|
এই সংবাদটি পড়েছেন 227 জন

যুবলীগের সভাপতি পদে সবার পছন্দের শীর্ষে আলম খান মুক্তি

ডেইলি বিডি নিউজঃ রাজনীতির যে নীতি প্রয়োজন সেটা কয়জনের জানা? আজকাল রাজনীতি মানেই প্রভাব খাটানো আর নিত্য নতুন ব্যবসায়িক ধান্দা। আর তাইতো পদ পদবী পেয়ে নেতারা রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে গেছেন মাত্র ক’দিনেই। সিলেট শহরে নিরব চাদাবাজি, জায়গা দখল, ক্ষমতার অপব্যবহার করে পদপদবী ছিনিয়ে নিচ্ছে আর লুট করছে সরকারী টাকা এবং বিভিন্ন ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে যারা আজ মানুষের কাছে ঘৃনিত তারাই আজ নিত্য নতুন ফন্দিতে ব্যস্ত কিভাবে আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠনের শীর্ষ পদ পদবী ছিনিয়ে নিতে পারে।
বলছি সিলেট মহানগর যুবলীগের আগামী সম্মেলন নিয়ে, যেখানে এখনো বর্তমান আহবায়ক আলম খান মুক্তি’র ছত্রছায়ায় নিরাপদ আছে মহানগর যুবলীগ আর সর্বমহলে প্রশংসিত উনার নেতৃত্ব। সেখানে উনার বিপরীতে যারা প্রার্থী রয়েছেন তাদের তুলনায় আলম খান মুক্তি অনেক পরীক্ষিত। অথচ ফেয়ার পলিটিশিয়ান হিসাবে পরিচিত আলম খান মুক্তি তরুণ নেতা কর্মীদের মাঝে তুমুল জনপ্রিয় সৎ ও নিষ্ঠাবান, সদা হাস্যময়ী এই নেতা নিজ গুনে নিজেকে প্রমানিত করেছেন বারবার। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ সাধারন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ও গত জাতীয় নির্বাচনে সিলেট মহানগর যুবলীগ সব সময় সচেষ্ট ছিলো আলম খান মুক্তির নেতৃত্বে। অথচ বিরোধীরা নিজের ফায়দা লুটতে না পেরে সব সময় অপবাদ দিয়ে গেছে এই কমিটিকে। যেখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন সিলেটের কৃতি সন্তান সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজের মতো সৎ এবং যোগ্য ব্যাক্তি হিসাবে নিজে বেছে নিয়েছেন আলম খান মুক্তি’কে যা সুবিধা ভোগীরা ভালো চোখে দেখেনি। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু বিভিন্ন আন্দোলনে সংগ্রামে এই নেতা নিজ দলের প্রয়োজনে রাজপথে সব সময় ছিলেন সোচ্চার। তৎকালীন বিএনপি জামাত বিরোধী অনেক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন সাহসিকতার মাধ্যমে। বিএনপি-জামায়াতের মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়ে কারাভোগও করেছেন বরাবর আপোষহীন নেতা আলম খান মুক্তি। যার সঠিক নেতৃত্বে সিলেট মহানগর যুবলীগ আজ প্রাণ ফিরে পেয়েছে তার পথ ধরে তাকে আগামীর দিনগুলোতেও মহানগর যুবলীগের সভাপতি হিসাবে দেখতে চায় সিলেট মহানগরের নেতা কর্মী সহ উজ্জীবিত ২৭ টি ওয়ার্ড কমিটি এবং সুশীল ও সচেতন যুব সমাজ।

লেখক: শামস্ আখতার নির্ঝর (অভিনেতা ও নাট্যকার)