|
এই সংবাদটি পড়েছেন 62 জন

মানুষের মৃত্যুর প্রহর গোনেন তারা!

বিশেষ প্রতিনিধিঃ জরুরি বিভাগের সামনে রোগী-স্বজনের জটলা। একের পর এক রোগী আসছে-যাচ্ছে। কারও স্বজন হারানোর বেদনায় কিছুক্ষণ পর পর কেঁপে উঠছে এলাকাটি। একটু দূরে দেখা মিললেও কিছু তরুণ গল্প মেতেছেন। কাছে গিয়ে কথা বলার আগে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ভাই অ্যাম্বুলন্সে লাগবে? তাতেই বুঝা গেল ওরা কারা।

সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়ে এ চিত্র চোখে পড়ে।

একসময় অ্যাম্বুলেন্স চালকদের সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি ছিল হাসপাতালের রোগী ও স্বজনরা। তবে সে চিত্র এখন অনেকটা পাল্টেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,প্রায় প্রতিদিন চিকিৎসাধীন অনেক রোগী হাসপাতালে মারা যান।রোগী কিংবা মরদেহ পরিবহনে হাসপাতালের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন এসব অ্যাম্বুলেন্স নিয়মিত হাসপতালের রোগী আনা-নেওয়া করেন।

মোহাম্মদ আলী নামে এক অ্যাম্বুলেন্স চালক বলেন, ‘তিনদিন ধরে রাত জাগছি। একটিও ভাড়া জুটেনি।

এখনো বৃহত্তর সিলেটের চিকিৎসার শেষ আশ্রয়স্থল এ হাসপাতাল। জটিল ও মুমূর্ষু রোগীরা এ হাসপাতালেই ছুটে আসেন।কিন্তু সুবিধার তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় সেবা নিতে আসা রোগীদের একাধিক অভিযোগ পাওয়া যায়।অনেকে অভিযোগ করে বলেন, একটি অদৃশ্য সিন্ডিকেটের হাতে হাসপাতালে অনেক ডিপার্টমেন্ট জিম্মি।