Sun. Mar 29th, 2020

‘ঘরোয়া বৈঠকে’ সিলেটের মেয়র প্রার্থীদের অগ্রাধিকার

ডেইলি বিডি নিউজঃ আগামী ৩০ ডিসেম্বর দেশের অন্যান্য পৌরসভাগুলোর সঙ্গে সিলেটের তিনটি পৌরসভায়ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনে দাখিলকৃত প্রার্থীদের হলফনামার ‘ফরম-ঢ’ অংশে নির্বাচনী ব্যয়, প্রচারণার কৌশলে উল্লেখকৃত তথ্যানুযায়ী, এ তিন পৌরসভার ২১ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জনের সম্ভাব্য ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

এই ১৬ জনের মধ্যে ১৩ জনই ‘ঘরোয়া বৈঠকের’ প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ৫ মেয়র প্রার্থীর ‘ফরম-ঢ’ অংশ বুধবার রাত পৌনে ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সরবরাহ করা হয়নি। ফলে তাদের সম্ভাব্য ব্যয় সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়নি।

জকিগঞ্জ পৌরসভা: সিলেটের জকিগঞ্জ পৌরসভায় এবার মেয়র প্রার্থী ৬ জন। তন্মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা খলিল উদ্দিন নিজের আয় থেকে ৬০ হাজার টাকা এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে পাওয়া আরো ২০ হাজার টাকাসহ মোট ৮০ হাজার টাকা ব্যয় করবেন। তন্মধ্যে ঘরোয়া বৈঠকে তিনি ৪ হাজার ২০০ টাকা খরচ করবেন।

এ ছাড়া পোস্টার বাবদ ১২ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনা বাবদ ৯ হাজার, যাতায়াত বাবদ ১১ হাজার, লিফলেট বাবদ আড়াই হাজার, ব্যানারে ৩৭০০, ডিজিটাল ব্যানারে ৪৮০০, পথসভায় ২৭০০, মাইক বাবদ ১৩ হাজার, কর্মী বাবদ ৯ হাজার এবং বিবিধ হিসেবে আরো ৪ হাজার টাকা ব্যয় করবেন তিনি।

এ পৌরসভায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বদরুল হক বাদল নিজের আয় থেকে ৬০ হাজার টাকা এবং শ্বাশুড়ির কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে ৪০ হাজার টাকাসহ মোট এক লাখ টাকা নির্বাচনে খরচ করবেন। তন্মধ্যে ঘরোয়া বৈঠকে তিনি খরচ করবেন ৭ হাজার টাকা।

এ ছাড়া পোস্টার ছাপানো বাবদ ১০ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনা বাবদ ১১ হাজার, যাতায়াত বাবদ সাড়ে ১৫ হাজার, ব্যানার বাবদ সাড়ে ৯ হাজার, মাইক বাবদ ১৫ হাজার, পথসভায় ৫ হাজার, অফিস ও কর্মী বাবদ সাড়ে ৭ হাজার  এবং লিফলেট বাবদ ১ হাজার টাকা ব্যয় করবেন তিনি।

জকিগঞ্জ পৌরসভায় জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী আবদুল মালেক ফারুক নিজের আয় থেকে এক লাখ টাকা এবং আবিদুর রহমান নামের একজনের কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে পাওয়া ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করবেন।

ঘরোয়া বৈঠকে তিনি খরচ করবেন ৮ হাজার ১০০ টাকা। এ ছাড়া পোস্টার বাবদ ৬০ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ১৩ হাজার, যাতায়াত খরচ ১২ হাজার, লিফলেট বাবদ ১০ হাজার, হ্যান্ডবিল বাবদ আড়াই হাজার, ব্যানারে ১২ হাজার, পথসভায় সাড়ে ৪ হাজার এবং মাইকিং বাবদ ২০ হাজার টাকা খরচ করবেন তিনি।

এ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ফারুক আহমদ। তিনি নিজের আয় থেকে এক লাখ টাকা ব্যয় করবেন। তন্মধ্যে ঘরোয়া বৈঠকে তার খরচ ১৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া পোস্টারে ২০ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ১৫ হাজার, লিফলেটে ২ হাজার, ব্যানারে ১২ হাজার, মাইকিংয়ে ১৫ হাজার ৬০০, অফিস আপ্যায়ন বাবদ ৫ হাজার এবং বিবিধ হিসেবে ৫ হাজার টাকা খরচ করবেন তিনি।

জকিগঞ্জে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী জাফরুল ইসলাম নিজের আয় থেকে ৩০ হাজার টাকা, মামার কাছ থেকে ধার হিসেবে এক লাখ টাকা এবং দুলাভাইয়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে পাওয়া ২০ হাজার টাকা নির্বাচনে খরচ করবেন। তিনি ঘরোয়া বৈঠকে খরচ করবেন ২০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া পোস্টার বাবদ ১০ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ১৫ হাজার, যাতায়াত খরচ ৫০ হাজার, লিফলেট বাবদ ১০ হাজার, ব্যানারে ২০ হাজার এবং পথসভায় ৫ হাজার টাকা খরচ করবেন তিনি।

জকিগঞ্জ পৌরসভায় ঘরোয়া বৈঠকে সবচেয়ে বেশি খরচ করবেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হিফজুর রহমান। নিজের আয় থেকে এক লাখ টাকা তার মোট নির্বাচনী ব্যয়। তিনি ঘরোয়া বৈঠকে খরচ করবেন ৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়া পোস্টারে ২০ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্পে ২৫ হাজার, লিফলেট বাবদ ৫ হাজার, ব্যানারে ১০ হাজার, পথসভায় এক হাজার, মাইকিং বাবদ ৫ হাজার এবং বিবিধ হিসেবে ৪ হাজার টাকা ব্যয় করবেন।

কানাইঘাট: সিলেটের কানাইঘাট পৌরসভায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন ৮ জন প্রার্থী। তন্মধ্যে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ৪ জন প্রার্থীর ‘ফরম-ঢ’ অংশ পাওয়া গেছে। বাকিদের তথ্য এখনো পর্যন্ত সরবরাহ করা হয়নি।

এ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী লুৎফুর রহমান নিজের আয় থেকে এক লাখ টাকা এবং ভগ্নিপতির কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে পাওয়া এক লাখ টাকা নির্বাচনে খরচ করবেন। ঘরোয়া বৈঠকে তার খরচ ১৫ হাজার টাকা।

এ ছাড়া পোস্টার ছাপানোতে ২০ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ২০ হাজার, যাতায়াত খরচ ৩০ হাজার, লিফলেটে ৫০ হাজার, ব্যানার বাবদ সাড়ে ১০ হাজার, পথসভায় ১৮ হাজার, মাইকিংয়ে ২০ হাজার, কর্মী বাবদ ৩০ হাজার এবং বিবিধ হিসেবে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় করবেন তিনি।

জাসদ সমর্থিত প্রার্থী তাজ উদ্দিন নিজের আয় থেকে ২ লাখ টাকা খরচ করবেন। ঘরোয়া বৈঠকে তিনি কোনো ব্যয় করছেন না। তবে পোস্টার বাবদ ৫০ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ৫০ হাজার, যাতায়াতে ৪০ হাজার, ব্যানারে ১২ হাজার, মাইকিংয়ে সাড়ে ৩৭ হাজার এবং অফিস আপ্যায়নে সাড়ে ১১ হাজার টাকা খরচ করবেন তিনি।

এ পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ওলিউল্লাহ নিজের আয় থেকে ২০ হাজার টাকা এবং ভাইয়ের কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে পাওয়া এক লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্বাচনে খরচ করছেন। তন্মধ্যে ঘরোয়া বৈঠকে তার খরচ ১০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া পোস্টারে ২৫ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ১৫ হাজার, কেন্দ্রীয় নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ১০ হাজার, যাতায়াতে ১০ হাজার, লিফলেটে ৬ হাজার, হ্যান্ডবিলে ৪ হাজার, পথসভায় ৫ হাজার, মাইকিংয়ে ২১ হাজার, অফিস আপ্যায়নে ৬ হাজার এবং কর্মী বাবদ ১৫ হাজার টাকা খরচ করবেন তিনি।

আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সুহেল আমীন নিজের আয় থেকে ২ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। তন্মধ্যে ঘরোয়া বৈঠকে তিনি খরচ করবেন ১০ হাজার টাকা। এ ছাড়া পোস্টারে ১০ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্পে ১৬ হাজার, প্রার্থীর কেন্দ্রীয় ক্যাম্প বাবদ ২৫ হাজার, যাতায়াতে ৬০ হাজার, লিফলেট বাবদ ৬ হাজার, ব্যানার বাবদ ১২ হাজার, পথসভায় ৫ হাজার, মাইকিংয়ে ২০ হাজার, অফিস আপ্যায়নে ১০ হাজার, কর্মী বাবদ ৯ হাজার এবং বিবিধ খাতে ১৭০০ টাকা খরচ করবেন তিনি।

কানাইঘাট পৌরসভায় যাদের তথ্য পাওয়া যায়নি, তারা হচ্ছেন- বাবুল আহমদ, আব্দুর রহিম ভরসা, মো. নিজাম উদ্দিন ও হাফিজ মো. ইসলাম উদ্দিন।

গোলাপগঞ্জ: এ পৌরসভায় মোট ৭ জন প্রার্থী মেয়র পদে লড়ছেন। তন্মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাকারিয়া আহমদ পাপলু নিজের আয় থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা নির্বাচনে ব্যয় করবেন। ঘরোয়া বৈঠকে তিনি ১৩ হাজার টাকা খরচ করবেন।

এ ছাড়া পোস্টারে ১৩ হাজার ৮শ, নির্বাচনী ক্যাম্প বাব ১৫ হাজার, কেন্দ্রীয় ক্যাম্প বাবদ ১৫ হাজার, যাতায়াাতে ৮ হাজার, লিফলেট বাবদ ৭ হাজার, হ্যান্ডবিলে ১০ হাজার, ব্যানার বাবদ ২৬ হাজার ৮০০, পথসভায় ৯ হাজার, মাইকিংয়ে ২৫ হাজার, নির্বাচনী প্রতীক তৈরি বাবদ ৮ হাজার, অফিস আপ্যায়ন ৬ হাজার ৪০০, কর্মী বাবদ ৮ হাজার এবং বিধি হিসেবে ৮ হাজার টাকা খরচ করবেন।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহীন নিজের আয় থেকে এক লাখ টাকা, হাফিজুর রহমান নামক এক আত্মীয়ের কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে প্রাপ্ত ৩০ হাজার টাকা নির্বাচনে খরচ করবেন। তিনি ঘরোয়া বৈঠকে ৯ হাজার টাকা খরচ করবেন।

এ ছাড়া পোস্টারে সাড়ে ৭ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ১২ হাজার, কেন্দ্রীয় ক্যাম্প বাবদ ১৫ হাজার, যাতায়াতে ৭ হাজার, লিফলেটে ৫ হাজার, হ্যান্ডবিলে ৩ হাজার, ব্যানারে সাড়ে ৩ হাজার, পথসভায় ৪ হাজার, মাইকিং বাবদ ৬ হাজার, অফিস আপ্যায়নে সাড়ে ৪ হাজার, কর্মী বাবদ সাড়ে ৪ হাজার, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারণায় আড়াই হাজার এবং বিবিধ খরচ হিসেবে ৩ হাজার টাকা খরচ করবেন।

এ পৌরসভায় জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী মো. সুহেদ আহমদ নিজের আয় থেকে ৭০ হাজার, আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে প্রাপ্ত ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্বাচনে ব্যয় করবেন। তিনি ঘরোয়া বৈঠকে সাড়ে ২২ হাজার টাকা খরচ করবেন।

এ ছাড়া পোস্টার ছাপায় ২৫ হাজার, কেন্দ্রীয় ক্যাম্প পরিচালনায় ৯ হাজার, যাতায়াতে ২৬ হাজার ২০০, লিফলেটে ১২ হাজার, ব্যানারে সাড়ে ২০ হাজার, পথসভায় ৯ হাজার, মাইকিং বাবদ ৩৪ হাজার, নির্বাচনী প্রতীক তৈরি বাবদ ৫ হাজার, অফিস আপ্যায়ন বাবদ ৬ হাজার এবং কর্মী বাবদ ২৭ হাজার টাকা খরচ করবেন।

গোলাপগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সিরাজুল জব্বার চৌধুরী নিজের আয় থেকে এক লাখ টাকা এবং আত্মীয়স্বজনদের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান থেকে প্রাপ্ত ৮০ হাজার টাকা নির্বাচনে খরচ করনে। তিনি ঘরোয়া বৈঠকে কোনো ব্যয় না করলেও পথসভায় ৬ হাজার টাকা ব্যয় করবেন।

এ ছাড়া পোস্টার ছাপানোতে ১৪ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ২০ হাজার, কেন্দ্রীয় ক্যাম্প পরিচালনায় ১৫ হাজার, যাতায়াত বাবদ ২৭ হাজার, লিফলেটে ৮ হাজার, ব্যানারে ১৩ হাজার, মাইকিংয়ে ২১ হাজার, অফিস আপ্যায়নে ৩ হাজার, কর্মী বাবদ ২৪ হাজার এবং বিবিধ খাতে ৫ হাজার টাকা খরচ করবেন।

এ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম রাবেল নিজের আয় থেকে এক লাখ ও এক আত্মীয়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত এক লাখ টাকা নির্বাচনে ব্যয় করবেন। তিনিও ঘরোয়া বৈঠকে কোনো ব্যয় করছেন না। তার ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে পোস্টার বাবদ ২৫ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ১৮ হাজার, যাতায়াত বাবদ ২৬ হাজার ২০০, লিফলেটে ১২ হাজার, ব্যানার বাবদ ১৪ হাজার, মাইকিংয়ে ৪১ হাজার ৬০০ এবং কর্মী বাবদ ৩২ হাজার ৪০০ টাকা।

এ পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুর রহমান লিপন নিজের আয় থেকে এক লাখ টাকা নির্বাচনে ব্যয় করবেন। ঘরোয়া বৈঠকে তিনি ৫ হাজার টাকা খরচ করবেন। এ ছাড়া পোস্টার বাবদ ৩০ হাজার, নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনা বাবদ ১০ হাজার, যাতায়াতে ১০ হাজার, লিফলেটে ৫ হাজার, ব্যানার বাবদ ৫ হাজার, পথসভায় ৫ হাজার, মাইকিংয়ে সাড়ে ৫ হাজার, কর্মী বাবদ ১০ হাজার এবং বিবিধ খাতে ৬ হাজার টাকা খরচ করবেন।

এ পৌরসভায় খেলাফত মজসিল সমর্থিত প্রার্থী আমিনুল ইসলাম আমিনের সম্ভাব্য ব্যয়ের তথ্য তথা হলফনামার ‘ফরম-ঢ’ অংশ এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সরবরাহ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।