|
এই সংবাদটি পড়েছেন 96 জন

নগরীর ফুটপাতে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, দেখার কেউ নেই

বিশেষ প্রতিনিধিঃ সিলেট নগরীর দীর্ঘদিনের সমস্যা হচ্ছে ফুটপাত। আর ফুটপাত দখল মুক্ত করতে দিনরাত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন সিসিক মেয়র অরিফুল হক চৌধুরী। মেয়র সকল অভিযানে ব্যর্থ হওয়ার পিছনে রয়েছে বন্দরবাজার পুলিশের হাত। কারণ বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামাল ফুটপাত থেকে তাহার অবৈধ টাকা তোলার জন্য কয়েকজন লোক নিয়োগ করেছেন তার মধ্যে একজন হলেন লাহীন। লাহীন আহমদ দীর্ঘদিন থেকে প্রকাশ্যে ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। কিন্তু কেই তার প্রতিবাদ করার সাহস পায় নি। প্রতিবাদ করলেই পড়তে হয় পুলিশী সমস্যায়।

জানা যায়, বিগত সিসিক নির্বাচনের সময় এই লাহীন আহমদ ছিলেন বির্তকিত হকার নেতা রকিবের ক্যাডার। নির্বাচনের দিন রকিবের সাথে প্রকাশ্যে লাটি নিয়ে কোর্ট পয়েন্টে মহড়া লাহীন। এরপর রবিক হকার থেকে বহিস্কার হওয়ার পর লাহীন সহ আরও তিনজনকে দেওয়া হয় ফুটপাত থেকে টাকা তোলার দায়িত্ব। বাকিরা হলেন লোকমান আহমদ, রুমন আহমদ ও ইউসুফ। তারা কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ফুটপাতে চাঁদা করে থাকে।

লাহীনের চাঁদাবাজি সম্পর্কে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলেন, হাকার কারো নিজস্ব সম্পত্তি নয়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোধ-বৃষ্টির মধ্যে ব্যবসা করে পরিবারের মুখে এক মুটো খাবার তোলে দেই। কিন্তু লাহীন যখন আসে টাকা নোয়ার জন্য তখন মনে অনেক কষ্ট লাগে। কারণ সিসিকের অভিযানের মধ্যে অনেক কষ্টের বিনিময় আমরা এই ব্যবসা করি। তার মধ্যে আবার লাহীনদের চাঁদাবাজি।

লাহীনদের দৈনিক অর্ধলক্ষ টাকা আদায় হয় ঠিকই। কিন্তু এই টাকা সরকারের কোন ফান্ডে জমা হয় প্রশ্ন সচেতন মহলের? এই টাকার একমাত্র ফান্ড হচ্ছে নগরীর বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামাল আহমদের ব্যাংক একাউন্টে জমা হয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে লাহিন আহমদের মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে ফোন কেঠে দেন।

নগরীর ফুটপাতে অবৈধ চাঁদা বন্ধে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ও সিসিক মেয়র আরিফুল হকের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন নগরীর সচেতন মহল।