Sat. Sep 19th, 2020

সিলেটবাসীর প্রিয় মানুষ পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন

ফারহানা বেগম হেনাঃ সিলেটের জনপ্রিয় পুলিশ সুপার জনাব ফরিদ উদ্দীন আহমদ একটি সাহসী ও মেহনতি সম্মুখযোদ্ধা সৈনিকের নাম। যিনি সিলেটে পুলিশকে নিয়ে সৃস্টি করছেন ইতিহাসের নতুন অধ্যায়। আশার প্রদীপ জ্বেলে দিয়েছেন জনতার মনে। ভালোবাসায় কেড়ে নিয়েছেন সিলেটবাসীর মন। যার আন্তরিকতা, দক্ষ ও সাহসিকতায় উজ্জল হচ্ছে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি। যা অতিতে ছিল না। পুলিশ সুপার মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, আস্থা ও ভরসার এক বাতিঘর । আমজনতার মধ্যে এক সমীহের নাম যেন তিনি। কথায় কাজে অমিল খোঁজে পায়নি কেউ। কাজের বলিষ্টতায় মানুষের মধ্যে আজীবন স্মরনীয় হয়ে থাকবেন তিনি, তৃপ্তির গর্বিত আ্ওয়াজ তাকে নিয়ে অনেকের মাঝে। সেবার এক অনন্য অইকন হয়ে দাড়িয়েছেন তিনি।

তিনি তার কর্মদক্ষতা দিয়ে প্রমাণ করেছেন পুলিশ জনগণের প্রকৃত বন্ধু। যা আগে কখনো কেউ দেখেনি। করোনার আক্রমন হতে পুরো জেলাবাসীকে মুক্ত রাখতে তার অবদান অতুলনীয় ও প্রশংসনীয়। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন,শক্ত হাতে সন্ত্রাস দমনসহ নানা দক্ষতামূলক কাজে প্রমাণিত হয়েছে তার দূরদর্শিতার।

করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই পুলিশ সুপার জনাব ফরিদ উদ্দীন জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি, আক্রান্ত ব্যক্তিদের আইসোলেশন নিশ্চিত করা,তাদের পুষ্টকর খাদ্য সামগ্রী দেওয়, এলাকা লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা,পজিটিভ রোগীদের এম্বুলেন্স সার্ভিসের সহায়তা, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ, ত্রাণ কার্যে সহায়তা প্রদানসহ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। জেলার হাট বাজারগুলোতে মানুষের ভিড় কমাতে এবং পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে খুচরা বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য চাল, ডাল, তেল, ছোলা, বেশন, লবন, চিনি, আলু, পিঁয়াজ, বেগুন, ইত্যাদি সুলভ মূল্যে মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ বাজার পরিচালনার মাধ্যমে।

শুধু তাই নয় তার নেতৃত্বে দেশের এই জরুরি মহূর্তে করোনা প্রভাবে আটকে পড়া কর্মহীন মানুষের মাঝে গোপনে বাড়িতে গিয়ে খাদ্য ও ঔষধ পৌঁছে দিচ্ছেন নিজ হাতে আবার কখনো পৌছে দিচ্ছেন তার হাতে গড়া একদল সম্মুখযোদ্ধা পুলিশ সদস্যরা। আইন শৃঙ্খলা বাস্তবায়নে জেলা পুলিশের রয়েছে নিজ্স্ব দায়িত্ব। করোনায় তারাই সম্মুখ যোদ্ধাদের ভূমিকা পালন করছেন । আমরা যখন গভীর রাতে ঘুমে আচ্ছন্ন, পুলিশ তখন নির্ঘুম চোখে পাহারা দেয়। আমরা যখন প্রিয়জনের পাশে বসে গল্প করি,পুলিশ তখন রাস্তায় দাঁড়িয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত। হাসপাতালের অসুস্থ রোগী থেকে মৃত লাশের পাশে, কিংবা করোনায় আক্রান্ত মৃত লাশের সৎকারে। কৃষকের ধান কাটায়। মাঠে-ময়দানে, পাড়া-মহল্লায়, হাটবাজার সবখানে পুলিশ সুপার জনাব ফরিদ উদ্দীন ও তার বাহিনী।

করোনা প্রাদূভার্ব ছড়িয়ে পড়ার পর সামনে থেকে পরিস্থিতি সামাল দিতে তার ভূমিকা অন্য যেকারো থেকে আলাদা। মাঠে ময়দানে সর্তক-সচেতনায় নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছেন তিনি ও তার বাহিনী। জৈন্তাপুর থানায় শ্রমজীবি মানুষকে চেয়ারে বসিয়ে মর্যাদা সহকারে সহায়তার নজির সৃষ্টি করেছেন তিনি। তার এ সহায়তা প্রদান সত্যিকার অর্থে স্বাভাবিক হলেও আমাদের সমাজে যেন আকাশছোঁয়া কল্পনা। স্বাভাবিক কাজটি অস্বাভাভিক পরিস্থিতিতে করিয়ে দেখিয়ে দিলেন যে শুধু দৃষ্টিভংগির পরিবর্তনই যথেষ্ট। গরীব অসহায় মায়েদের পুষ্টকর খাদ্যও শিশু খাদ্য বিতর, বেদে পল্লীতে নিজে গিয়ে তাদের খুঁজ খবর নেওয়া তাদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ,প্রত্নতত্ত্ব এলাকায় নিজ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে নিজ হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী। শুধু তাই নয় আত্মসমর্পণকারী আসামি জেলে থাকা আসামীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খুজ খবর নেওয়া তাদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা সহ বিভিন্ন ভাবে নিজেকে প্রতিনিয়ত নিয়োজিত রেখেছেন।

খাদ্য সংকটে থাকা মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্তদের সহায়তা দিচ্ছে তার পুলিশ। শুধু ঘোষনা নয়,বাস্তবে ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার দায়িত্ব্ও নিয়েছেন তিনি। শুধু এক ফোন (০১৭৬৯-৬৯২ ৯৭৮) কল করেই জানিয়ে দিতে হবে প্রয়োজন। না হলে ফেসবুকের মেসেঞ্জারে কেউ যোগাযোগ করলেই এই খাদ্য সহায়তা বাড়িতে পাঠানো হবে, জানান সিলেটের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন।

ঘরে থাকুন পুলিশ আসবে আপনার দরজায়, আপনার প্রয়োজনে। তার এ জনবান্ধব মনোভাব পুলিশী সেবার মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলেও, সাধারন মানুষের নিকট যেন সত্যিকার এক ত্রানকর্তার স্বরূপ তিনি। কারন সেবার নাম শুনলেও অতীতে বাস্তবে এমন রুপ দেখেনি বলেই, মানুষের মধ্যে এসপি ফরিদ উদ্দিন পুলিশ নয়, যেন এক দৈব দূত। ভালো থাকুন সিলেট জেলা পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন মহোদয়, আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।