Wed. Oct 28th, 2020

রাজনীতি মানেই দুর্নীতি নয়: সোহেল তাজ

ডেইলি বিডি নিউজঃ আওয়ামী লীগের টানা তৃতীয় মেয়াদের প্রথম সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ এবার দেশের তরুণ ও যুবসমাজকে ভয়াবহ মাদকের ছোবল থেকে রক্ষায় জিম (শরীরচর্চা কেন্দ্র) খোলার উদ্যোগ নিয়েছেন।

ধানমণ্ডির সাতমসজিদ রোডে পৈতৃক বাড়ির একটি ফ্লোরে ব্যক্তিগত এই জিমনেসিয়ামের উদ্বোধন হবে আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে। বাড়িটি জাতীয় নেতা, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের। একটি ডেভেলপার কোম্পানি আগের পুরনো বাড়িটি ভেঙে সেখানে ১৩ তলা ভবন নির্মাণ করেছে। সোহেল তাজসহ তার তিন বোন এই ভবনের অন্যতম অংশীদার। এর একটি ফ্লোরে তিনি জিম করেছেন।

সোহেল তাজ বলেন, একটি সুন্দর সুস্থ সমাজ এবং একটি সুন্দর সুস্থ দেশ পেতে হলে প্রথমে আমার নিজেকে সুন্দর ও সুস্থ হতে হবে। শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। ইচ্ছা থাকলে সবকিছুই সম্ভব। এই মুহূর্তে রাজনীতি নয়, আমার ইচ্ছা দেশের মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা। শুধু একটি সুস্থ জাতিই পারে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে। চলমান করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে মানুষকে, বিশেষ করে শহরবাসীকে আরো বেশি স্বাস্থ্য সচেতন হতে হবে। করতে হবে শারীরিক পরিশ্রম।

এই মুহূর্তে রাজনীতি নয়, তাহলে ভবিষ্যতে রাজনীতি করার ইচ্ছা আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটা ভবিষ্যৎই বলে দেবে। ভবিষ্যতে কে কী করবে তার সব আগে থেকে ঠিক করে রাখা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

বনানীর ডিওএইচএসের বাসায় সোহেল তাজ আরো বলেন, আমি রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছি। তবে আমার কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশা ও নিজের দায়বদ্ধতা থেকেই মনে করছি দেশের জন্য কিছু করা দরকার। এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য সচেতনতা সবচেয়ে প্রয়োজন বলে মনে করছি। আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। রাজনীতি মানেই দুর্নীতি নয়। রাজনীতি হচ্ছে একটা মাধ্যম। কিন্তু রাজনীতির বাইরে থেকেও কিছু করা যায়।

তিনি বলেন, গ্রাম পর্যন্ত ভয়াবহ মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। এ থেকে তরুণ ও যুবকদের রক্ষা করতে হবে।

সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শহরে ৪০ শতাংশ মানুষ বসবাস করে। তাদের বেশির ভাগই শারীরিক পরিশ্রম করে না বা সুযোগ নেই। সে কারণে বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্যগত জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। ভয়াবহ করোনাভাইরাসে এসব মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে।

তার লক্ষ্য তরুণ ও যুবকদের পাশাপাশি শহরের মানুষকে শারীরিক পরিশ্রমে উদ্বুদ্ধ করা। এতে বিভিন্ন রোগে যে হারে মানুষ মারা যাচ্ছে, তা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

তাজউদ্দীনপুত্র বলেন, আমি রাজনীতি না করলেও দেশবাসীর জন্য কিছু করতে হবে এমন চিন্তা থেকে নানা বিষয়ে সচেতনতামূলক নানা কর্মকান্ড করে যাচ্ছি। আর এভাবে সবাই এগিয়ে এলে দেশের চিত্র পাল্টে যাবে।’