|
এই সংবাদটি পড়েছেন 47 জন

সিলেটের আদালত চত্বরে হাতাহাতি:দুই আইনজীবীর সদস্যপদ স্থগিত

ডেইলি বিডি নিউজঃদুই আইনজীবীর সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করেছে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতি। সোমবার দুপুরে আইনজীবী সমিতির জরুরী সভা শেষে মাসুম মিল্লাহ চৌধুরী ও একরামুল হাসান শিরুর সদস্যপদ ১৫ দিনের জন্য স্থগিাত করা হয়। এই সময়ের মধ্যে তাদের কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। উপযুক্ত করাণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে দু’জনকে স্থায়ী বহিস্কারের কথাও জানিয়েছে আইনজীবী সমিতি।

মাসুম ও শীরু- দু’জনই চলতি বছর আইনজীবী সমিতির সদস্য হন। এদের মধ্য মাসুম বিল্লাহ শাহজালাল বিজ্ঝান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবরীঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আর একরামুল হাসান শিরু সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি।

পেশাগত অসদাচরণের কারণে তাদের সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. হোসেন আহমদ।

আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা যায়, ওকালত নামা ছাড়াই সোমবার একটি মামলার শুনানিতে বিবাদির পক্ষের আদালতে দাঁড়ান মাসুম ও শিরু। বাদী পক্ষের আইনজীবীর সাথে তাঁরা অসাদাচরণ করেন বলেও অভিযোগ ওঠেছে।

সূত্র জানায়, গত ১ এপ্রিল তারিখে সিলেটের মইয়ারচরে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মামাতো ভাইদের দ্বারা নিজের উপর হামলার অভিযোগ আনেন আইনজীবি বুরহান উদ্দিন। তার উপর হামলার অভিযোগে ৪ জনকে অভিযুক্ত করে জালালাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলা দায়েরের পাশপাশি এড. বুরহান উদ্দিন সিলেট আইনজীবি সমিতিকে বিষয়টি অবগত করেন।

এই মামলায় সোমবার সিলেট মূখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন বিবাদিরা। বিবাদী পক্ষে আইনজীবি হিসেবে নিযুক্ত হন এড. রেজাউল করিম। তাঁর সহযোগিতায় ছিলেন মাসুম বিল্লাহ চৌধুরী ও একরামুল হাসান শিরু।

আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা যায়, ওকালত নামা ছাড়াই সোমবার একটি মামলার শুনানিতে বিবাদির পক্ষের আদালতে দাঁড়ান মাসুম ও শিরু। বাদী পক্ষের আইনজীবীর সাথে তাঁরা অসাদাচরণ করেন বলেও অভিযোগ ওঠেছে।

সূত্র জানায়, গত ১ এপ্রিল তারিখে সিলেটের মইয়ারচরে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মামাতো ভাইদের দ্বারা নিজের উপর হামলার অভিযোগ আনেন আইনজীবি বুরহান উদ্দিন। তার উপর হামলার অভিযোগে ৪ জনকে অভিযুক্ত করে জালালাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলা দায়েরের পাশপাশি এড. বুরহান উদ্দিন সিলেট আইনজীবি সমিতিকে বিষয়টি অবগত করেন।

এই মামলায় সোমবার সিলেট মূখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন বিবাদিরা। বিবাদী পক্ষে আইনজীবি হিসেবে নিযুক্ত হন এড. রেজাউল করিম। তাঁর সহযোগিতায় ছিলেন মাসুম বিল্লাহ চৌধুরী ও একরামুল হাসান শিরু।