|
এই সংবাদটি পড়েছেন 21 জন

জগন্নাথপুরে পশুর হাটের আবর্জনা, এডিস মশার প্রজনন !

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:: পুরো দেশেই এখন ডেঙ্গু জ¦র নিয়ে আতঙ্ক। এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বেড়েই চলছে। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাটের আবর্জনা থেকেও জন্ম নিতে পারি এডিস মশা, হতে পারে ডেঙ্গু জ¦র। এমন আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয়দের মধ্যে।

ঈদুল আজহা সামনে রেখে উপজেলা সদরে, রানীগঞ্জ বাজার ও রসুলগঞ্জ বাজার ছাড়া আরও ১১টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাট গুলোতে গরু-ছাগল থাকায় ময়লা-আবর্জনা, গোবর ও গো-খাদ্যের স্ত’প জমে রয়েছে। এসব ময়লা আবর্জনা পরিস্কার না করায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে আশপাশের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ছে। যার ফলে স্থানীয়দের বিভিন্ন ধরনের বিঘœতার শিকার হতে হচ্ছে।

এদিকে আবার স্থানীয়রা মনে করছেন এসব ময়লা-আবর্জনায় জমে থাকা পানিতে এডিস মশা প্রজনন ক্ষেত্র হতে পারে এখান থেকে বংশ বিস্তার করতে পারে। যা থেকে হতে পারে ডেঙ্গু জ¦র। বুধবার জগন্নাথপুরে পৌর শহরে পশুর হাট বসানোর কারনে পৌর শহরের প্রধান সড়কে ময়লা-আবর্জনা, গোবর ও গো-খাদ্যের স্ত’প জমে আছে। যা থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানান জগন্নাথপুর বাজার ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও ও বৃহস্পতিবারে রানীগঞ্জ বাজারে ময়লা-আবর্জনা, গোবর ও গো-খাদ্যের জমা পানিতে গরু হাটের রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, গরুর হাটে প্রচুর আবর্জনা থাকে। বিভিন্ন স্থানে ময়লা পানিও জমে আছে। আবর্জনা ও ময়লা পানি থেকেই তো মশা-মাছি জন্ম নেয়। আর বর্তমানে যে ভাবে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে, যদি এসব ময়লা আবর্জনা দ্রুত পবিস্কার না করা হয় তাহলে ডেঙ্গু হতে পারে। ব্যবসায়ীরা আরো জানান, দোকানের সামনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় ক্রেতারা আসতে পারছেন না। এতে আমাদের ব্যবসার অনেক ক্ষতি হচ্ছে।

এব্যাপারে জানতে জগন্নাথপুর পশুর হাটের ইজারাদার আনিছ আলী (বাবুর্চি) সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আগামী রবিবার শেষ পশুর হাট। তারপরই এক সাথে সব ময়লা পরিস্কার করে দেওয়া হবে। রানীগঞ্জ পশুর হাটের ইজারাদার ও সংশিষ্ট সবাইকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনে পাওয়া যায়নি।