Fri. Aug 14th, 2020

বাংলাদেশ পুলিশের উজ্জ্বল নক্ষত্র এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন – শ্যামল বনিক

ডেইলি বিডি নিউজঃ জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক তার ফেইসবুক স্ট্যাটাসে সিলেটের এসকি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম সম্পর্কে যা বললেন তা হুবহু পাঠকের জন্য তুলে ধরা হল।

উত্তম মানুষ বাংলাদেশ পুলিশের উজ্জ্বল নক্ষত্র গুরু মানবতার ফেরিওয়ালা মাননীয় SP Sylhet
শ্রদ্ধেয় Mohammed Farid Uddin স্যারের আদর্শে অনুপ্রাণিত ওসি জৈন্তাপুর সিলেট জেলা পুলিশ শ্রদ্ধেয় Shyamal Banik স্যার বলেন
সেবাই পরম ধর্ম -“জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর” স্বামী বিবেকানন্দের এই মহান উক্তির সাথে সকলেইএকমত। সেবাই পরম ধর্ম। সকল ধর্মের মুল কথা মানব সেবা। কালে কালে যুগে যুগে ধর্ম সাধকেরা মানুষের মাঝে প্রচার করেছে যে, সৃষ্টিকর্তাকে পেতে হলে আগে তার সৃষ্টিকে পেতে হবে। মানুষকে ভালবাসতে হবে।

শেষ বিচারের দিনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলবেন আমি ক্ষুধার্ত ছিলাম তোমরা আমাকে খেতে দাও নাই, আমি বস্ত্রহীন ছিলাম তোমরা আমাকে বস্ত্র দাও নাই। মানুষ বলবে হে প্রভু তুমি তো এ গুলোর থেকে উর্ধ্বে। তখন সৃষ্টিকর্তা বলবেন, তোমাদের চারপাশে যারা ক্ষুধার্ত ছিল তাদের খাদ্য দিলেই আমাকে খাদ্য দেওয়া হতো, যারা বস্ত্রহীন ছিল তাদের বস্ত্র দিলেই আমাকে দেওয়া হতো। অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিকে ভালবাসলেই ধর্মকে লালন করা হয়। জীবনের প্রয়োজনে আমরা নানা রকম পেশায় নিয়োজিত। কিন্তু যারা মানব সেবার কাজে নিয়োজিত আছে তারা একই সাথে দুই দিক থেকে লাভবান হচ্ছে। জীবিকা নির্বাহ এবং পূণ্য অর্জন।

পরিবারের একজন সদস্য যদি অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন বিছানায় পড়ে থাকে প্রথম দিকে সবাই একটু আদর যত্ন করলেও একটা সময় এসে সকলের গলগ্রহ হয়ে উঠে। আর রোগী যদি পঁচন রোগে আক্রান্ত হয় তাহলে তো তার কাছেই কেউ যাবে না। যদিও বা কেউ যায় বাধ্য হয়ে কর্তব্যের খাতিরে। এমনি অসহায় মানুষদের নিয়ে যাদের পথচলা তারাই হল সেবক সেবিকা।

এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে যা কিছু আছে সবই মানুষের জন্যে। আর সেই মানুষকে নিয়ে যারা কাজ করে তারা যে কতটা ভাগ্যবান তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। ডাক্তার,নার্স সেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মানুষকেই কখনো কখনো নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মানুষের সেবায় মগ্ন থাকতে থাকতে যখন শরীর ক্লান্তিতে নুয়ে পড়ে তখন মনে পড়ে আজ আর খাওয়া হয়নি। নিজের পরিবারের দিকে খেয়াল না রেখে বাংলাদেশ পুলিশ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকে। শত শত মানুষের অনিয়ম বিশৃঙ্খল বিচারের পাওয়ায়র আশায় আহাজারী নিয়ে পুলিশের কাছে চলে আসে। কর্মরত সকলেই তাদের পরিবার পরিজনদের কথা ভুলে যায়।

জনগন নিয়ে যাদের নিত্য বসবাস লক্ষ্য করবেন সেখানের অধীনস্তগণ অল্পতেই রেগে যায়, প্রতিনিয়ত কথা বলতে বলতে ধৈর্র্যচ্যুত রোগে আক্রান্ত হয়ে যায়। আমার বিশ্বাস পুলিশকে সবচেয়ে বেশি ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয়। বোধ জাগ্রত করানো বড়দের কর্তব্য।

“হিংসা, বিদ্বেষ,স্বার্থপরতা
অনেক দূরে চলে যাক,
কোমল হোক মানব হৃদয়
মানবতা সবার উপরে থাক”।