Sun. Aug 9th, 2020

পুলিশ প্রসাশনে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিক রাখায় সিলেট জেলার শ্রেষ্ট ওসি নির্বাচিত শ্যামল বণিক

মোস্তাক চৌধুরী ঃ সিলেট জেলার জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি সততার অনন্য প্রতিকৃত শ্যামল বণিক জৈন্তাপুরের অাইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামান্য অবধান রাখায়, যেমন অস্ত্র উদ্ধার, মাধক নিমূল, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অাসামী গ্রেফতার, ওয়ারেন্ট তামিল, সিলেট জেলার অন্ত জেলা ডাকাত দলের খিলার গ্রেফতার, সিলেটের মদ,ইয়াবা, হেরোইন, তীরখেলা, সহ চোরাচালান বন্ধ, সিলেটের অালোচিত ইয়াবা সম্রাট জাহাঙ্গীর গ্রেফতার সহ করোনা পরিস্থিতিতে অসামান্য অবধান রাখায়, জৈন্তাপুর মডেল থানার মানবতার চাদরে ডাকা ওসি শ্যামল বণিককে জেলার শ্রেষ্ট ওসি নির্বাচিত করে পুরস্কৃত করেন সিলেটের অালোচিত প্রশাসনের কাতার থেকে জনতার কাতারে নামা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। গেল শুক্রবার জেলা পুলিশ সুপারের মাসিক সভা এ পুরস্কারে ভূষিত হন ওসি শ্যামল বণিক। এ অনুষ্টানে সিলেট জেলার সকল থানার ওসি সহ পুলিশ প্রশাসনের সকল কর্মকথা উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্টানে সিলেটের মানপ্রেমি জনতার পুলিশ সুপার মানবতাবাদী, মুক্তিযুদ্ধা পরিবারের সন্তান ফরিদ উদ্দিন ওসি শ্যামল বণিকের হাতে এ শ্রেষ্টত্বর ক্রেষ্ট তোলে দিয়ে বিরল সম্মানে সম্মানিত করেন।

এ সময় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগন সহ সকল থানার ওসি উপস্থিত থেকে অালোচনা করে ওসি শ্যামল বণিককে অভিনন্দন জানান।

ওসি শ্যামল বণিক জৈন্তাপুরে অাসার পুর্বে অাসার পুর্বে জৈন্তাপুরের সীমান্ত এলাকায় অবৈধ ভারতীয় গরু সহ চোরাচালানের হাট বসতো। জৈন্তাপুরের বাজারগুলো ভারতীয় বাজারে পরিনত হয়েছিল। জৈন্তাপুরের চা বাগান এলাকায় রাতে বসতো ভারতী তীর খেলা নামক জোয়ার অাসর।বাগানের চা শ্রমিকেরা সাপ্তাহিক টাকা পেয়ে সব টাকা উড়িয়ে দিতো তীরখেলা নামক ভারতীয় জোয়াতে। জোয়াতে সব হারিয়ে খালি হাতে যখন বাসা থেতে যখন বউ বাচ্চারা উপবাস করে রাত কাটাতে হত। অর্ধাহারে অনাহারে তাদের জীবন যাপন করতে হতো। এই তীরখেলা নামক জোয়া অার জৈন্তাপুরে নেই। ওসি শ্যামল বণিক জৈন্তারের মডেল থানার ওসি হিসাবে যোগদানের পর রিতীমতো যুদ্ধ করতে হয়েছে জৈন্তাপুরের মাদক জোয়া অার চোরাচালানের বিরোদ্ধে। অবশ্য প্রথম প্রর্য্যায়ে চোরাকারবারী ও জোয়ারীরা তাকে বড় অংঙ্কের মাসুহারা দিয়ে মেনেইজ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
শ্যামল বনিক জৈন্তাপুর অাসার তিনমাসের মধ্যে যখন মাদক সম্রাটদের জনতাকে সামনে সারাসী অভিযান শুরু করেন তখন তারা পাহাড়ী এলাকায় অাস্তানা গাড়ে। পাহাড়ী এলাকায় গোয়েন্ধাদাদের মাধ্যমে খবর নিয়ে সিলেটের ইয়াবা সম্রাট জাহাঙ্গীর সহ বড় বড় ইয়াবা ও মাদক ব্যবসাহীরা শ্যামল বণিকের থাবায় জেল বন্ধি হলে তারা পিচু হটে। তিনি জৈন্তাপুর যাবার পুর্বে জৈন্তাপুরের জাফলং রোড়ে পর্যটকদের গাড়ী অাটকে ডাকাতি হতো। এ রোড়ে পুলিশ ও চাঁদাবাজি করতো।এখন অার এ সকল ধান্ধাবাজি নেই। পর্যটকদের নিরাপদ সড়ক হিসাবে এ রোড অবমুক্ত।

এছাড়া করোনা ভাইরাসে ওসি শ্যামল বণিক দিনকে রাত করে কাজ কাজ করে গেছেন। করোনা ভাইরাসে তিনি শুধু মানুষকে ঘরে রাখেননী। দিন মজুরের যখন কাজ বন্ধ হয়ে যায় তখন বাড়ী বাড়ী গিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করছেন ওসি শ্যামল বণিক ও তার টিম জৈন্তাপুর। শুধু নিম্ন বিতশুধু নিম্ন বৃত্তদের ঘরে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেননী তিনির কর্থা অাদর্শবাদী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন কে সাথে নিয়ে জৈন্তাপুরের খাশিয়া পল্লী বেদেপল্লী চা শ্রমিক সহ নানা পেশার মানুষের মধো, নিম্ন অায় ও মধ্য অায়ের মানুষের মধো খাদ্য বিতরন বিতরন করেন। ওসি শ্যামল বণিক রাত দুইটায় ফোন কলে ঔষধ নিয়ে গিয়েছেন রোগীর বাড়ী। জৈন্তার করোনা রোগীর দেখবাল খাদ্য সামগ্রী বিতরন প্রশাসনিক কর্মকান্ড সবকিছু এক সাথে চালিয়ে গেছে ওসি শ্যামল বনিক। বর্তমান জৈন্তাপুর একজনও করোনা রোগী নেই। শ্যামল বণিক এক ব্যসর হয় জৈন্তাপুরে এর মধ্যে একটি মাডার হয়নী জৈন্তাপুরে। যে জৈন্তাপুরে প্রতি মাসে মাডার হয় দুই থেকে তিনটি। পাঁচ সাতটি মাডারের ও নজির রয়েছে জৈন্তাপুরে। এ সকল প্রশংসার দাবিদার ওসি শ্যামল বর্নিক।

শুধু তাই নয় তিনি জৈন্তাপুর অাসার মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানার ওসি ছিলেন। অাড়াই ব্যসরে মাদকের স্বর্গরাজ নামে খ্যাত রাজনগর কে মাদক মুক্ত জোয়া মুক্ত, সুদ মুক্ত থানা গোষনা করেন। তিনি রাজনগরে শিক্ষানোরী অাপ্তাব উদ্দিন স্মৃতি সম্মাননা পদক সহ অসংখ্য পদকে ভূষিত হন তার কর্ম ও দক্ষতা দিয়ে। তিনি রাজনগর উপজেলা থাকাকালীন জাতিয় নির্বাচনে উপজেলার সোনাটিকী সেন্টার থেকে বিএনপির সন্ত্রাসী কতৃক যখন ভোট সেন্টার দখল হয় তখন জীবন বাজি রেখে ভোট বাক্স উদ্ধার করতে সেই এলাকার সন্ত্রাসী কতৃক মারাত্মক অাহত হয়ে মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে প্রান রক্ষা পায়। তিনি এ ঘটনায় জাতিয় পদক পাবার কথা। শ্যামল বণিককে নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা ও রাজনগর উপজেলা সাংবাদিক সাহিত্যিকগন ” পুলিশিং সেবায় অনন্য একজন শ্যামল বণিক নামে এক প্রকাশানা অালোচনার জড় তোলেন গোটা সিলেট বিভাগ জোড়ে।

ওসি শ্যামল বনিক এক বিপ্লবের নাম। এক মানব দরদী তরনীর নাম। তিনি দুসাহসী এক সৈনিক। জীবনের যোকি নিয়ে কাজ করেন মানবতার তরে।