Wed. Jul 8th, 2020

সরকার কোনো পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়নিঃ তথ্যমন্ত্রী

ডেইলি বিডি নিউজঃ সরকার কোনো পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়নি, বরং পাটকলগুলোকে আরও ভালোভাবে চালু করার লক্ষ্যে সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার (২৯ জুন) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

পাটকল বন্ধ করা হয়েছে- বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর এমন মন্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে বলেন, সরকার কোনো পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়নি, বরং পাটকলগুলোকে আরও ভালোভাবে চালু করার লক্ষ্যে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন আদমজী জুটমিলসহ অনেকগুলো পাটকল বন্ধ করে দিয়েছিল। ফলে আদমজী জুটমিলের ৬০ হাজার এবং অন্যান্য পাটকলের লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর এবং পরবর্তীতে ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার পর দু’বারেই অনেকগুলো করে পাটকল চালু করা হয়েছিল এবং শ্রমিকদেরকে পাটকলের মালিকানায় অংশীদার করা হয়েছিল, মনে করিয়ে দেন তথ্যমন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, যেকোনো বিষয় ভালো করে পড়ে মন্তব্য করাই হচ্ছে দায়িত্বশীল বিরোধী দলীয় নেতার কাজ, যেটি তারা করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

উল্লেখ্য, ধারাবাহিকভাবে লোকসানে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর প্রায় পঁচিশ হাজার স্থায়ী শ্রমিককে স্বেচ্ছা অবসরে (গোল্ডেন হ্যান্ডশেক) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর বিরোধিতায় সারা দেশের ২৬টি পাটকলের শ্রমিকদের আন্দোলনের ঘোষণার মধ্যেই বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী রোববার (২৮ জুন) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, পাটকলগুলোতে লোকসান হচ্ছে, এজন্য সরকার চিন্তা করেছে শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দিয়ে এই খাতকে এগিয়ে নিতে।

গোলাম দস্তগীর গাজী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে শ্রমিকদের চাকরির অবসান করতে। পাটকল শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দেয়ার পর পিপিপির (সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব) আওতায় পাটকলগুলোর আধুনিকায়ন করে উৎপাদনমুখী করা হবে। তখন এসব শ্রমিক সেখানে চাকরি করার সুযোগ পাবেন।