনিংসে তৃতীয়। এই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেঞ্চুরি হলো তিনটি। এর আগে কখনো এক বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের তিনটি সেঞ্চুরি ছিল না।

রয়ের দারুণ সেঞ্চুরি

মুস্তাফিজুর রহমানকে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন জেসন রয়। ৯৩ বলে সেঞ্চুরি করতে ১২টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি এই ওপেনার।

২৭ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৬৮ রান। রয় ১০১ ও জো রুট ১২ রানে অপরাজিত আছেন। জনি বেয়ারস্টোর একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

অবশেষে ভাঙল বিপজ্জনক জুটি

শতরান ছাড়ানো ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত এক ক্যাচে ফেরেন জনি বেয়ারস্টো।

রাউন্ড দ্য উইকেটে মাশরাফির কিছুটা লাফিয়ে ওঠা বল লেগ সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন বেয়ারস্টো। তবে বল তার ব্যাটের কোনায় লেগে উঠে যায় অফ সাইডে। কিছুটা দৌড়ে গিয়ে শর্ট কাভারে সামনে ডাইভ দিয়ে দারুণ এক ক্যাচ নেন মিরাজ।

৫০ বলে ৫১ রান করেন বেয়ারস্টো। ইংল্যান্ডের সংগ্রহ তখন ১৯ ওভার এক বলে ১২৮ রান। জেসন রয় ৬৫ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত আছেন। নতুন ব্যাটসম্যান জো রুট।

বেয়ারস্টোর ফিফটি

জেসন রয়ের পর ফিফটি করেছেন ইংল্যান্ডের আরেক ওপেনার জনি বেয়ারস্টোও। ৪৮ বলে পঞ্চাশ ছুঁতে ৬টি চার মারেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

রয়-বেয়ারস্টো জুটির সেঞ্চুরি

শতরানের উদ্বোধনী জুটি পেয়েছে ইংল্যান্ড। জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো জুটির একশ রান এসেছে মাত্র ৯০ বলে। ২৯ ইনিংসে রয়-বেয়ারস্টোর এটি অষ্টম সেঞ্চুরি জুটি।

১৫ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১০১ রান। রয় ৫১ বলে ৫৯ ও বেয়ারস্টো ৩৯ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত আছেন।

রয়ের ঝোড়ো ফিফটি

ব্যক্তিগত ৪০ থেকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে টানা ছক্কা-চার হাঁকিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেছেন জেসন রয়। মাত্র ৩৮ বলে ফিফটি করতে ৭টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা হাঁকান ইংলিশ ওপেনার।

ইনিংসের প্রথম পাঁচ ওভারে মাত্র ১৫ রান তুলতে পেরেছিল ইংল্যান্ড। এরপরই খোলস ছেড়ে বের হন দুই ওপেনার। পরের পাঁচ ওভারে আসে ৫২ রান। রয় ও জনি বেয়ারস্টোর ব্যাটে ইংল্যান্ড পেয়েছে দারুণ সূচনা।

১২ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৮৭ রান। রয় ৩৯ বলে ৫১ ও বেয়ারস্টো ৩৩ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত আছেন।

বেয়ারস্টোর ফিফটি

জেসন রয়ের পর ফিফটি করেছেন ইংল্যান্ডের আরেক ওপেনার জনি বেয়ারস্টোও। ৪৮ বলে পঞ্চাশ ছুঁতে ৬টি চার মারেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

রয়-বেয়ারস্টো জুটির সেঞ্চুরি

শতরানের উদ্বোধনী জুটি পেয়েছে ইংল্যান্ড। জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো জুটির একশ রান এসেছে মাত্র ৯০ বলে। ২৯ ইনিংসে রয়-বেয়ারস্টোর এটি অষ্টম সেঞ্চুরি জুটি।

১৫ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১০১ রান। রয় ৫১ বলে ৫৯ ও বেয়ারস্টো ৩৯ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত আছেন।

রয়ের ঝোড়ো ফিফটি

ব্যক্তিগত ৪০ থেকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে টানা ছক্কা-চার হাঁকিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেছেন জেসন রয়। মাত্র ৩৮ বলে ফিফটি করতে ৭টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা হাঁকান ইংলিশ ওপেনার।

ইনিংসের প্রথম পাঁচ ওভারে মাত্র ১৫ রান তুলতে পেরেছিল ইংল্যান্ড। এরপরই খোলস ছেড়ে বের হন দুই ওপেনার। পরের পাঁচ ওভারে আসে ৫২ রান। রয় ও জনি বেয়ারস্টোর ব্যাটে ইংল্যান্ড পেয়েছে দারুণ সূচনা।

১২ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৮৭ রান। রয় ৩৯ বলে ৫১ ও বেয়ারস্টো ৩৩ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত আছেন।

টস
টস জিতে বোলিং নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। কার্ডিফে ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে তিনটায়।

বাংলাদেশের সামনে হ্যাটট্রিকের হাতছানি
শেষ দুই বিশ্বকাপেই ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১১ বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডকে বাংলাদেশ হারিয়েছিল ২ উইকেটে। ২০১৫ বিশ্বকাপে অ্যাডিলেডে বাংলাদেশ জিতেছিল ১৫ রানে। বাংলাদেশের কাছে ওই ম্যাচ হেরেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছিল ইংল্যান্ড, আর বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো উঠেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে।

আজ আবারো বাংলাদেশের সামনে ইংল্যান্ড। বিশ্বমঞ্চে ইংলিশদের বিপক্ষে তাই টানা তৃতীয় জয়ের হাতছানি বাংলাদেশের সামনে।

এবারের বিশ্বকাপে দুই দলই শুরুটা করেছিল জয় দিয়ে। দুই দলই তাদের প্রথম ম্যাচে হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ইংল্যান্ড তাদের পরের ম্যাচে হেরে যায় পাকিস্তানের কাছে। বাংলাদেশ হেরেছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ২৪৪ রানের পুঁজি নিয়েও অবশ্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছিল মাশরাফি দল। দুই দলেরই আজ জয়ে ফেরার লড়াই।