Fri. Jul 10th, 2020

গোয়াইনঘাটে বন্যার পরিস্থিতি আরও অবনতি: পানিবন্দী হচ্ছে মানুষ

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা :: গোয়াইনঘাট উপজেলার বন্যার পানি আরো বৃদ্দি পেয়েছে। সাথে ভারীবর্ষণ রয়েছে অব্যাহত। তলিয়ে গেছে সব কয়টি ইউনিয়নের নিন্মাচ্ছল। ডুবে গেছে বেশিব ভাগ বসত বাড়ী। প্রধান প্রধান নদীগুলোর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলা থেকে প্রধান প্রধান সড়কের প্রতিটি ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। উপজেলা প্রধান সড়ক পরগনা বাজার রাধানগর ১৪ কিলোমিটার রাস্তা বেশ কিছু জায়গায় পানির নিচে। হাওর অঞ্চলের অনেক বসত বাড়ি তলিয়ে গেছে।

উপজেলা গোয়াইনঘাট থেকে সালুটিকর, সদর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা গতকাল ঠিক থাকলেও আজ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিভিন্ন জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।বঙ্গবীর সাকেরপেকেরখাল গ্রামের সামনে প্রধান সড়ক পানির তুড়ে ভেঙ্গে ফেলেছে। বঙ্গবীর থেকে কাটাখাল রাস্তা ডুবে গেছে।

এদিকে সালুটিকর থেকে দামারিপার পর্যন্ত তলিয়ে গেছে। তোয়াকুল ইউনিয়নের হাওর অঞ্চল লক্ষ্মীনগর গ্রামের সবকয়টি বসতভিটা পানিতে নিমজ্জিত। গতকাল রাতের ঝড়ে লক্ষী নগর গ্রামের আলিমুদ্দিন নামক এক ব্যক্তির ঘরের টিনের চাল উড়িয়ে নিয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাওর অঞ্চলের মানুষজন আকস্মিমিক বন্যায় খুব বিপর্যয়ে আছেন। বন্যার পানির সাথে অনবরত বৃষ্টি থাকার কারণে, মানুষজন পড়েছেন আরও ভোগান্তিতে। নিজেদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে। বেড়েছে বেকারত্ব, গৃহবন্দি হয়ে আছে গবাদিপশু।

রুস্তমপুরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন সিহাব আজ সকাল ৯ টায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি দেখতে যান। ওয়ার্ড সদস্যদের মারফতে জানতে পারেন ইউনিয়নের প্রায় ৩০টি গ্রাম পানির নিচে।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্হ মানুষকে ত্রান সহায়তা দিতে প্রশাষনের নিকট চাহিদা উল্লেখ পূর্বক প্রস্তুুতি নিচ্ছেন।

এ দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন, প্রেসক্লাব সভাপতি উল্লেখযোগ্য ইউপির জনপ্রতনিধিগন বন্যা পরিস্হিতি পর্যবেক্ষন করতে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনে বেরিয়েছেন।