Sat. Sep 19th, 2020

নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন করলো সিলেটের কামরান পরিবার

স্টাফ রিপোর্ট: প্রতিবছরের ন্যায় এবারো নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের পরিবার। যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করেছে।

নানা কর্মসূচির মধ্যে ১৪ই আগস্ট শুক্রবার সকাল ১১ টা, বিকেল ৪ টা ও ৫ টায় যথাক্রমে ছড়ারপার, কাজিরবাজার মাদ্রাসা ও সোবহানীঘাট মাদ্রাসা ও রামকৃষ্ণ মিশনে মরহুম বদর উদ্দিন আহমদ কামরান পরিবারের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।পৃথক পৃথক অনুষ্টানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান,সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন।

এছাড়া অন্যান্যর মাঝে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার আলাওর, সাবেক সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য তপন মিত্র, দিবাকর ধর রাম, জুবের খান, আওয়ামী লীগ নেতা বিলাল খান, মহানগর যুবলীগ নেতা মেহেদী কাবুল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বদরুল হোসেন কামরান, যুবনেতা এম ইলিয়াছি চৌধুরী দিনার, ছাত্রনেতা জুনেল আহমদ, আলী হোসেন আলম প্রমুখ।

পৃথক পৃথক আয়োজনে বক্তারা বলেন, বদরউদ্দিন আহমদ কামরান ছিলেন সিলেটের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা ও নগরীর অভিভাবক। তিনি সিলেটের মানুষের সুখে-দুঃখে সবার আগে থাকতেন। বদরউদ্দিন আহমদ কামরান সবসময় দরিদ্র মানুষের সমস্যা নিয়ে এগিয়ে আসতেন।

তার নেতৃত্বে জাতিয় শোক দিবস নেতৃবৃন্দ সুশৃঙ্খল ভাবে পালন করতেন নেতৃবৃন্দে। পাশাপাশি কামরান নিজ উদ্যোগে কমিউনিটি সেন্টারে ১৫ আগস্ট সকল শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে শিরনী ও অসহায়দের পাশে দাড়াতেন। এবছর তিনি নেই মাসটি আরো বেদনাময়। তবে তার পরিবার যে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নানা আয়োজনে শোক দিবস পালন করছে নি:সন্দেহে প্রশংসার দাবীদার।

বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের ২০ বছরের সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। বাঙালি জাতি মুক্তি পেয়েছিল। শেখ মুজিবের আহ্বানে সাড়া দিয়ে, যার কাছে যা আছে, তা নিয়ে যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছিল। শেখ মুজিবের জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হতে পারতো না। আমরা স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মমর্যাদা অর্জন করতে পারতাম না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে যার যা আছে তাই নিয়ে যুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। নির্দেশ দেন বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। বাংলার জনগণ তার নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন। আজও জাতির জনকের আদর্শে প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে তরুণ প্রজন্মরা ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা ধারণ করে মুজিব আদর্শের প্রতিটি সৈনিক দেশ ও জাতির কল্যাণে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। শোকদিবসের আমাদের অঙ্গীকার বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করার কাজে সহযোগিতা করা।

আয়োজন শেষে জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক কামরান পূত্র ডা. আরমান আহমদ শিপলু সবাই কে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।