Fri. Oct 30th, 2020

রায়হান হত্যাঃ পিবিআই ‘হেফাজতে’ সুইপার বিল্লু

ডেইলি বিডি নিউজঃ সিলেট নগরীর বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে রায়হান আহমদ (৩৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে বিল্লু দাস নামের এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। আটক বিল্লু দাস নগরীর কাষ্টঘর এলাকার সুইপার কলোনীর কচুয়া লাল বিজয়ের ছেলে।

সুলাই লাল এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এর আগে তাকেও জিজ্ঞাসার জন্য নিয়েছিলেন পিবিআই। অবশ্য এ বিষয়ে জানতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই’র পরিদর্শক মহিদুল ইসলামকে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

রোববার (১১ অক্টোবর) ভোররাতে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয় রায়হান আহমদের। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদি হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর বন্দরবাজার পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেনসহ ৪ পুলিশকে বরখাস্ত ও ৩ জনকে প্রত্যাহার করা হয়। ঘটনার পর রোববার সকাল থেকে আকবর পলাতক রয়েছেন।

মামলাটি পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশ পিবিআইতে স্থানান্তর হয়। তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআইর টিম ঘটনাস্থল বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি, নগরীর কাস্টঘর, নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করে। বৃহস্পতিবার মরদেহ কবর থেকে তুলে পুন:ময়না তদন্ত করা হয়।

তবে, চাঞ্চল্যকর এ খুনের ঘটনার পাঁচদিন অতিবাহিত হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন এসআই আকবর হোসেন।মামলায় অভিযক্ত দেখানো হয়নি পুলিশ সদস্যসহ কাউকেই।যদিও রায়হানের হত্যার ঘটনায় এসআই আকবরকে দায়ি করে তাকে এবং এ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার দাবীতে উত্তাল রয়েছে নগরী।
শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ মানববন্ধন এবং রাস্তা অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এদিন রায়হানের বাড়ি নগরের আখালয়াস্থ সিলেটে-সুনামগঞ্জ সড়কে জনতা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে জনতা। এসময় সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক ইনচার্জ এসআই আকবরের কুশপুত্তলিকাও দাহ করা হয়।