Mon. Dec 16th, 2019

কুলাউড়ার ইউপি চেয়ারম্যান মমদুদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা!

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নৌকা প্রতিকে নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মমদুদ হোসেনের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল।

শনিবার (৯ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এমন অভিযোগ করেছেন তিনি। তিনি দাবি করেন, একটি কুচক্রিমহল তাঁর এবং সরকারের উন্নয়নকে ব্যাহত করতে এমন নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

লিখিত অভিযোগ ও বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তাঁর রাজনৈতিক সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রিমহল তাঁকে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় একটি জাতীয় পত্রিকাসহ দুটি নিবন্ধনবিহীন অনলাইন পোর্টালে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং আমার আত্মপক্ষ সমর্থন ছাড়া সংবাদ পরিবেশনা করা হয়েছে।

মমদুদ বলেন, পারিবারিক সূত্রে আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। মূলত ১৯৮৭ সালে ছাত্রজীবনে কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজে পড়াকালীন তৎকালীন সাবেক ভিপি ও ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মোক্তাদির তোফায়েলের হাত ধরে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে প্রবেশ করি। ওই সময় ছাত্রলীগের তোফায়েল-মতিন পরিষদের পক্ষে আমি প্রচারণায় অংশ নেই। আমার পরিবারের সিংহভাগ সদস্য আওয়ামী ঘরানার বিভিন্ন ইউনিটে পদধারী নেতা। ছাত্রজীবন শেষ করে ১৯৯৭ সালের তৎকালীন ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের একজন সদস্য মনোনীত হই। ২০০৪ সালে বিএনপি ও জামায়াতের শাসনামলে আমি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হই। সর্বশেষ ২০১৭ সালে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলনে আমাকে সাধারণ সম্পাদক পদ দিতে চাইলে আমি উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতি করার কারনে ইউনিয়নের সদস্য পদ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকি।

তিনি বলেন, বিগত ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে দলীয় সভানেত্রী যাচাই বাচাই করে আমাকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করার সুযোগ দেন। এবং আমি বিজয়ী হই। ওই সময় নৌকা প্রতীক চেয়ে ব্যর্থ আমার এক প্রতিদ্বন্দ্বি নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হোন। এরপর থেকেই নানা সময় সুযোগ বুঝে ওই প্রতিদ্বন্দ্বিসহ বিএনপি ও জামায়াতের কতিপয় নেতা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে।

তিনি বলেন, ‘এঁদের সাথে যোগ দেন আমি যে কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছি সেই কলেজের বহিষ্কৃত মোতাহের হোসেন নামে এক ব্যক্তি। কলেজের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নানা অনিয়মের অভিযোগে কলেজের অধ্যক্ষ ও সভাপতি উনাকে বহিষ্কার করেন। সঙ্গত কারনে আমি কমিটির সাথে একাত্মতা পোষণ করি। এরপর থেকে ওই ব্যক্তি নানাভাবে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উনার সাথে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল মুহিত খান, সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মধু ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলী।