Sun. Mar 29th, 2020

বঙ্গবন্ধুর শান্তির বাণী ছড়াচ্ছেন জুনায়েত হুসাইন টিপু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ: সকাল ১০ টা। আনন্দমোহন কলেজে ঢুকতেই দেখা গেল মূল ফটকে জটলা। এই প্রতিবেদক জটলার কারণ খুঁজতে গিয়ে সামনে এগিয়ে গেলে স্পষ্ট হয়ে যায় সবকিছু। এক মা তার সন্তানের জন্য রক্ত খুঁজতে এসেছেন কলেজে। রোগীর স্বজনের সব কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে ছুটতে শুরু করলেন এ ডিপার্টমেন্ট থেকে সে ডিপার্টমেন্ট খুঁজতে থাকলেন রক্ত। অবশেষে ২ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় রক্ত সংগ্রহ করে দিলেন রোগীর স্বজনকে। এতোক্ষণ যার কথা বলছি সে হলো আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক জুনায়েত হোসাইন টিপু। কিছু কিছু মানুষ পৃথীবিতে আসেন নিজে আলোকিত হতে আবার কিছু কিছু মানুষ শুধু নিজে আলোকিতই হন না, আলোকিত করেন চারপাশের পরিবেশকেও। টিপু তাদেরই একজন।

ছাত্রলীগের এই নেতা ১৯৯১ সালের মার্চের ১৩ তারিখ ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার কাদিরপুর গ্রামে সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিকভাবেই আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত বলে জানা যায়। ২০১১ সালে তিনি ভর্তি হন ময়মনসিংহের অক্সফোর্ড খ্যাত আনন্দমোহন কলেজে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ময়মনসিংহের সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটুর হাত ধরে যোগ দেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগে।

জুনায়েদ হুসাইন টিপুর বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র রাজু জানান, টিপু ভাই প্রতিদিন সকালে কলেজে এসে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট ঘুরে ঘুরে দেখেন কোথায় কি সমস্যা,তা সমাধানের চেষ্টা করেন। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট স্যার কে অবগত করেন।
একই বিভাগের আরেক ছাত্র তরিকুল টিপুকে জননেত্রীর আদর্শিক ও মানবিক ছাত্রলীগ নেতা উল্লেখ করে বলেন, এমনও সময় হয়েছে টিপু ভাই নিজের পকেটের টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করিয়েছেন।

ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী কামরুল টিপুর সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন,টিপু ভাই প্রায়ই সেমিনারে এসে খোঁজ নেন বই আছে কিনা,ক্লাস হচ্ছে কিনা,শিক্ষার্থী উপস্থিতির দিকেও লক্ষ্য রাখেন তিনি। কামরুল আরো বলেন, টিপু ভাই অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণও দিয়ে থাকেন।
প্রতিবেদকের সাথে একান্ত আলাপচারীতায় টিপু জানান,বুকে দেশপ্রেম আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থাকলে কোনো ভালো কাজই আটকে থাকে না। জননেত্রী মমতাময়ী মা জাতির পিতার যোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশকে একটি উন্নয়নের মডেল করছেন আমাদেরও উচিৎ স্ব স্ব স্থান থেকে কাজ করে তাঁকে সহায়তা করা। আমার আজীবন লালিত স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুর সত্যিকার সোনার বাংলা ও জননেত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে তা দেখে যাওয়া। এজন্য ক্ষুদ্র পরিসরে কাজ করে যাচ্ছি আমি।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে বাঁচতে চাই আজীবন।