Sat. Jul 4th, 2020

ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার গ্রহণ করলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ সিলেট কে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ডিজিটাল বিভাগ হিসেবে রূপান্তর করায় ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার পেয়েছেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ। আজ বুধবার সকালে রাজধানী বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে তৃতীয় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান পিএএর । জানাযায়,দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শ্রেষ্ঠ বিভাগ হিসেবে মনোনীত হয় সিলেট বিভাগ। উল্লেখ্য,তথ্য প্রযুক্তিতে নতুন বিপ্লব সৃষ্টির কারনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য বিভাগীয় কমিশনার সিলেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পিএএ ইতিপূর্বে মোট তিনবার প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। এরমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা এবং আমার বাড়ী আমার খামার প্রকল্পে বিশেষ অবদানের জন্য শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক হিসেবে দুইবার এবং ডিজিটাল যশোর জেলা বিনির্মাণের স্বীকৃতিস্বরূপ জনপ্রশাসন পদক গ্রহণ করেন। মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পিএএ ১৯৬৪ সালে খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এবং ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস-এর প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। তিনি বিসিএস ১০ম ব্যাচের কর্মকর্তা এবং সরকারের অতিরিক্ত সচিব। তিনি সহকারী কমিশনার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১১ সালে তিনি যশোরের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি যশোরকে ডিজিটাল জেলা হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং তাঁর নেতৃত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোর জেলাকে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি ই-এশিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১১, শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক পুরস্কার ২০১২ (মাঠ পর্যায়ে ই-সেবা বাস্তবায়নের স্বীকৃতি হিসেবে), শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক পুরস্কার ২০১৩ (আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে) পুরস্কার লাভ করেন। ডিজিটাল যশোর গড়ায় তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে জনপ্রশাসন পদক ২০১৬ প্রদান করা হয়। তিনি গত ৬ জুলাই বিভাগীয় কমিশনার সিলেট বিভাগ হিসেবে যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি আইসিটি ডিভিশনের এটুআই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ব্যক্তি জীবনে দু’টি সন্তানের জনক।