Thu. Feb 27th, 2020

একনেকে ৯ প্রকল্প অনুমোদন

ডেইলি বিডি নিউজঃ দেশের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন এবং বিসিক প্লাস্টিক শিল্পনগরী প্রকল্পসহ নয় প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৪২২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এরমধ্যে সরকারি তহবিল থেকে খরচ হবে ২ হাজার ১০৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে খরচ হবে ৩১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। একনেক সভা শেষে প্রকল্পগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল আমিন।

তিনি জানান, গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ৫জি সেবাপ্রদানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হলে সম্ভাবতা যাচাইয়ের জন্য সেটি আবার ফেরত দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন টেলিটকের দায়িত্ব বাড়াতে হবে। প্রকল্পটি তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাই করে তারপর একনেকে উপস্থাপন করতে হবে।

সচিব আরও জানান, নদী ড্রেজিংয়ের ক্ষেত্রে ভালোভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একনেক সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা ও জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস স্টোর স্থাপন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৫৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। বানেশ্বর- সারদা-চারঘাট-বাঘা-লালপুর-ঈশ্বরদী জেলা মহাসড়ককে আঞ্চলিক মহাসড়কমানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৫৫৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২১৭ কোটি টাকা। হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের সামনে কুশিয়ারা নদীর উভয় তীরের প্রতিরক্ষা প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৫৭৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। তেজগাঁওএ বিসিকের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। বিসিক প্লাস্টিক শিল্পনগরী প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৬৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বিসিকের ৮টি শিল্পনগরি মেরামত ও পুন:নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩০৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৪৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা।