Tue. Oct 27th, 2020

একনেকে ২৩ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্পের অনুমোদন

ডেইলি বিডি নিউজঃ কারিগরি শিক্ষা উন্নয়নসহ ৮ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এগুলো বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২২ হাজার ৯৪৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, কারিগরি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। শিক্ষকের অভাব আছে। প্রয়োজন হলে ট্রেনিংয়ের জন্য শিক্ষকদের বিদেশ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিল্ডিং তৈরির পাশাপাশি লোকবল, যন্ত্রপাতি, চেয়ার টেবিল সবকিছুই প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পরিকল্পনা মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা নতুন কোনো সড়ক নির্মাণ করছি না। পুরাতন সড়কগুলো সংস্কার, সম্প্রসারণ এবং শক্তিশালী করা হবে। এছাড়া শিল্পপার্কে বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্ক প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৯১ কোটি ১১ লাখ টাকা; এসআরডিআই’র ভবন নির্মাণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৪৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা, জামালপুরের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নার্সিং কলেজ স্থাপন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৩৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এছাড়া কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৫২৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর এলাকার নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩৯৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা, বেতগ্রাম–তালা-পাইকগাছা-কয়রা সড়ক যথাযথ মানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩৩৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, লক্ষ্মীপুর শহর সংযোগ সড়ক ও লক্ষ্মীপুর–চরআলেকজান্ডার-সোনাপুর-মাইজদী সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩৬৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৮৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম এবং কৃষি ও পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য জাকির হোসেন আকন্দ।