|
এই সংবাদটি পড়েছেন 29 জন

আট দিনেও মেলেনি রিপোর্ট

ডেইলি বিডি নিউজঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল এলাকায় সম্প্রতি উপবন ট্রেন দুর্ঘটনার কারণে গঠিত দুটি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এখনো মেলেনি। ঘটনার আট দিন অতিবাহিত হলেও রিপোর্টটি আলোর মুখ না দেখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

এদিকে, শনিবার (২৯ জুন) বিকেলে আঞ্চলিক পর্যায়ে তদন্ত কমিটির প্রধান বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনা কবলিত বগি, রেল লাইন, রেলসেতু, ক্ষতিগ্রস্ত স্লিপার, ফিশপ্লেট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরের দিন ২৪ জুন পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোফাজ্জেল হোসেন। এ দুই তদন্ত কমিটিকে ঘটনার দিন হতে (২৩ জুন) তিন কার্যদিবসের মধ্যে (২৬ জুন) তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু ৮ দিনেও তদন্ত কমিটির অগ্রগতি সর্ম্পকে বিস্তর জানা যায়নি। মুখ খুলছেন না তদন্ত কমিটির কর্মকর্তারা।

পৃথক দুটি তদন্ত কমিটির একটি আঞ্চলিক প্রধান পর্যায়ের তদন্ত কমিটিতে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী মিজানুর রহমানকে প্রধান করে চিফ ইঞ্জিনিয়ার (পূর্ব) আব্দুল জলিল, চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস) সুজিত কুমার, চিফ সিগনাল অ্যান্ড টেলিকম অফিসার (পূর্ব) ময়নুল ইসলামকে রাখা হয়েছে।

আর বিভাগীয় কর্মকর্তা পর্যায়ের কমিটিতে আহবায়ক করা হয় কমলাপুর স্টেশনের ডিটিও ময়নুল ইসলামকে। এ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ডিএমই (পূর্ব) চট্টগ্রামের শাহ সুফী নূর মোহাম্মদ, কমলাপুরের ডিএমও ডা. আব্দুল আহাদ, ডিএসটিই আবু হেনা মোস্তফা আলম ও ডিইএন ঢাকা-২ আহসান জাবির।

এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির প্রধান, বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, রেলওয়ের দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি কাজ করে যাচ্ছে।

আগামী ৩/৪ দিনের মধ্যে রিপোর্ট রেলওয়ের মহাপরিচালকের কাছে জমা দেওয়া হবে। তবে কি কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা আছে, এখন আর বেশি কিছু বলা যাবে না।