Wed. Feb 19th, 2020

বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে সিলেটের দুটি ট্রেনে নতুন কোচের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেইলি বিডি নিউজঃ সিলেট-চট্রগ্রামের ট্রেনে বহুল প্রতীক্ষিত নতুন কোচের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ ররিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্স-এর মাধ্যমে বাঁশিতে ফু দিয়ে ও পতাকা উড়িয়ে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে উদয়ন ও পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনে নতুন কোচ সংযোগ কার্যক্রমের উদ্বোধন করায় সিলেটের মানুষের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে এসেছে। পুরনো কোচ বদলে পাহাড়িকায় ১৪টি এবং উদয়নে ১৩টি নতুন কোচ সংযোজন করা হয়।

ঢাকা থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কার্যক্রমের উদ্বোধনের সময় সিলেট রেল ষ্টেশনেও এক অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কলের মাধ্যমে উদ্বোধনের সময় সিলেটে পুরো চিত্র বড় পর্দায় দেখানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রেলের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান, সিলেট ৩ আসনের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলামসহ সিলেটের রাজনৈতিক ও রেলের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।

রেল সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে পাহাড়িকা এবং ১৯৯৮ সালে উদয়ন ট্রেন চালু হয়েছিল। এই ট্রেনগুলো দীর্ঘ বছর ধরেই নতুন রুপে পরির্বতন হয়নি। ট্রেন যাত্রীদের দীর্ঘদিনের কষ্টের যাত্রা এবার পুরাতন ট্রেন ছেড়ে নতুন ট্রেনেই চলাচল করবেন সাধারণ যাত্রীরা। নতুন ট্রেন দেয়ার জন্য দীর্ঘদিনের দাবিও পুরণ হচ্ছে চট্টগ্রাম-সিলেটবাসীর। লাল-সবুজের মোড়লে নতুন সাজে সাজছে রেলপথে চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে যোগাযোগের একমাত্র পরিচিত মাধ্যম পাহাড়িকা-উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি।

নতুন এই দুটি ট্রেনেই ভ্রমন করবেন ২ হাজার ৪৪৪ জন (যাওয়া-আসা)। প্রতিটি ট্রেনেই রয়েছে এসি-২টি, এসি স্লিপার-২টি, নন এসি-৭টি, পাওয়ার কার গার্ড রুমসহ নানাবিধ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। এই নতুন কোচ সংযোজনের কারণে ইতিমধ্যে অনেক যাত্রীর ট্রেন ভ্রমনের আস্থা বাড়ছে বলে রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অন্য উন্নয়ন কাজের সঙ্গে ঢালারচর-পাবনা-রাজশাহী রুটে ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস ও ফরিদপুর রুটে ‘রাজবাড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট বর্ধিতকরণ এবং চট্টগ্রাম-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে উদয়ন ও পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনে নতুন কোচ সংযোগ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরনো কোচ বদলে পাহাড়িকায় ১৪টি এবং উদয়নে ১৩টি নতুন কোচ সংযোজন করা হয়।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দুটি বগিতে মোট ১১০টি আসন রয়েছে। প্রতিটি আসনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮৬ টাকা। আটটি শোভন চেয়ার বগিতে মোট ৫১০টি আসন রয়েছে। এর প্রতিটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা করে।