|
এই সংবাদটি পড়েছেন 24 জন

নবীগঞ্জ-রুদ্রগ্রাম সড়কের সংস্কার কাজের সময় শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ উপজেলার নবীগঞ্জ-রুদ্রগ্রাম সড়কের সংস্কার কাজের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি। এলজিইডির কার্যালয় থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার চিঠি দিলেও চিঠির কোনো জবাব না দিয়ে ধীরে-ধীরে মনগড়া কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এমন অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, এই সড়ক দিয়ে পাহাড়ি অঞ্চল খ্যাত দিনারপুর পরগণার দেবপাড়া, গজনাইপুর, পানিউমদা ও বাউসা ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক গ্রামের স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণ নবীগঞ্জ শহরের যাতায়াত করে থাকেন। প্রতিদিন ওই সড়ক দিয়ে কয়েক শতাধিক সিএনজি, মিনিবাস, টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে। বিগত কয়েক বছর ধরে সড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে কার্পেটিং উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এর ফলে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে এই ব্যস্ততম সড়ক। উপজেলা সদরে যাওয়ার এই সড়কই একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন এসব এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।

২০১৮ সালের শেষের দিকে সড়কের প্রায় সাড়ে ১০ কিলোমিটার অংশ জুড়ে ৮ কোটি ৫১ লক্ষ টাকার সংস্কার কাজের টেন্ডার হয়। মেসার্স হাসান বিল্ডার্স নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। ওয়ার্ক ওয়ার্ডারের পর গত ৩০ নভেম্বর ২০১৮ থেকে এ সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। কাজের শুরু থেকেই ধীরে ধীরে এ রাস্তার কাজ করে আসছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। কাজ সম্পন্ন করার শেষ তারিখ ছিল ৩০ জুলাই-২০১৯। কাজ শেষ করার তারিখ অতিক্রম হলেও এখন পর্যন্ত কাজ শেষ করতে পারেনি এ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ৮ মাসেও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। কাজ শেষ করার জন্য নবীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির কার্যালয় থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার চিঠি দিলেও চিঠির কোনো জবাব পায়নি এলজিইডি অফিস।
পূজা রানী দেব নামে এক শিক্ষার্থী জানান, রাস্তার কাজ দীর্ঘদিন ধরে চলছে। কিন্তু শেষ হচ্ছে না। এর ফলে সিএনজিতে করে যাতায়াত করতে আমাদের খুব কষ্ট হয়।

বাউসা যুব সংঘের সভাপতি আলী হাছান লিটন নামে এক ভুক্তভোগী জানান, আগের রাস্তার কার্পেটিং তুলে আবার এ রাস্তায় ফেলা হয়েছে, এর ফলে সিএনজিতে করে যাতায়াতকালে অনেক কষ্ট করতে হয়। রাতে শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা করে।
এব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. আবু জাকির সেকেন্দার বলেন, আমরা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চাপ দিচ্ছি যাতে দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করে। আশা করি দ্রুত কাজ সম্পন্ন হবে।