Thu. Dec 12th, 2019

শাহজালাল (রহ.) ওরুসে নারী পুরুষের ওপেন গাঁজা সেবন

স্টাফ রিপোর্টারঃ অগণিত রহমত বর্ষিত হোক আউলিয়ায়ে কেরামের কবরে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের মহিমায় পাক-ভারত বাংলাদেশ তথা সিলেটের আনাচে-কানাচে ইসলাম ধর্মের প্রচার প্রসার লাভ করেছে। তাদের মধ্যে হযরত শাহপরাণ (রহ: ) ছিলেন অন্যতম।

গিলাফ চড়ানোর মাধ্যমে সিলেটে হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে ৭০০তম ওরস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে মাজারে গিলাফ চড়ানো হয়। আগামীকাল বুধবার ভোরে আখেরি মোনাজাত ও শিরনি বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুই দিনব্যাপী এই ওরস। ওরস উপলক্ষে হজরত শাহজালালের (রহ.) ভক্ত-আশেকানদের ঢল নেমেছে মাজার এলাকায়। নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ওরসে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এবং বিদেশ থেকে হজরত শাহজালালের (রহ.) ভক্ত-আশেকানরা গত রোববার বিকেল থেকে দলে দলে মাজারে আসতে শুরু করেন। নগরের রাস্তাঘাট অলিগলিতে এখন বাদ্য বাজছে। লাল সালু মাথায় বেঁধে ভক্ত-আশেকানদের ‘শাহজালাল কী জয়, লালে লাল বাবা শাহজালাল’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠেছে মাজার এলাকা ।

সুলতানুল বাংলা বিশ্ব বরেণ্য ওলী হযরত শাহজালাল (রহ:) মাজারে ওরুস উপলক্ষে এক শ্রেণির ভন্ড গাজা সেবনকারীদের আস্তানায় পরিণত হয়।

সরেজমিন দেখা যায়, ভন্ডরা আল্লাহু আল্লাহু বলে জিগির দিয়ে হাঁতে একটা কল্কে নিয়ে জোরে একটা দম দিয়া মুখ দিয়া একখান ধোয়া ছাইড়া চিক্কুর মাইরা উঠে। বলে পেয়ারা নবী(স)” আহা কি ভক্তি।

সাধক গাঞ্জা ভন্ড বাবাকে গাজা সেবনের জন্য ঘিরে থাকে কিছু মুরিদ। তারা কেয়ামতের শাফায়েতের আশায় গাঞ্জা বাবার মুরিদ হয়। তাদের মুরিদ হওয়ার একটাই আশা গাজা সেবন করা।

শাহজালাল (রহ:) মাজারের দক্ষিণ দিকে অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।ওরুসে সময় মেডি এইড ডায়গনষ্টিক সেন্টারের দেয়াল ঘোষে ছোট ছোট গাজার আসর বানাইয়ে লাজ শরম ভুলে প্রকাশ্যে সুন্দরীরাও গাজা সেবন করছে। প্রতিটি আসরে প্রায় কেজি হারে গাজা নিয়ে বসে আছে ভন্ডরা। এমন কি গাজা ব্যাবসায়ীরা ভন্ড সেজে প্রকাশ্যে বিক্রি করছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী করে বলেন, আমরা বাধা দিলে কি হবে প্রশাসনের কোন উদ্ধোগ নেওয়া না হলে এই গাজা সেবন বন্ধ হবেনা।