|
এই সংবাদটি পড়েছেন 26 জন

গরমমসলার বাজার,গরমমসলার মতই গরম

দুলন মিয়া জগন্নাথপুর :: রান্নার প্রায় জন্মলগ্ন থেকেই গরম মসলার ব্যবহার হয়ে আসছে। গোলমরিচ, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জায়ফল এবং জিরা সহযোগে বানানো এই মসলার মিশ্রণটি খাবারের স্বাদ যেমন বাড়ায়, তেমনি শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

আর এদিকে আমাদের দেশে স্থায়ী একটা প্রবণতা হয়ে গেছে যেকোনো উপলক্ষে বাজারে পণ্যের দাম বাড়বে। তবে উৎসবভেদে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের দাম আর সবকিছুকে ছাড়িয়ে যায়। পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে গরম হয়ে উঠেছে গরম মশলার বাজার।

মসলা ভেদে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৫ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। এনিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায, প্রতিকেজি এলাচ ১৮৫০ টাকা থেকে ২৪০০ টাকায়।

অথচ এক সপ্তাহে আগেও প্রতিকেজি এলাচ ১৫৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি দরে যা গত সপ্তাহে ছিল ২০০ টাকা। জিরা ৪০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়।

গতসপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩০০ টাকায়। আদা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায় যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ টাকা থেকে ১১০ টাকা। পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ৫টাকা বাড়লেও রসুন এ বেড়েছে ৩০টাকা।

ক্রেতারা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি মসলার দাম বেড়ে গেছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এখন থেকেই বিক্রেতারা দাম বাড়াচ্ছেন। এই দাম ঈদের পরেও থাকবে।

ক্রেতারা আরও বলেন, দাম বাড়লেও কিছু করার নেই। গরম মসলা ছাড়া তো কোরবানির মাংস খাওয়া যাবে না। তাই দাম দিয়ে মসলা কিনতে হচ্ছে।

দাম বাড়ার কারন চানতে চাইলে বিক্রেতারা বলেন, পাইকারি বাজারে মসলার দাম বেড়েছে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। আমরা বেশি দামে এনেছি তাই বেশি দামে বিক্রি করছি।

অনেক বিক্রেতারা আবার বলছেন জগন্নাথপুর-সিলেটের রাস্তা ভাঙ্গা থাকায় মাল আনতে যাতায়াত বাড়া বেশি দিতে হচ্ছে। তাই মালের দাম একটু বেশি। জগন্নাথপুর বাজারের হাবিব স্টোর এর ম্যানেজার বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন ঈদে পণ্যের দাম বাড়ে নি বরং কমেছে।