Wed. Jul 8th, 2020

জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর জন্য কে দায়ী?

শেখ শফিকুর রহমান, নিউইয়র্ক।।
২৫মে আমেরিকা তথা বিশ্ববাসীর কাছে চিরস্মরনীয় হয়ে ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ থাকবে। হয়তো জর্জ ফ্লয়েড ডে হিসেবে আখ্যায়িত হবে। এমনটি হবারই কথা। ২৫মে কে ঘিরে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলছে আজকের দিন পর্যন্ত। হয়তো অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার শ্বেতাঙ্গ না হলে ঘটনাটি সংঘটিত হতনা।যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ বিভাগে অজস্র কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান নাগরিক কর্মরত রয়েছেন। এখন পর্যন্ত অবশ্য শুনা যায়নি কৃষ্ণাঙ্গ পুলিশ অফিসারের হাতে কোন শ্বেতাঙ্গ আমেরিকান নাগরিক নির্মমতার শিকার হয়েছেন। বরং শ্বেতাঙ্গ মানুষের কাছেই কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের নির্যাতনের খবর বারবার উঠে আসছে। এটা শুধু আমেরিকাতে নয় বিশ্বের আরও অন্যান্য দেশেও এমনি হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে এবং হয়তো আরও ঘটতে ও পারে। কিন্তু সেটা কারুরই কাম্য নয়।
বর্নবাদের লেলিহান শিখায় অনেক কৃষ্ণাঙ্গ পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। যুগ যুগ ধরে চলমান এই বর্নবাদ দাঙ্গা মাঝেমধ্যে স্তিমিত হয় আবারও কোন নির্মম কোন ঘটনার মধ্যদিয়ে দৃশ্যমান হয়ে সারা পৃথিবীকে ঝাকিয়ে দেয়। অনেক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ আর প্রানের বিনিময়ে শান্ত হয়ে পড়ে কিন্তু আজো পর্যন্ত বর্নবাদ নামক শব্দটি পৃথিবী থেকে অদৃশ্য হচ্ছেনা। এখন প্রশ্ন হল তার কারণ কি? হয়তো এর স্থায়ী সমাধানের পথ কার্যতঃ জানা নেই বা কোন একটা গোষ্ঠী তা চির সমাধান চান না। কিন্তু ২০২০ সালে এসেও কি পৃথিবীর মানুষকে হাজার সমস্যা সামনে রেখে বর্নবাদের বিরুদ্ধে নামতে হবে। প্রশ্ন হল কেন? কেন পৃথিবী সমাধান করতে পারছে না। বারবার কেন বর্নবাদের সমাধান ছাড়া আন্দোলন বন্ধ হয়ে যায়। কিসের আশ্বাসে কারা এই আন্দোলনকে কিছু দিনের জন্য থামিয়ে দেন। আমি জানিনা এই সব প্রশ্নের উত্তর কে দিতে পারবে। আমার মনে হয় এ রকম প্রশ্ন পৃথিবীর অনেক মানুষের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে।
সাবেক বাসস্কেল বল খেলোয়াড় জর্জ ফ্লয়েডের নির্মম মৃত্যুর মধ্যদিয়ে বর্নবাদের চির পরিসমাপ্তি কি এবার হবে?
লেখক
শেখ শফিকুর রহমান
নিউইয়র্ক আমেরিকা।