|
এই সংবাদটি পড়েছেন 22 জন

ওসমানী মেডিকেলে ১০ জন ঢেঙ্গু রোগীর জন্য ৪০০ নার্সকে জরুরী অবস্থায় রাখা হয়েছে

মন্তব্য প্রতিবেদকঃ সিলেট ওসমানী মেডিকেলে ১০ জন ঢেঙ্গু রোগীর জন্য ৪০০ নার্সকে জরুরী অবস্থায় রাখা হয়েছে । বিগত এক সপ্তাহের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গড়ে ৫ জন ঢেঙ্গু রোগী হাসপাতালে নতুন ভর্তি হলে পুরাতন ৪ জন ঢেঙ্গু রোগী ডিসচার্জ হয়। এ পর্যন্ত কোন রোগী মারা যায় নাই। এখানে হঠাৎ করে রোগী বৃদ্ধি পাবে এমন সঙ্খাও আর নেই। ঢাকা মেডিকেলের মত অবস্থা এখানে হয় নাই। অর্থাৎ ওসমানী মেডিকেলে ঢেঙ্গু পরিস্থিতি মোটামেটি স্বাভাবিক বলা যায়।

হাসপাতালে ঢেঙ্গু রোগীদের জন্য ২ টি পুরুষ কর্নার ও ১ টি মহিলা কর্নার খোলা হয়েছে। এ তিন টি কর্ণারে প্রতিদিন ঢেঙ্গু রোগীদেরে চিকিৎসা দেয়া হয়। প্রতিটি কর্ণারে গড়ে প্রতিদিন ৩/৪ জন রোগী থাকে। প্রতিটি কর্নারের জন্য ২/৩ জন নার্স নিদৃষ্ট করে ডিউটি দেয়া হয়। এ অবস্থায় নার্সদেরকে আসন্ন ঈদের জন্য বাড়তি ছুটি না দিলেও অন্তত: ঈদেরে জন্য নির্ধারিত ৩ দিনের ছুটি কর্তৃপক্ষ দিতে পারে। এখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্ঠান নার্স আছে প্রায় ২ শতাধিকের মত। তাছাড়া ঈদের জন্য এখন থেকেই হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। তাছাড়া দূরদূড়ান্তে যাদের বাড়ি, তাড়া আর ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাতে পারছে না । এদের সংখ্যাও শতাধিক হবে। এমতাবস্থায় যাদের বাড়ি কাছাকাছি, যারা বাড়ি গিয়ে কুরবানী দেবে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্তত: ঈদের ৩ দিনের নিদৃষ্ঠ ছুটি দেয়া যেতে পারে। ঢাকা মেডিকেলে এত কঠিন অবস্থায়ও ঈদের জন্য সব মুসলিম নার্সকে ২ দিন ছুটি প্রদান করেছেন।

এটা কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা এখতিয়ারের সাধ্যের মধ্যেই আছে। আমাদের বিশ্বাস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে। মনে রাখবেন কুরবানী একটা গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটাকে ছোট বা খাটো করে দেখার কোন সুযোগ নাই।