|
এই সংবাদটি পড়েছেন 80 জন

২৪ ঘন্টা পানি ঝরছে সিসিক মেয়র আরিফুল হকের পরিত্যাক্ত জমিতে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ সিলেট নগরির ১৮ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত রায়নগর সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)অফিসের বিপরীত পাশেঁ ও বর্জনাথ নামক টিলায় অবস্থিত অনাবাসিক এবং পরিত্যাক্ত স্থানে একটি টিউবওয়েল ও পানির লাইন দিয়ে দিনরাত ২৪ ঘন্টা অযথা বৃষ্টির মত পানি ঝরছে বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।এলাকাবাসীর সংঙ্গে কথা বলে জানা যায় অভিযোক্ত ঐ পরিত্যাক্ত জমি সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর।গত বছর ঐ স্থানে বিল্ডিং নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। বিগত কয়েক মাস যাবৎ বিল্ডিংয়ের কাজ বন্ধ হওয়ায় পর থেকে দিনরাত ২৪ ঘন্টা অবিরত পানি পড়ছে এখানে।অতিরিক্ত পানির কারণে এখানে তিনটি গর্ত পানি ভরপুর হয়ে থাকে প্রায়ই।অথচ দীর্ঘদিন যাবৎ ১৮নং ওয়ার্ডে রয়েছে পানির সমস্যা।কিন্তু পরিত্যাক্ত ঐ স্থানে অঝথা পানি পড়লেও নেই সংশ্রিষ্ট কারো মাথাব্যথা।সুমন নামের এক ব্যাক্তি বলেন,শুনেছি ঐ অনাবাসিক জমি সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর।তিনি গত বছর এ জমিতে বিল্ডিং নির্মাণের কিছু কাজ করেছিলেন।নির্মাণের কাজ বন্ধ হওয়ার পর থেকে দিনরাত পানি পড়ছে।কিন্তু এ বিষয়ে কেউ কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেছে কিনা তা আমার জানা নেই।গ্রীন বেঙ্গল নামের স্কুলের শিক্ষার্থীর এক অভিভাবক জানান,পরিত্যাক্ত ঐ জমিতে পানি জমে আছে এ বিষয়ে আমরা সংকিত।কেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন,দেশে যে হারে ডেঙ্গুর বিস্তার বৃদ্ধি পাচ্ছে এজন্য।জমে থাকা পানিতে এসিড মশার জন্ম হয়।প্রচণ্ড গরমের কারণে স্কুলের ও আশে পাঁশের ছেলে মেয়েরা প্রায়ই এখানে হাত পা ধুয়ে থাকে।

প্রসঙ্গত,পানি সিলেট নগরীর অন্যতম এক সমস্যা।সময়ের সংঙ্গে পরিবর্তন তো দূরের কথা বরং দিনদিন বেড়েই চলছে পানির সংকট।এদিকে পানি সংকটের কারণে নগরীর বিভিন্ন একালায় সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিনিয়তই মনববন্ধনের।পানি সংকট নিয়ে ২০১৯ সালে সিসিক মেয়র আরিফুল হকের এক বক্তব্য উটে এসেছে, নগরীতে বৈধ গ্রাহকের চেয়ে অবৈধ গ্রাহের সংখ্যা দ্বিগুণের চেয়েও বেশি। কোনভাবে তা দমন করা যাচ্ছে না। তবে, তা কঠোর হাতে দমনসহ নগরবাসীকে শতভাগ পানি সরবরাহে সিটি করপোরেশন কাজ করছে।অথচ ওনার পরিত্যাক্ত জমিতে দিনরাত ২৪ ঘন্টা বৃষ্টির মত ঝরছে পানি।
এদিকে অবিরত পানি পড়ার কারণে ঐ জমিতে দুটি ছোট ও একটি বড় গর্ত পানিতে ভরপুর।
পাশেঁ রয়েছে দুটি স্বনামধন্য প্রাইভেট স্কুল।জমে থাকা পানি কারণে স্কুল কৃর্তপক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।কারণ জমে থাকা পানি থেকে ডেঙ্গুর বিস্তার বেশি।
এ বিষয়ে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি। তবেঁ, মেয়রের পরিত্যাক্ত জমিতে অঝথা পানি পড়া বন্ধ ও গর্ত পরিষ্করণের সিসিকের প্রদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।