|
এই সংবাদটি পড়েছেন 39 জন

চন্ডীডহর খেয়া ঘাটে মসজিদের নামে চাঁদাবাজি! লোকশানের মুখে ইজারাদার

ফরিদ মিয়া সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলি ইউনিয়নের চন্ডীডহর খেয়া ঘাটে জেলা পরিষদ থেকে ইজারা প্রাপ্ত ইজারাদারের খেয়া পারাপারের সামনে বাঁশের বেরা দিয়ে বিকল্প খেয়াঘাট বানিয়ে মসজিদের নাম করে আলহাজ্ব আব্দুল্লা উচ্চবিদ্যালয়ের করনিক মোঃ কুতুবুদ্দিন গং প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।

এ নিয়ে ইজারাদার পরেছেন আর্থিক লোকশানে স্থানীয় ভাবে বসেও মসজিদের নামে টাকা উটানো থেকে ফেরানো যাচ্চে না তাদের।
সরজমিনে গিয়ে ইজারাদার জানে আলমের সাথে কথাবলে জানাযায় খেয়াঘাট টি গত ০১/০৭/২০১৮ ইং তারিখে ৬.৮১.৬০০/-টাকায় ১ বছরের জন্য জেলা পরিষদ সুনামগঞ্জ হইতে ইজারা নেন তিনি ইজারাকৃত সত্য চন্ডীডহর খেয়াঘাটের ২ কিলোমিটার এলাকায় কেউ কোন প্রকার চাঁদা উটাতে পারবে না কিন্তু প্রভাবশালি কুতুবউদ্দিন তা না মেনে তার লোক দিয়ে আমার খেয়াঘাটে লোক উটানামার রাস্তায় বাঁশদিয়ে বেরাদেয় এবং বিকল্প ঘাট তৌরি করে টাকা নেয় ইজারাদার জানে আলম দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার পাইকাপন গ্রামের তোয়াহিদ আলীর ছেলে।
চন্ডীডহর খেয়াঘট দিয়ে চলাচল কারিদের ভিবিন্ন সময় কুতুবুদ্দিনের লোকদের দ্বারা অপমানিত হতে হয় কুতুবুদ্দিন লোকদের উপর স্থানীয় ব্যাবসায়িদের রয়েছে অভিযোগ টাকা না দিলে অকথ্যভাষায় গালাগাল করে প্রভাশালি হওয়ায় ভয়ে কেও কথা বলেনা।
এই খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন নগদিপুর,ধল,কাউয়াজুরি,ফনিডর,দৌলতপুর,কামরাব্রিজ, হোসেনপুর বাজারে মানুষ চলাফেরা করে আসছে হোসেনপুর বাজারের ব্যবসায়ি ও পল্লী চিকিৎসক মামুনুর রশিদ বলেন বিষয়টি এমন যে জোড় যার মুল্লুকতার।
মসজিদের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধভাবে খেয়াঘাটে টাকাও তুলে মানুষের সাথে আবার সাথে বাজে ব্যাবহার করে।
শিকন্দর পুরের মাছ ব্যাবসায়ি শাকির আহমদ বলেন চোট একচাঙ্গা মাছ আনলেও বিশটাকা দাবি করে বসে না দিলে শাররিক নির্যাতনের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে জানতে আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়ের করনিক কুতুবুদ্দিন টাকা উটানোর বিষয়টি স্বিকার করে জানান কলকলি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমরা মসজিদের নামে এনেছি তিনি খেয়াঘাট টি মসজিদের জায়গা বলেও দাবি করেন।
তিনি বলেন মসজিদ কমিটির সকলের অনুমুতিতে ইউনিয়ন অফিস থেকে মসজিদ কমিটির সদস্য শুকুরআলীর নামে লিজ আনি এক পর্যায়ে তাকে মতল্লি বা সেক্রেটারির নামে লিজ না আনার কারন জিজ্ঞাসা করলে বিষয়টি তিনি এরিয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে কলকলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হাসিম বিষয়টি অস্বিকার করে বলেন মসজিদের নামে কাউকে টাকা উটাতে আমরা বলিনি বা লিজও দেইনি।
বিষয়টি নিয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইফতেকার উদ্দিন বলেন বিষয়টি আমার জানা ছিলনা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি ।