|
এই সংবাদটি পড়েছেন 49 জন

জামালগঞ্জের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম রাস্তার বেহালদশা

জামালগঞ্জ প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের রাস্তাটুকুর ৭/৮বছর যাবতএই বেহাল দশা কিন্তু আফসোসের বিষয় হল আজও দেখার মত কেউ নেই। দীর্ঘদিন রাস্তাটুকুর এই অবস্থার ফলে ঘটছে বিভিন্ন দূর্ঘটনা।

রাস্তাটি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের একটি রাস্তা,উপজেলা পর্যায়ের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ মাঠের একটি রাস্তা এই মাঠেই উপজেলা পর্যায়ের সবধরনের খেলাধূলা অনুষ্ঠিত হয়,পার্শ্বেই জামালগঞ্জ উপজেলার একমাত্র কলেজ জামালগঞ্জ সরকারি কলেজ অবস্থিত,এই রাস্তা ব্যবহার করে ২টি মাদরাসার ছোট-বড় ছাত্র/ছাত্রীরা ও ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট ছোট বাচ্চারা, দুটি মসজিদের মুসল্লীরা এছাড়াও প্রতিদিন হাজারও মানুষ চলাচল করেন। গুরুত্বপূর্ণ কোন পার্সন হেলিকপ্টারে আসলে এই মাঠেই অবতরণ করতে হয়। বিশাল কোন জনসভা করতে হলে এই মাঠেই করতে হয়। যেমন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ১৮/১৯ বছর পূর্বে এই মাঠেই জনসভা করেছিলেন। তাবলীগের আঞ্চলিক কোন ইজতেমা করতে হলে এই মাঠেই করতে হয়। তাই এই মাঠের রাস্তাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেখার কেউ নেই।

রাস্তাটি বড় সমস্যাতে জর্জরিত। রাস্তাটির দুই পার্শ্বে পুকুর হওয়াতে বর্ষাকাল আসলেই রাস্তায় পানি উঠে যায়,কয়েকটি জায়গায় গর্ত হওয়াতে শুকনা থাকা অবস্থাতেও কোন গাড়ি চলাচল করতে পারেনা,বর্ষাকালে গর্তগুলোতে পানি জমা হওয়ার কারণে ছোট বাচ্চাদের জন্য খুবই ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়ে যায়,এই গর্তগুলোতে এমনভাবে পানি জমে যে চলাফেরাও করা যায়না,সাকো দেওয়ার মতও অবস্থা না আবার নৌকা চালানোর কোন পরিবেশও হয়না। বৃষ্টি হলে এত পিচ্চিল হয় যে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরাও করা যায়না।

ছবিতে যে গাইড ওয়াল দেখা যাচ্ছে এটি গত বছরের কাজের দৃশ্য,গত বছর এই রাস্তাটি নিয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কিছু ফেইস বুকে লেখালেখি করার পর তারা দৃষ্টিগোচর করেছিলেন কিন্তু দুঃখের বিষয় এমন কাজই হয়েছে যে আগেরদিন গাইড ওয়াল দেয়ার পর পরেরদিনই ছবির বর্তমান দৃশ্য হয়েছে।

যুব জমিয়ত নেতা আলতাফুর রহমান বলেন,
আমার দারুস সুন্নাহ মাদরাসা পরিদর্শনে এসেছিলেন আমাদের সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শামীম আল ইমরান মাদরাসা থেকে যাওয়ার পথে এই রাস্তাটুকু দেখেছিলেন,রাস্তাটুকুর বেহাল অবস্থা তুলে ধরার পর তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন তা সংস্কার করে দিবেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এর দুইদিন পরই বদলী নোটিশ চলে আসে। তিনি বদলী হয় যান। বিষয়টি যাতে দ্রুত সমাধান করা হয় সেটাই এলাকার মানুষের দাবি।

এ ব্যাপারে ওয়ার্ড সদস্য শহিদুল ইসলাম সোহেল মানব দৃষ্টি ২৪ডট কমকে বলেন যে রাস্তার চারদিকে পানি থাকার কারণে এখন কোনো কাজ করা সম্ভব হচ্চে না। তবে এই রাস্তারটির কাজ পানি শুকালেই শুরু হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে সব ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।