Wed. Dec 2nd, 2020

নবীগঞ্জে শীত যত ঘনিয়ে আসছে ভীড় বাড়ছে পুরাতন কাপড়ের দোকানে

আলী হাছান লিটনঃ শীত পড়তে শুরু করেছে, ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে সবুজ প্রকৃতি। বাড়ছে বাতাসের আর্দ্রতা আর হিমেল ঠান্ডা পরশ শীতের তীব্রতাকে বাড়িয়েছে দিয়েছে তা বলার অপেক্ষাই রাখে না। সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে শুরু হয় কুয়াশা। ধীরে ধীরে ঢেকে ফেলে সবুজ প্রকৃতি। শীতের কবল থেকে শরীরকে একটু স্বস্তি দিতে সকলেরই গরম কাপড়ের প্রয়োজন। নবীগঞ্জে শীত যত ঘনিয়ে আসছে ভীড় বাড়ছে পুরাতন কাপড়ের দোকানে। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতার নিজেদের সাধ আর সামর্থ্যের মধ্যে শীতের কাপড় কিনতে পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভীড় করছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের কাপড়-চোপড় কেনার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। নবীগঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্টে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে কেনা-বেচা। এসব দোকানে সুলভ মুল্যে বিদেশি পুরাতন শীতের কাপড় পেয়ে খুশি ক্রেতারা। অন্যদিকে স্বল্প পুঁজিতে অধিক লাভে ও হাসি ফুটছে বিক্রেতাদের মুখে। সরেজমিনে দেখা যায়, শীত উপলক্ষে নবীগঞ্জ পৌর শহরের নতুন বাজার, মধ্য বাজার, ওসমানী রোড, শেরপুর রোডের হকার মার্কেট সহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার গুলোতে বসছে পুরানো কাপড় বেচার এসব ভ্রাম্যমাণ দোকান। যেখানে রীতিমত ভিড় করছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ। পুরাতন কাপড় বিক্রেতা পৌর এলাকার রাজাবাদ গ্রামের আব্দুল মালিক বলেন এ বছর আগের থেকে শীত পড়ায় শীতের পোশাক বিক্রি বেশি হচ্ছে। এতে করে আমাদেরও মোটামুটি ভালো লাভ হচ্ছে। এই ব্যবসা আমরা শুধু শীতের সময়েই করি। বছরের বাকি দিনগুলো আমরা অন্য কাজ করি। ক্রেতা নুনু মিয়া, সুবান মিয়া মোর্শাহিদ মিয়া ও আয়শা বেগম বলেন, পুরাতন কাপড়ের দোকান গুলোতে বিদেশী পুরাতন শীতের কাপড় সাধ্যের ভিতরে পাওয়া যায়। বিদেশি জেকেট, চাদর, সুইটার, কম্বলসহ চাহিদা অনুযায়ী কম দামে ভালো জিনিস পাওয়া যায়। তাই সাধ্যের মধ্যে এখান থেকেই ভালো কিছু কেনার চেষ্টা করছি।