Fri. Dec 13th, 2019

সিলেট জেলা আ.লীগের সভাপতি হিসেবে এডভোকেট রুহুল আনাম চৌধুরী কে দেখতে চায়

ডেইলি বিডি নিউজঃ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের ৫ তারিখের সম্মেলনে জেলা কমিটির সভাপতি হিসাবে তৃনমুলের কর্মীগন এডভোকেট রুহুল আনাম চৌধুরী মিন্টু কে দেখতে চায়। কারন তিনি স্কুল জীবন থেকে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলে এ পর্যন্ত এসেছেন। ১৯৮৪ সালে তিনি মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ১৯৮৭ সনে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সহ- সভাপতি, অতপর জেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য হিসাবে রাজপথে ছিলেন। তিনি ২০০১ সনে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক, ২০০৬ সনে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ২২২ জন আইনজীবীসহ ঢাকায় গিয়ে মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান। পুনরায় ২০০৭ সনে ২ য় বারের মত সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ঐ দুই বৎসর কেয়ার টেকার সরকার আমলে সিটি মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানসহ দলীয় নেতাদের বিরোদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা পরিচালনা করেন এবং একারনে ঐ সময়ের সরকারের পক্ক থেকে অনেক হুমকী শুনতে হয়েছে কিন্তু এডভোকেট মিন্টু কোন ভয় না করেই সংগঠনের নেতাদের পক্কে আইনী লড়াই করে যান। ২০১৪ সালে তিনি সিলেট জেলা বারের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ঝান্ডা আইনজীবী মহলে ধরে রাখেন। গত বছর কেন্দ্রীয় আইনজীবী নেতৃবৃন্দের অনুরুধে মাননীয় নেত্রীর মনোনয়ন নিয়ে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে বি এন পি এর প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। এবং হারানো আসনটি ফিরিয়ে আনেন। তিনি কোনদিন চাদাবাজি, টেন্ডারবাজী, তদবিরবাজি করেন নাই। উকালতির আয়ের টাকা দিয়ে সংগঠনের কাজ করেন। গত ইউ পি নির্বাচনে, বিয়ানীবাজার পৌরসভা, গোলাপগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার পক্কে কাজ করেন। সিলেট সিটি করর্পোরেশন নির্বাচনে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান সাহেবের ও সংসদ নির্বাচনে মাননীয় নেত্রীর মনোনিত প্রার্থী ড এ কে আব্দুল মোমেন সাহেবের পক্কে আইনজীবীগনকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনা করেন। একজন ভালো আইনজীবী হিসাবে সিলেট জেলার প্রতিটি এলাকার মানুষের কাছে জনপ্রিয়। সিলেটের ছাত্রলীগের বিনাপয়সার উকিল হিসাবেও তিনি পরিচিত। মাননীয় নেত্রী যদি বার কাউন্সিল এর বর্তমান সদস্য এডভোকেট রুহুল আনাম চৌধুরী মিন্টু সাহেবকে সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়ীত্ত দেন তাহলে সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ হবে শক্তিশালী। এবং কোন গ্রুপিং থাকবে না। এটা চলবে শুধু জননেত্রী শেখ হাসিনার আদেশে। সংগঠনের সাধারন কর্মীরা উপকৃত হবে। জননেত্রীর হাত শক্তিশালী হবে ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।