Fri. Aug 14th, 2020

গোয়াইনঘাটে বানের জলে ডুবে আছে বীজতলা, দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় গত ২ দিন যাবৎ বন্যার পানি অপরিবর্তিত।স্হানীয় পর্যায়ে অব্যাহত আছে বারী বর্ষন।তাই বন্যার পানির হচ্ছে না উস্নতি।

উপজেলার প্রায় এক তিতীয়াংশ বীজ তলা পানির নিচে। কৃষকরা সময়মত বীজ তলায় বীজ বপনের অনিশ্চয়তা ভুগছেন।সেটা আরোও নির্ভর করছে বন্যার পানির স্হায়িত্বের উপর।কোন কোন কৃষক আগাম কিছু বীজ বপন করে নিয়েছেন।যা বর্তমানে পানিতে নিমজ্জিত। আবার অনেকে বীজের অঙ্কুর ফুটিয়েছেন, ঘরেই রয়ে গেছে, বীজ তলায় ফেলার সুযোগ পান নাই। ৫১/৫২ জাতের বীজ ধান যেটা পানি সহনীয়,সেটা বীজ তলায় ফেলার সময় শেষ। বীজতলায় বীজ বপনের প্রথম ধাপ প্রায় শেষ।

আগাম ফসল বোনার স্বপ্ন আর দেখছেন না কৃষকরা। সময়মতো চারা রোপণ করতে না পারলে, ভালো ফসল ফলনের আশা নেই।শেষে খরা আর পোকামাকড়ের উপদ্রবে পড়ে কৃষকের ফলোন।দ্বিতীয় ধাপে বাজার থেকে বীজ সংগ্রহ করাও কষ্টকর। অনেক কৃষকের সময় মত থাকে না অর্থের যোগান। সময় শেষ হওয়ার কারণে অনেক ডিলারের কাছে ও বীজ সংগ্রহে থাকে না। তখন অনেকে কৃষক বীজ সংগ্রহ করেন,সরকারের দেওয়া মুূল্য থেকে একটু চড়া দামে।বিক্রয়কারী ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে বলেন বীজ ক্রয়ে ক্রেতা আর চাহিদা একই সময়ে হওয়ায় বাজারে বীজের চাহিদা ও ক্রেতা পরিমান বীজ দোকানে মজুদ থাকে না বিধায় সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই আমরাও ক্রেতার চাহিদা পুরনে বাহির থেকে বীজ সংগ্রহ করি একটু বাড়তি মূল্য দিয়ে।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালেব বলেন, সরকার কৃষকদের কথা বিবেচনা করে এই বছর প্রতি বস্তা বীজ ধানে ১00 টাকা করে মূল্য ছাড় দিয়েছে। চারশত টাকার বস্তা এখন তিনশত টাকা।

ইতিপূর্বে গোয়াইনঘাট উপজেলায় ২৮৮ টি পরিবারকে নগদ টাকা ও ১৪ প্রকার শাক সবজির বীজ প্রধান করা হয়েছে। আরো বলেন উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে বন্যার পানিতে বীজ তলা নিমজ্জিত সরকারের নিকট আমরা রিপোর্ট দিয়েছি। বন্যার পানি থেকে বীজ তলা উদ্ধার হলে, আমারা ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নাম তালিকাভুক্ত করে সরকারকে জানাবো। উঁচু জায়গা দেখে বীজতলা প্রস্তুত করে কম দিনে যে বীজ ধানের ভালো ফলন হয়। সেইরূপ বীজ ধানের অঙ্কুরোদগম করানোর জন্য কৃষককে পরামর্শ দিতে তিনি বলেন। উল্লেখযোগ্য যে বীজ ধান বাজারে পাওয়া সহজলভ্য ২৮ বা বিনা ৭ উন্নত প্রজাতের বীজ।