Thu. Jul 9th, 2020

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন সিলেটে যোগদানের সফলতার একবছর

ফারহানা বেগম হেনাঃ সিলেটের জনপ্রিয় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন আহমদ একটি সাহসী ও মেহনতি সম্মুখযোদ্ধা সৈনিকের নাম। যিনি সিলেটে পুলিশকে নিয়ে সৃস্টি করছেন ইতিহাসের নতুন অধ্যায়। আশার প্রদীপ জ্বেলে দিয়েছেন জনতার মনে। ভালোবাসায় কেড়ে নিয়েছেন সিলেটবাসীর মন। যার আন্তরিকতা, দক্ষ ও সাহসিকতায় উজ্জল হচ্ছে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি। যা অতিতে ছিল না। পুলিশ সুপার মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, আস্থা ও ভরসার এক বাতিঘর । আমজনতার মধ্যে এক সমীহের নাম যেন তিনি। কথায় কাজে অমিল খোঁজে পায়নি কেউ। কাজের বলিষ্টতায় মানুষের মধ্যে আজীবন স্মরনীয় হয়ে থাকবেন তিনি, তৃপ্তির গর্বিত আ্ওয়াজ তাকে নিয়ে অনেকের মাঝে। সেবার এক অনন্য অইকন হয়ে দাড়িয়েছেন তিনি।

একজন নেতা যেমন কর্মীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে নেতৃত্ব প্রদান করে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যান, একজন কোচ যেভাবে কনফিডেন্স লেভেল তৈরি করে শিষ্যের কাছ থেকে সেরাটুকু বের করে নিয়ে আনেন একইভাবে তিনি জুনিয়র অফিসারদের কনফিডেন্স লেভেল তৈরি করে কাজ করিয়ে নেন। তেমনি এক সুপারকপ সিলেটের পুলিশ সুপার (এসপি), মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম ৷

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন এর সিলেটে যোগদানের একবছরের কিছু আলোকিত কর্মজীবন নিয়ে কিছু কথাঃ

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। সিলেট জেলার সর্বজনের কাছে এক জননন্দিত নাম। ২০১৯ সালের ২৪ জুন তিনি সিলেট জেলার পুলিশ সুপারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্বভার গ্রহণের পর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই পুলিশ বিভাগেও সিলেটের জনগণের নিকট তিনি ঘনিষ্ট হয়ে যান তার কাজের মাধ্যমে। সহজ সরল নিরীহ জনগণের পুলিশি সেবা প্রাপ্তির সহজলভ্যতা এখন অত্র জেলার মানুষের মুখে মুখে। তাঁর অসাম্য কর্মপ্রচেষ্টায় দেশ ও জাতির কাছে দৃশ্যমান। অন্যদিকে অপরাধীরা এই সৎ পুলিশ অফিসারের নাম শুনলেই ভয়ে আতকে উঠে। বিভাগীয় কার্যক্রমের বিত্তের বাইরেও রয়েছে তাঁর নানাবিধ সামাজিক কর্মদ্যোগ। স্বভাবজাত সৎ, ভালো চরিত্রগুণের অধিকারী মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আহমদ পিপিএম এর বণার্ঢ্য ও কর্মজীবন সুধীজনের দৃষ্টিগ্রাহ্য করার প্রয়াসে আমার এ লিখা।

পড়াশোনায় অসামান্য মেধার অধিকারী এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আহমদ পিপিএম। একাডেমিক শিক্ষা শেষ করে প্রথমেই আইএফআইসি ব্যাংকের প্রবিশনারী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন ২০০৪ সালে। আইএফআইসি ব্যাংকে চাকুরীকালীন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে চুড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য মনোনীত হন এবং একই সময়ে আরও দুটি বেসরকারি ব্যাংকের অফিসার পদে চাকুরির সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছিলেন। এদিকে আইএফআইসি ব্যাংকে চাকরির পাশাপাশি পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) অধীনে বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় বিভিন্ন ধাপে অংশ গ্রহণ করে যাচ্ছিলেন। বিসিএস পরীক্ষায় কৃতিত্তের সাথে উত্তীর্ণ হলে ২০০৫ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিসে সহকারী পুলিশ সুপার পদে চাকুরির জন্য মনোনীত করেন। ব্যাংকের চাকুরীতে ইস্তফা দিয়ে তিনি ২০০৫ সালের ২ রা জুলাই দেশসেবার ব্রত নিয়ে পুলিশের চাকুরীতে যোগদান করেন।

২০১৯ সালের ২৪ শে জুন সরকারি আদেশে সিলেট জেলার পুলিশ সুপার পদে নিযুক্ত হন এবং অদ্যাবধী এই পদে সুনামের সাথে বহাল থেকে যথেষ্ট সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আহমদ পিপিএম যোগদানের পর থেকেই সিলেট জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন তরুণ এই অফিসার। বিশেষ করে থানা গুলোতে নাগরিকদের আইনী সেবা দিতে তিনি অফিসার ইনচার্জদের প্রতি কড়া নির্দেশ দেন।

জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পরপরই সিলেটের ৫ থানার ওসিকে বদলি করেন এবং থানায় যাতে সেবাপ্রার্থীরা হয়রানীর স্বীকার না হয় সেবিষয়ে নবাগত ওসিদের প্রতি কঠোর হুশিয়ারী দিয়েছিলেন ডিএমপি ওয়ারীর সাবেক ডিসি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। সিলেটের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি অপরাধীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মাধ্যমে এলাকার সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় সভা সমাবেশ করে জঙ্গি ও গুজব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। মাদক, সন্ত্রাস, ডাকাত সহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে চিরুনী অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

জেলা পুলিশের শীর্ষ এই অফিসারের কঠোর নির্দেশে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যাবসায়ী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। এসপি ফরিদ উদ্দিনের এমন পদক্ষেপের কারনে অপরাধ প্রবনতা অনেকাংশেই কমে এসেছে উল্লেখ করে জেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করে প্রায়শই বলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন অপরাধীদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। আগে যে মানুষ গুলো পুলিশ সর্ম্পকে বিরুপ মন্তব্য করতো তারাই আজ র্গব করে পুলিশের সর্ম্পকে প্রশংসা করতে দ্বিধাবোধ করে না।

পুলিশ নিয়ে অনেকের বিরূপ ধারণা থাকলেও সিলেটের পুলিশ সুপার (এসপি), কুমিল্লার সন্তান মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম সে ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন। দুষ্টের দমন, শিষ্টের লালন নীতিতে কাজ করে তিনি সকলের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন। সিলেটে পরিবর্তনের যে হাওয়া, কাজের যে গতিশীলতা, সফলতা সবকিছুর পেছনে ক্রেডিট এই মানুষটার। সিলেট জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় কাগজে কলমে সমাপ্তি হওয়া ১৪৫৫টি মামলার জট। তিনি টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে মামলাগুলোর বিশাল জট নিরসনে দ্রুত কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করেন। বিগতএক বছরে ১৪৫৫টি মামলার মধ্যে ৯০৫টি মামলার মুলতবি করতে সক্ষম হয়েছেন। ওয়ারেন্ট তামিলের ক্ষেত্রেও রয়েছে স্মরণকালের সেরা সফলতা।

সিলেটের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র পুলিশ সুপার যার উদ্যোগে সিলেট জেলা পুলিশের মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ২২৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করেছেন। সিলেটের ডিআইজি, কমিশনার, এসপিসহ পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তা ও জাতির সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাগন একই সাথে বসে দুপুরের খাবারের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধাগনের অশ্রুসিক্ত ভালবাসায় প্রশংসিত হন এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন।

এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে বিভিন্ন ধরনের পোশাক প্রদানে তিনি ভীষণ প্রশংসা কুড়ান। মাত্র একশত টাকা খরচের মাধ্যমে পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেয়ায় দেশব্যাপী আলোচনায় নিজের স্থান করেন তিনি। পুলিশে নিয়োগ ও রদবদলে নেই তার টাকার কোনো চাহিদা। তার সততা, কর্মদক্ষতা ও নিষ্টার ফল ভোগ করছেন সিলেটবাসী। তার নিয়োগের পর থেকে সিলেটের থানাগুলোতে জিডি ও অভিযোগে কোন টাকা লাগে না। পুলিশিং কোন ধরনের হয়রানি নেই বললেই চলে।

পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর কাজ ও কর্মে সিলেটবাসীকে চমকের পর চমক দেখান তিনি। পৃথকভাবে প্রতিটি থানা পরিদর্শন ও থানার আওতাধীন এলাকার সার্বিক দিক বিবেচনা করে তৈরি করেন প্রতিটি থানায় একেকটি টিম।

মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন বলেছিলেন, সিলেটে হয় দুর্নিতি ও ঘুষ থাকবে না হয় আমি থাকবো, বেঁচে থাকার জন্য টাকার দরকার আছে এটা ঠিক তবে আমার এক টাকাও হারাম কিংবা অবৈধ টাকার দরকার নেই। আমার শেষ নিশ্বাসের আগেও যেন এক টাকা হারাম খেতে না হয় আল্লাহর কাছে এটাই আমার চাওয়া।

পুলিশ সুপার হিসেবে সিলেটে যোগদানের পর থেকে বেশ কয়েকটি আলোচিত ঘটনার তথ্য উৎঘাটন, জেলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে গুজব প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করেন। বর্তমানে তিনি সিলেটের মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন একটি আস্থা, ভালবাসা ও নির্ভরতার প্রতীক। একজন পুলিশ কর্মকর্তার মূল কাজ জনগণের সেবা করা। বিপদাপদে তাদের পাশে থাকা পুলিশের সকল কর্মকর্তা সে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু এসপি ফরিদ উদ্দিনের দায়িত্ব পালনে রয়েছে আলাদা কৌশল, সততা, নিষ্টা ও পরিস্থিতির ক্ষেত্র বোঝে সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহন। এসপি ফরিদ উদ্দিন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত সেবাকে দ্রুত জনগণের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে দেন অনন্য কৌশলে।

তিনি তার কর্মদক্ষতা দিয়ে প্রমাণ করেছেন পুলিশ জনগণের প্রকৃত বন্ধু। যা আগে কখনো কেউ দেখেনি। করোনার আক্রমন হতে পুরো জেলাবাসীকে মুক্ত রাখতে তার অবদান অতুলনীয় ও প্রশংসনীয়। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন,শক্ত হাতে সন্ত্রাস দমনসহ নানা কর্ম দক্ষতামূলক কাজে প্রমাণিত হয়েছে তার দূরদর্শিতার।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের ঝুকিতে যখন পুরো বাংলাদেশে সরকারী ছুটি চলছে তখন সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন ও তার বাহিনী বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর, অসহায়, হতদরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করে করছেন। মাইক হাতে রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে জনসাধারনকে সচেতন করার চেস্টা করছেন।

করোনা প্রাদূভার্ব ছড়িয়ে পড়ার পর সামনে থেকে পরিস্থিতি সামাল দিতে তার ভূমিকা অন্য যেকারো থেকে আলাদা। মাঠে ময়দানে সর্তক-সচেতনায় নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছেন তিনি ও তার বাহিনী। জৈন্তাপুর থানায় শ্রমজীবি মানুষকে চেয়ারে বসিয়ে মর্যাদা সহকারে সহায়তার নজির সৃষ্টি করেছেন তিনি। তার এ সহায়তা প্রদান সত্যিকার অর্থে স্বাভাবিক হলেও আমাদের সমাজে যেন আকাশছোঁয়া কল্পনা। স্বাভাবিক কাজটি অস্বাভাভিক পরিস্থিতিতে করিয়ে দেখিয়ে দিলেন যে শুধু দৃষ্টিভংগির পরিবর্তনই যথেষ্ট। গরীব অসহায় মায়েদের পুষ্টকর খাদ্যও শিশু খাদ্য বিতর, বেদে পল্লীতে নিজে গিয়ে তাদের খুঁজ খবর নেওয়া তাদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ,প্রত্নতত্ত্ব এলাকায় নিজ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে নিজ হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী। শুধু তাই নয় আত্মসমর্পণকারী আসামি জেলে থাকা আসামীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খুজ খবর নেওয়া তাদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা সহ বিভিন্ন ভাবে নিজেকে প্রতিনিয়ত নিয়োজিত রেখেছেন।

খাদ্য সংকটে থাকা মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্তদের সহায়তা দিচ্ছে তার পুলিশ। শুধু ঘোষনা নয়,বাস্তবে ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার দায়িত্ব্ও নিয়েছেন তিনি। শুধু এক ফোন (০১৭৬৯-৬৯২ ৯৭৮) কল করেই জানিয়ে দিতে হবে প্রয়োজন। না হলে ফেসবুকের মেসেঞ্জারে কেউ যোগাযোগ করলেই এই খাদ্য সহায়তা বাড়িতে পাঠানো হবে, জানান সিলেটের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন।

আপনি ভুলে যাননি আপনার ডাকে সারা দিয়ে আত্নসমর্পণকারি অপরাধীর পরিবারের খবর নিতে। শত কর্ম ব্যস্তার মধ্যে ও মনে রেখেছেন তাদের কাথা আর নিজে গিয়ে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী। আপনি এমনই একজন মানুষ যে কিনা রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষ থেকে শুরু করে ভিক্ষুক,রিকশা চালক,ভেন চালক,দিনমজুর সহ সর্ব নিম্নস্তরের মানুষ কে সম্মানানিত করে চেয়ারে বসিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন এর আগে কোন দিন কেউ এতো সম্মানের সাথে এই মানুষ গুলোর সাথে কথা বলেনি পাশে দাঁড়ায়নি এটা শুধু আপনার মতো নিঃস্বার্থ মনের মানুষের পক্ষেই সম্ভব আপনি সারা পৃথিবীর মানুষ কে চোঁখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন যে এই পৃথিবীতে সকল মানুষ, মানুষ হিসেবে সমান। আপনার এই মহতী মনের কথা গুলো হয়তো আমি লিখে শেষ করতে পারবোনা তাও চেষ্টা করেছি এই লিখার মাধ্যমে আপনাকে আমার ও সিলেট বাসীর পক্ষ থেকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর নিমিত্ত প্রয়াস মাত্র।

মানুষ চিরদিন বেঁচে থাকে না, বেঁচে থাকে তার কর্ম। মানুষ যদি ভালো কাজ করে তবে ঢোল পিটিয়ে তা প্রকাশ করতে হয় না। সেখানের বাতাসের সাথে ভেসে বেড়ায় তার কর্ম। আর খারাপ কাজ করলে যতই চাপাচাপি কর না কেন লোকালয়ের লোকমুখে তা ভেসে বেড়ায় প্রতিনিয়তই। তেমনি একজন ভালো দক্ষকর্মট দেশপ্রেমিক সিলেটের মাটি ও মানুষের সাথে মিশে কাজ করা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম হযরত শাহ্জালাল (র:), হযরত শাহ্ পরান (র:) এর পূণ্যভূমি সিলেটে আসার পর থেকে দীর্ঘ একবছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় জুয়া, মদ, গাঁজা, হেরোইন, চুরাচালান, চুরি-ডাকাতিসহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আলোচনার ঝড় তুলেছেন জেলা জুড়ে।

বৈশ্বিক মহামারী কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ ও মোকাবিলা করতে সিলেটের সর্বসাধারণের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে আজ এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আহমদ এর নাম। দীর্ঘ ৩ মাস দিনকে রাত করে সিলেট জেলার প্রতিটি গ্রামে অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন তিনি। শুধু অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে ছুটে বেড়াননি, তিনি তাঁর পুলিশ বাহিনী নিয়ে এ মহামারী করোনা মোকাবেলায় প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন যার ফলে আজ সিলেট জেলায় অনেক পুলিশ বাহিনীর সদস্য করোনায় আক্রান্ত। করোনায় আক্রান্ত এই দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যদের আশু রোগমুক্তি কামনা করছি। তারই সাথে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন এর পরবর্তী কর্মজীবন আরও অধিক আলোকিত হোক মানুষের কল্যাণে সে প্রত্যাশা আমাদের সকলের। আপনার এই দীর্ঘ র্কম জীবন কে আমার লিখনির মাধ্যমে তুলে ধরা আমার মতো সল্প জ্ঞানের পক্ষে সম্ভব নয় তাও চেষ্টা করেছি মাত্র।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর- মিডিয়া) মোঃ লুৎফর রহমান বলেন,এসপি ফরিদ উদ্দিন পিপিএম স্যার সিলেট জেলায় যোগদান করার পর থেকেই পাল্টে গেছে সিলেট জেলা পুলিশ বাহিনীর সকল কার্যক্রম। আমরা যে যেই লেভেলেই পেশাগত দায়িত্ব পালন করি না কেন সব কিছুর মূলে রয়েছে মানব কল্যাণ। যথাযথ ভাবে মানব কল্যাণ করাটাই মূল দায়িত্ব, সেই দৃষ্টিকোন থেকেই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন স্যারের প্রতিটি কাজে কর্মে এরকম চিত্র ফুটে উঠছে। মানব কল্যাণে স্যারের গৃহীত পদক্ষেপ গুলো সিলেট জেলা পুলিশের সকল সদস্যসহ সমাজের অনেকেই অনুকরণ করবে বলে আশা রাখছি।
আমরা গর্বীত এমন একজন এসপি মোহ্ম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম স্যারের মতো মহত গুনের মানুষের পাশে থেকে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি বলে। ক্ষুদ্র জীবনে আমি অনেকের সাথে কাজ করার সৌভগ্য হয়েছে কিন্তু এসপি ফরিদ উদ্দিন পিপিএম স্যার উনার মানবিকতার ধারা অব্যাহত রেখে অভিজ্ঞতা ও আধুনিকতাকে কাজে লাগিয়ে যে ভাবে এগিয়ে নিচ্ছেন সিলেট জেলা পুলিশকে তা সত্যি দৃষ্টান্ত রাখার মতো। আমি ও সিলেট জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে স্যারের সিলেটে যোগদানের সফলতার একবছর পূর্তি উপলক্ষে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দ। আমি উনার দীর্ঘ আয়ু কামনা করি। আল্লাহ আমাদের সকলকে রক্ষা করুন।

এ ব‍্যাপারে অনলাইন দৈনিক ডেইলি বিডি নিউজের সম্পাদক ফারহানা বেগম হেনা বলেন, এই ক্রান্তিলগ্নে পুলিশ সুপার মহোদয় যেভাবে কাজ করছেন তা প্রশংসার দাবীদার। এই কারণে আমি তাকে অভিনন্দন জানাই। পাশাপাশি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি আরো বলেন, এর আগে দেশে অনেক দুর্যোগ এসেছে এবং তখনো অনেকে এই পদে দায়িত্বরত ছিলেন। কিন্তু কাউকে বর্তমানের মতো সবার পাশে দাঁড়ানোর কথা শোনা যায়নি।

আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি, সিলেটের সিলেট জেলা পুলিশের সনামধন্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বিপিএম মহোদয়কে যে সিলেটের সকল উপজেলায় এই মহামারী করোনা ভাইরাসের সংকটময় মুহূর্তে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ানো জন্য। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের সিলেটের সর্বত্র খুঁজে খুঁজে আপনি যে মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তা সিলেট বাসীর মনে স্বর্ণাঅক্ষরে লিখা থাকবে। আমরা গর্বিত আপনার মতো নিঃস্বার্থ মানব দরদী একজন মহত মনের মানুষ পেয়ে। স্যালুট জানাই আপনি সহ সকল পুলিশবাহিনী কে। তারই সাথে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন এর পরবর্তী কর্মজীবন আরও অধিক আলোকিত হোক মানুষের কল্যাণে সে প্রত্যাশা আমাদের সকলের। সিলেটে আপনার যোগদানের সফলতার একবছর পূর্তি উপলক্ষে আপনাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

দৈনিক সময়ের সংবাদের প্রধান সম্পাদক মিনহাজুল আবেদীন নাঈম চৌধুরী বলেন, পুলিশের কাজের বাইরে এ ধরনের সামাজিক কাজ পুলিশ বাহিনীকে অনন‍্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। সনামধন্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বিপিএম মহোদয়ের সিলেট যোগদানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

এদিকে একাধিক সংবাদ কর্মীরা জানিয়েছেন, সনামধন্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বিপিএম মহোদয়ের সিলেট যোগদানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আমরা প্রত্যেক পুলিশ সদস্যদের মধ্যে মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন মহোদয়ের মতো মানবিকতা ও মহানুভবতা দেখতে চাই। তাহলেই পুলিশকে মানুষ শত্রু হিসেবে নয় বন্ধু হিসেবে অন্তরে স্থান দিবে।

লেখকঃ ফারহানা বেগম হেনা
সম্পাদক- ডেইলি বিডি নিউজ।