|
এই সংবাদটি পড়েছেন 39 জন

নগরীর আম্বরখানায় মা-ছেলের উপর হামলা!

ডেইলি বিডি নিউজঃ নগরীর আম্বরখানার একটি মার্কেটের লিফটে ৩০ মিনিট আটকে থাকার পর গুরুতর অবস্থায় নিজে নিজে আত্মরক্ষা করেছেন শাহাদৎ হোসেন শহিদ নামের এক যুবক। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর আম্বরখানা এয়ারপোর্ট রোডের ইস্টার্ণ প্লাজার ২নং লিফটে এ ঘটনাটি ঘটে। লিফটের বেল বাজানো সত্বেও আটকেপড়া শাহাদতের সাহায্যার্তে লিফট ইনচার্জ ও নৈশ প্রহরী না আসার কারণ জানতে চাইলে উল্টো তাদের হাতে লাঞ্চিত ও আহত হয়েছেন শাহাদতৎ হোসেন শহিদ ও মা জোবেরা খাতুন। আহতদেরকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত শাহাদতের বাবা হাজী মানিক মিয়া বাদি হয়ে কতোয়ালী থানায় একটি এজাহার দাখিল করেছেন।

এ ব্যাপারে কতোয়ালী থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই সাত্তার জানান, ইস্টার্ণ প্লাজায় লিফট ইনচার্জ ও নৈশ প্রহরী কর্তৃক হামলার ঘটনায় লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে মামলা রেকর্ড ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এয়ারপোর্ট থানার সাহেব বাজার এলাকার আটকিয়ারী গ্রামের হাজী মানিক মিয়া স্ব পরিবারে আম্বরখানাস্থ ইষ্টার্ণ প্লাজায় বসবাস করে আসছেন।

গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ২নং লিফটে আটকা পড়েন মানিক মিয়ার ছেলে শাহাদতৎ হোসেন শহিদ (১৭)। প্রায় আধা ঘন্টা আটকে থেকে বেল বাজানো ও আর্থ চিৎকার করতে থাকেন। কিন্তু তাকে বাঁচাতে কেউ আসেনি। অবশেষে নিজে নিজে লিফট ফাঁক করে প্রাণে বেঁচে যান শাহাদৎ।

খবর পেয়ে শাহাদতের মা নিচে এসে লিফট ইনচার্জ সবুজ ও নৈশ প্রহরী আব্দুল আজিজ ও বোরহান উদ্দিন’সহ উপস্থিত আরো ৬/৭জনকে কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় বাকবিতন্ডা।

এক পর্যায়ে হামলার শিকার হন শাহাদত ও তার মা জোবেরা খানম। আহত অবস্থায় আশপাশ লোকজন তাদেরকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

হামলকারীরা মোবাইল, স্বর্ণা লংকার ও নগদ টাকা ছিনিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ইষ্ঠার্ণ প্লাজার ম্যানেজার আব্দুর জানান, ঘটনাটি আপোষে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন গণ্যামন্য বক্তিবর্গ এ উদ্যোগ নিয়েছেন।