Tue. Oct 27th, 2020

র‌্যাব জুয়াড়ী ধরে কষ্ট করে, আসামীরা জামিন পেয়ে অপরাধ করতে উৎসাহ পায়

বাবর হোসেন :: জুয়াড়ীরা আটক হবার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই জামিনপেয়ে যাচ্চে আদালত থেকে। র‌্যাব ৯ এর সদস্যরা প্রতিদিনই সিলেট নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে জুয়াড়ীদের আটক করছে কিন্তু মামলার ধারা জামিন যোগ্য হবার কারনে জুয়াড়ীরা থানা থেকে আদালতে চালান হবার কয়েক ঘন্টার মধ্যে জামিন পেয়ে পুনরায় জুয়া খেলায় লিপ্ত হচ্ছে।

গত ১৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০ টায় র্যা ব ৯ এর এস আই তাজউদ্দিন আহম্মেদ এর নেতৃত্বে র‌্যাব’র একটি টিম দক্ষিন সুরমা থানাধীন কাইস্তরাইল বাইপাস রোড ঈদগাহ সংলগ্ন স্হান থেকে ৪ জুয়াড়ীকে আটক করে। জুয়াড়ীরা হচ্ছে কায়েস্হরাইল গ্রামের মৃত ওয়াজকর মিয়ার ছেলে সামাদ আহম্মেদ,(৩৮) মৃত হুমায়ুন কবিরের ছেলে মাসুদ (৩৮) মৃত মোছাদ্দের আলির ছেলে মো:সাহেদ(৩৯)ও মৃত মমতাজ আলির ছেলে ফরিদ আহম্মেদ।এরা সকলেই কায়েস্হরাইল গ্রামের বাসিন্দা। র‌্যাব তাদের কাছ থেকে ১ বান্ডিল জুয়া খেলার তাস ও নগদ ২০৯৫ টাকা উদ্বার করে দক্ষিন সুরমা থানায় এজাহার দিয়ে সোপর্দ করেছিলো। থানার মামলা নং ১৬(১০)২০, ১৮ ৬৭ সনের প্রকাশ্য জুয়া আইনের ৩/৪ ধারায় তাদের বিরুদ্বে মামলা রুজু করে ১৭ অক্টোবর থানা থেকে আদালতে প্রেরন করা হয়।আদালতে প্রেরনের ৩/৪ ঘন্টার মধ্যে তাদের জামিন হয়ে যায়।

খোজঁ নিয়ে জানা গেছে ১৬ অক্টোবর র‌্যাব-৯ এর বিভিন্ন টিম শাহ পরান (র:) থানা এলাকা থেকে ২০ জন জুয়াড়ীকে আটক করেছিলো। ১৭ অক্টোবর থানা থেকে জুয়াড়ীরা আদালতে আসার পর জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি জুয়াড়ীদের পক্ষে ওকালতনামা সহ জামিন আবেদন দাখিল করেছিলেন। যে কারনে ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিষ্টেট আদালতের বিচারক শাহপরান (র:) থানার জুয়ার মামলার ২০ জুয়াড়ীকে জামিন দেয়ার পাশাপাশি দক্ষিন সুরমার ৪জন এবং কোতয়ালী থানার আরো দুজন জুয়ার মামলার আসামীকে জামিন দিয়েছেন।

উক্ত ২৬ জন জুয়াড়ীকেই অনেক কষ্ট করে র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা আটক করেছিলো। আদালত জামিন দেয়ার কারনে জুয়াড়ীরা ছাড়া পেয়ে পুনরায় সেই অপরাধ করতে উৎসাহী হয়।