Wed. Jan 22nd, 2020

রিমেম্বার দ্যা নেইমঃ “শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল”

নাঈম চৌধুরীঃ তৃণমূল থেকে বেড়ে উঠা এক অকুতোভয় মুজিব সৈনিক, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সফল সাবেক সভাপতি, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সদ্য সাবেক সফল সাংগঠনিক সম্পাদক হাজারো লাখো ছাত্রলীগ কর্মীর হৃদয়ের স্পন্দন, হাজারো নেতা গড়ার কারিগর শফিউল‌ আলম চৌধুরী নাদেল।

আওয়ামী লীগের দুর্দিনে বুক চেতিয়ে সমানে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সহেছেন হাজারো ব‍্যঞ্জনা আর জেল জুলুম। ভয়ডরহীন এই কাজ পাগল মানুষ ছাত্রজীবন থেকে যখনি যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পালন করছেন দৃঢ় নিষ্ঠার সাথে, যে ক্ষেত্রেই কাজ করেছেন সেখানেই সফল হয়েছেন, হোক না সেটা রাজনীতির রাজপথ অথবা খেলার মাঠ।

শফিউল‌ আলম চৌধুরী নাদেল ভাইয়ের ব্যক্তিত্বের মধ্যে মুগ্ধ করার মতো জাদুকরী সম্মোহন আছে কিন্তু কাছে না গেলে টের পাওয়া যায় না। উনার ব্যক্তিত্বের দুর্নিবার আকর্ষণ এড়ানো দুঃসাধ্য; উনার সাথে কথা না বললে উনার বাকবৈদগ্ধ ও জ্ঞানের বহর পরিমাপ করা যায় না, উনার কণ্ঠ গম্ভীর, ভারি, ওজনদার এবং ডম্বরুর ন্যায় আওয়াজ করে, গমগম করে। আলীয়া মাদ্রাসার মাঠে মহাসাগরের জলকল্লোলের ন্যায় তাঁর কণ্ঠ থেকে উৎসারিত শব্দবোমা পাশের বিল্ডিংয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে মাঠের মধ্যে প্রত্যাগত প্রতিধ্বনি দর্শক-শ্রোতার দেহমনে যেন আগুন ধরিয়ে দিতে পারে।

আজ হয়তো উনার সফলতা ও জনপ্রিয়তা দেখে কতিপয় দূর্নীতিগ্রস্ত নীতিভ্রষ্ট লোক ঈর্ষাকাতর হয়ে ষড়যন্ত্র করে কুৎসা রটনা করে উনাকে দমিয়ে রাখার অপপ্রয়াসে ক্ষনিকের জন্য সফলতা পেয়েছে।

আমি আপনি আমরা সবাই জানি ওরা নিজেদের কুমতলব হাসিল‍ জন‍্যেই নাদেল ভাইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। নাদেল ভাই দায়িত্ব থাকলে দূর্নীতিবাজদের অসুবিধা হয় হিংসা হয়। তার সমসাময়িকরা যখন স্থানীয় কোন্দল নিয়ে ব‍্যস্ত , শফিউল আলম চৌধুরী সেখানে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ভাবে প্রশংসিত। আর ঠিক সেখানেই নিন্দুক এবং দূর্নীতিবাজ ষড়যন্ত্রকারীদের জ্বালা।

আর তাই তারা নাদেল ভাইয়ের সফলতা সহ‍্য করতে না পেরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়ে অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়ে উনার চলার পথকে দুর্গম করার চেস্টা চালিয়েছে কিন্তু সেটা সেটা যে ক্ষনিকের তা অচিরেই প্রমাণিত হবে।

নাদেল ভাইয়ের উত্থান মসৃণ ছিলো না। খুব বিসর্পিল পথ বেয়ে, অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতি ও প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়াই করে তাঁকে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হতে হয়েছে। প্রথম প্রথম তাঁর টিকে থাকাও কঠিন মনে হয়েছিলো। অন্য কেউ হলে হাল ছেড়ে দিতো। কিন্তু মানুষটার নাম শফিউল‌ আলম চৌধুরী নাদেল বলে কথা, যিনি প্রকৃত হারার আগে হারতে জানতেন না, যাঁর অভিধানে অসম্ভব বলে কোন শব্দ ছিলো না। শত ঝঞ্ঝাটেও লক্ষ বাস্তবায়নে তিনি অবিচল। ফলে বিরুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি নিজের জন্য একটি আলাদা অবস্থান তৈরি করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।

ইন-শা-আল্লাহ, শফিউল‌ আলম চৌধুরী নাদেল আবারো প্রদীপ্ত সূর্যের ন্যায় জ্বলে উঠবেন। তিনি যেন এক সুপ্ত আগ্নেয়গিরির ন্যায়, মাঝে মাঝে তার অগ্নি উদগীরণ হয়, তখন তপ্ত লাভার স্রােত নির্গত হয়ে চারপাশটা ভাসিয়ে নিয়ে যায় বিপ্লবের আগুনে।

এককালের তুখোড় ছাত্রনেতা ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল শুধু একজন নেতা নন, তিনি বটবৃক্ষের ন্যায় একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। হাজার হাজার কর্মীর হৃদয়ে সম্মানে ভালোবাসায় স্থান করে নেওয়া একটি নাম। ৩৬০ আউলিয়ার পূন্যভূমি সিলেটের রাজনীতির ইতিহাস যারা জানেন তারা সকলেই অবগত আছেন রাজনীতির মাঠে উনার কৃতিত্ব সম্পর্কে৷

ইতিহাস সাক্ষী ষড়যন্ত্রকারীরা কখন‌ই সত্যের বিরুদ্ধে সফল হয়নি। সময়ই সব ষড়যন্ত্রকারীদের সমুচিত জবাব দিবে। ক্ষণজন্মা “শফিউল আলম নাদেলরা” ছিঁচকে ষড়যন্ত্রে থেমে থাকেনা বরং আরো বিপুল পরিক্রমার সাথে এগিয়ে যায়।