Sun. Nov 29th, 2020

এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন সিলেট জেলা পুলিশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র

ফারহানা বেগম হেনাঃ সিলেটের জনপ্রিয় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন আহমদ একটি সাহসী ও মেহনতি সম্মুখযোদ্ধা সৈনিকের নাম। যিনি সিলেটে জেলা পুলিশকে নিয়ে সৃস্টি করছেন ইতিহাসের নতুন অধ্যায়। আশার প্রদীপ জ্বেলে দিয়েছেন জনতার মনে।

ভালোবাসায় কেড়ে নিয়েছেন সিলেটবাসীর মন। যার আন্তরিকতা,দক্ষ ও সাহসিকতায় উজ্জল হচ্ছে সিলেট জেলা পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি। যা অতিতে ছিল না। পুলিশ সুপার মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন,আস্থা ও ভরসার এক বাতিঘর । আমজনতার মধ্যে এক সমীহের নাম যেন তিনি। কথায় কাজে অমিল খোঁজে পায়নি কেউ। কাজের বলিষ্টতায় মানুষের মধ্যে আজীবন স্মরনীয় হয়ে থাকবেন তিনি, তৃপ্তির গর্বিত আ্ওয়াজ তাকে নিয়ে অনেকের মাঝে। সেবার এক অনন্য অইকন হয়ে দাড়িয়েছেন তিনি।

একজন নেতা যেমন কর্মীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে নেতৃত্ব প্রদান করে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যান,একজন কোচ যেভাবে কনফিডেন্স লেভেল তৈরি করে শিষ্যের কাছ থেকে সেরাটুকু বের করে নিয়ে আনেন একইভাবে তিনি জুনিয়র অফিসারদের কনফিডেন্স লেভেল তৈরি করে কাজ করিয়ে নেন। তেমনি এক সুপারকপ সিলেটের পুলিশ সুপার (এসপি),মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। সিলেট জেলার সর্বজনের কাছে এক জননন্দিত নাম। ২০১৯ সালের ২৪ জুন তিনি সিলেট জেলার পুলিশ সুপারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্বভার গ্রহণের পর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই পুলিশ বিভাগেও সিলেটের জনগণের নিকট তিনি ঘনিষ্ট হয়ে যান তার কাজের মাধ্যমে। সহজ সরল নিরীহ জনগণের পুলিশি সেবা প্রাপ্তির সহজলভ্যতা এখন অত্র জেলার মানুষের মুখে মুখে। তাঁর অসাম্য কর্মপ্রচেষ্টায় দেশ ও জাতির কাছে দৃশ্যমান। অন্যদিকে অপরাধীরা এই সৎ পুলিশ অফিসারের নাম শুনলেই ভয়ে আতকে উঠে। বিভাগীয় কার্যক্রমের বিত্তের বাইরেও রয়েছে তাঁর নানাবিধ সামাজিক কর্মদ্যোগ। স্বভাবজাত সৎ,ভালো চরিত্রগুণের অধিকারী মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আহমদ পিপিএম।

এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আহমদ পিপিএম যোগদানের পর থেকেই সিলেট জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন তরুণ এই অফিসার। বিশেষ করে থানা গুলোতে নাগরিকদের আইনী সেবা দিতে তিনি অফিসার ইনচার্জদের প্রতি কড়া নির্দেশ দেন।

জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পরপরই সিলেটের বেশ কিছু থানার ওসিকে বদলি করেন এবং থানায় যাতে সেবাপ্রার্থীরা হয়রানীর স্বীকার না হয় সেবিষয়ে নবাগত ওসিদের প্রতি কঠোর হুশিয়ারী দিয়েছিলেন ডিএমপি ওয়ারীর সাবেক ডিসি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। সিলেটের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি অপরাধীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মাধ্যমে এলাকার সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় সভা সমাবেশ করে জঙ্গি ও গুজব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। মাদক, সন্ত্রাস, ডাকাত সহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে চিরুনী অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

জেলা পুলিশের শীর্ষ এই অফিসারের কঠোর নির্দেশে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যাবসায়ী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। এসপি ফরিদ উদ্দিনের এমন পদক্ষেপের কারনে অপরাধ প্রবনতা অনেকাংশেই কমে এসেছে উল্লেখ করে জেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করে প্রায়শই বলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন অপরাধীদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। আগে যে মানুষ গুলো পুলিশ সর্ম্পকে বিরুপ মন্তব্য করতো তারাই আজ র্গব করে পুলিশের সর্ম্পকে প্রশংসা করতে দ্বিধাবোধ করে না।

পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর কাজ ও কর্মে সিলেটবাসীকে চমকের পর চমক দেখান তিনি। পৃথকভাবে প্রতিটি থানা পরিদর্শন ও থানার আওতাধীন এলাকার সার্বিক দিক বিবেচনা করে তৈরি করেন প্রতিটি থানায় একেকটি টিম।

মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন বলেছিলেন,সিলেটে হয় দুর্নিতি ও ঘুষ থাকবে না হয় আমি থাকবো,বেঁচে থাকার জন্য টাকার দরকার আছে এটা ঠিক তবে আমার এক টাকাও হারাম কিংবা অবৈধ টাকার দরকার নেই। আমার শেষ নিশ্বাসের আগেও যেন এক টাকা হারাম খেতে না হয় আল্লাহর কাছে এটাই আমার চাওয়া।

পুলিশ সুপার হিসেবে সিলেটে যোগদানের পর থেকে বেশ কয়েকটি আলোচিত ঘটনার তথ্য উৎঘাটন,জেলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে গুজব প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করেন। বর্তমানে তিনি সিলেটের মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন একটি আস্থা,ভালবাসা ও নির্ভরতার প্রতীক। একজন পুলিশ কর্মকর্তার মূল কাজ জনগণের সেবা করা। বিপদাপদে তাদের পাশে থাকা পুলিশের সকল কর্মকর্তা সে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু এসপি ফরিদ উদ্দিনের দায়িত্ব পালনে রয়েছে আলাদা কৌশল,সততা,নিষ্টা ও পরিস্থিতির ক্ষেত্র বোঝে সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহন। এসপি ফরিদ উদ্দিন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত সেবাকে দ্রুত জনগণের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে দেন অনন্য কৌশলে।

তিনি তার কর্মদক্ষতা দিয়ে প্রমাণ করেছেন পুলিশ জনগণের প্রকৃত বন্ধু। যা আগে কখনো কেউ দেখেনি। করোনার আক্রমন হতে পুরো জেলাবাসীকে মুক্ত রাখতে তার অবদান অতুলনীয় ও প্রশংসনীয়। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন,শক্ত হাতে সন্ত্রাস দমনসহ নানা কর্ম দক্ষতামূলক কাজে প্রমাণিত হয়েছে তার দূরদর্শিতার।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের ঝুকিতে যখন পুরো বাংলাদেশে সরকারী ছুটি চলছে তখন সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন ও তার বাহিনী বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর,অসহায়,হতদরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করছেন। মাইক হাতে রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে জনসাধারনকে সচেতন করার চেস্টা করছেন।

করোনা প্রাদূভার্ব ছড়িয়ে পড়ার পর সামনে থেকে পরিস্থিতি সামাল দিতে তার ভূমিকা অন্য যেকারো থেকে আলাদা। মাঠে ময়দানে সর্তক-সচেতনায় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন তিনি ও তার বাহিনী। জৈন্তাপুর থানায় শ্রমজীবি মানুষকে চেয়ারে বসিয়ে মর্যাদা সহকারে সহায়তার নজির সৃষ্টি করেছেন তিনি। তার এ সহায়তা প্রদান সত্যিকার অর্থে স্বাভাবিক হলেও আমাদের সমাজে যেন আকাশছোঁয়া কল্পনা। স্বাভাবিক কাজটি অস্বাভাভিক পরিস্থিতিতে করিয়ে দেখিয়ে দিলেন যে শুধু দৃষ্টিভংগির পরিবর্তনই যথেষ্ট। গরীব অসহায় মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য, শিশু খাদ্য বিতর, বেদে পল্লীতে নিজে গিয়ে তাদের খুঁজ খবর নেওয়া তাদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ,প্রত্নতত্ত্ব এলাকায় নিজ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে নিজ হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী। শুধু তাই নয় আত্মসমর্পণকারী আসামি জেলে থাকা আসামীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খুজ খবর নেওয়া তাদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা সহ বিভিন্ন ভাবে নিজেকে প্রতিনিয়ত নিয়োজিত রেখেছেন।

তিনি এমনই একজন মানুষ যে কিনা রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষ থেকে শুরু করে ভিক্ষুক,রিকশা চালক,ভেন চালক,দিনমজুর সহ সর্ব নিম্নস্তরের মানুষ কে সম্মানানিত করে চেয়ারে বসিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন এর আগে কোন দিন কেউ এতো সম্মানের সাথে এই মানুষ গুলোর সাথে কথা বলেনি পাশে দাঁড়ায়নি এটা শুধু আপনার মতো নিঃস্বার্থ মনের মানুষের পক্ষেই সম্ভব আপনি সারা পৃথিবীর মানুষ কে চোঁখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন যে এই পৃথিবীতে সকল মানুষ,মানুষ হিসেবে সমান।

মানুষ চিরদিন বেঁচে থাকে না,বেঁচে থাকে তার কর্ম। মানুষ যদি ভালো কাজ করে তবে ঢোল পিটিয়ে তা প্রকাশ করতে হয় না। সেখানের বাতাসের সাথে ভেসে বেড়ায় তার কর্ম। আর খারাপ কাজ করলে যতই চাপাচাপি কর না কেন লোকালয়ের লোকমুখে তা ভেসে বেড়ায় প্রতিনিয়তই। তেমনি একজন ভালো দক্ষকর্মট দেশপ্রেমিক সিলেটের মাটি ও মানুষের সাথে মিশে কাজ করা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম হযরত শাহ্জালাল (র:)হযরত শাহ্ পরান (র:) এর পূণ্যভূমি সিলেটে আসার পর থেকে দীর্ঘ একবছরের উপরে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় জুয়া, মদ,গাঁজা, হেরোইন,চুরাচালান,চুরি-ডাকাতিসহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আলোচনার ঝড় তুলেছেন জেলা জুড়ে।

সিলেটে জেলা পুলিশকে নিয়ে সৃস্টি করছেন ইতিহাসের নতুন অধ্যায় জনপ্রিয় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন।

এমসি কলেজের গণধর্ষণের ঘটনা ও রায়হান হত্যাঃঃ

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ধর্ষণ মামলার ৬ আসামীর মধ্যে চসরজন ও রায়হান হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার। গত ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর ছাত্রলীগ ক্যাডারদের দ্বারা এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এক তরুণী গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়। এ ঘটনার পরই তারা নগর থেকে পালিয়ে গেলেও তৎপর হয়ে ওঠে জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপারের পরিকল্পনায় থানার ওসি ও ডিবি পুলিশ মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করেন। এরইমধ্যে গত ২৭ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মদনহাটা নামক এলাকা থেকে অর্জুন লস্কর নামের ধর্ষককে করে সিলেট জেলা ডিবি পুলিশ।

এছাড়া ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে জৈন্তাপুরের হরিপুর থেকে কানাইঘাট থানা ও জেলা গােয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করে মাহফুজুর রহমান মাসুমকে।

এদিকে এমসি কলেজের এ ধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এসএমপির বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান হত্যার ঘটনা ঘটে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার পর মুল অভিযুক্ত ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হােসেন ভুঁইয়া পালিয়ে যায়। তাকে ধরতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সকল সংস্থা মাঠে থাকলেও সফলতা অর্জন করে জেলা পুলিশ। বিভিন্ন গােয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এরপর আবারাে নতুন করে উচ্ছারিত হতে থাকে পুলিশ সুপার মােহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম’র সফলতার কথা। উল্লেখিত দু’টি ঘটনার পর পুলিশ যখন ইমেজ সংকটে ছিল ঠিক তখনই তার নেতৃত্বে ভাবমুর্তি আবারও উজ্জ্বল হয়ে উঠে পুলিশের।

কিন্তু আমারা এমনই এক জাতি যে ভালো কোন কিছু ভালো চোখেঁ দেখতে পাই না বা কোন কিছু সূক্ষ্ণ ভাবে চিন্তা করতে পারি না কোন কিছু দেখার বা শুনার পর এর সঠিক তথ্য না জেনেই আজেবাজে মন্তব্য করতে শুরু করে দেই এ যেন খুব বড় বাহাদুরির কাজ মনে করেন মন্তব্যকারীরা।

একজন মানুষের ভালো কাজ গুলোকে কি ভাবে টেনে হিঁচড়ে ধূলিসাৎ করা যায় কিছু মানুষ সেই দিকে উঠে পড়ে লেগে থাকেন কিন্তু তারা জানেন না যে সত্যি কোন দিন ও চেপে থাকে না চন্দ্র সূর্যের মতোই তা এক সময় প্রকাশিত হবেই।

রায়হান হত্যার প্রধান আসামী আকবর গ্রেফতারের পর খাসিয়াদের করা ভিডিও চিত্র দেখেছেন অনেকেই কিন্তু ভিডিও চিত্রটাকে সূক্ষ্ণ ভাবে কেউই বিশ্লেষণ করেননি যদি সূক্ষ্ণ ভাবে বিশ্লেষণ করতে পারতেন তা হলে এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম এর সাথে আসামি আকবরের ছবি সংযুক্ত করে এসপি ফরিদ উদ্দিনের ফাঁসি, তার পদত্যাগ, তাকেও আকবরের সাথে তুলনা করে আইনের আওতায় এনে তার বিচার দাবি,গাল মন্দ, বাজে মন্তব্য করতে পারতেন না। আমরা হুজুগে বাঙালী অর্ধেক দেখে অর্ধেক শুনেই বাদ বিচার করতে শুরু করেদেই মনে হয় যেনো গালি বা বাজে মন্তব্য করতে পসরলেই আপনি বাহাদুরির খেতাব টা পেয়ে যাবেন। আপনারা অনেকেই বলেছেন যে পাবলিক এতো বুকা না খাসিয়ার ভিডিও ই সত্যি পুলিশ ক্রেডিট নেওয়ার জন্য মিথ্যা বানোয়াট কথা বার্তা বলছে।

আপনাদের মতো জ্ঞানী মানুষ আর হতেই পারে না
আপনাদের মতো জ্ঞানী মানুষদের বলছিঃ

আকবর গ্রেফতারের পর কিছু লোক তিব্র ভবে বলতে লাগলো যদি পুলিশই গ্রেফতার করায় তবে গ্রেফতারের সময় পুলিশ ছিলোনা কেনো?

তারা এমনি জ্ঞানী যে তাদেরকে এটা কে বুঝাবে যে এক দেশের পুলিশ আরেক দেশের ভিতরে ঢুকে কাওকে গ্রেফতার করতে পারে না।

তারা আরও বললো যদি পুলিশ জানত আসামি ভারতে আছে তাহলে পুলিশ কেনো ভারতীয় পুলিশ দিয়ে তাকে ধরলো না

তাদেরকে,কে বুঝাবে একদেশের অপরাধীকে আরেকদেশের পুলিশ দিয়ে চাইলেই ধরানো যায় না। আর ধরা গেলোও আইনী প্রক্রিয়ার মারপেচে ৬-৭ মাস লেগে যায় দেশে আনতে আনতে। এমনও হতে পারে তা বছরও পার হতে পারে।

তারা বলল যদি রহিম পুলিশের সোর্স হয় তবে কেনো এসপি ফরিদ উদ্দিন তার নাম নিলেন না বা কেনো রহিম নিজে বললো না যে সে পুলিশের সোর্স

কে বুঝাবে তাদেরকে যে পুলিশ কখনোই তার সোর্সের পরিচয় কিংবা তথ্য পাবলিকলি ওপেন করে না এবং সোর্সও কখনো প্রকাশ করে না যে সে পুলিশের হয়ে কাজ করে। তার জান মালের নিরাপত্তার জন্য।

তারা এবার বললো এসপি তো খাসিয়াদের কথা বললেন না যে তারা ধরছে।

তারা এটা শোনে নাই যে এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন স্থানীয় লোকজনদের ও বিশ্বস্ত বন্ধুদের মাধ্যমে তাকে ধরা হয়েছে,এখানে স্থানীয় লোকজন ও বিশ্বস্ত বন্ধু বলতে কাকে বুঝিয়েছেন তা বুঝার বুঝ জ্ঞানীদের কি নেই?

তারা ভিডিও দেখলো এবং বুঝলো খাসিয়া এবং রহিম মিলে আসামি ধরছে কিন্তু তারা একটি বারো এটা দেখলো না ঐ ভিডিও তে খাসিয়ার ফোনে রহিম সালেকে বলছে সালেহনি ওসি স্যার এবং সিও স্যারের কথা উল্লেখ করেছে এবং ফোনে সালেহকে বলেছে ওসি স্যারকে বলো আসামি পেয়েছি নিয়ে আসছি। এর মাধ্যমেও এরা বুঝেনি যে পুলিশ পোরা বিষয় সম্পর্কেই অভিহিত।

তারা ফেইসবুকে এসপি এবং পুলিশ কে নিয়ে যত ধরনের গালি আছে সব দিয়ে পোস্ট দিচ্ছে,অথচ একজন সিনিয়র এএসপি কে হাসপাতালে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে এ বিষয়ে টু শব্দও করেন নি। এএসপিরল ছোট্ট শিশুর কান্না তাদের অন্তরে আঘাত করে নি। একবার ও তারা ভাবেনি এই এসপিও আপনার আমার মতোই মানুষ তাদের ও পরিবার পরিজন আছে। এই পরিবার পরিজনের কথা না ভেবেই সময় অসময় আমাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন। কই এসপির জন্য তো কোন প্রতিবাদ হয়নি,মানববন্ধন হয়নি,সঠিক বিচার চেয়ে স্লোগান হয়নি কেনও পুলিশ বলে। পুলিশ জনতার হাতে মরলেই কি আর বাচঁলেই কি এই হল আপনাদের মতো মহাজ্ঞানী মানুষের চিন্তা ধারা।

এসআই আকবরের আটকের ঘটনা ছিলো অত্যন্ত সেনসিটিভ একটা বিষয়। এরকম ঘটনার নেপথ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকে যা প্রকাশ্যে বলা যায়না,বুঝে নিতে হয়। হ্যা হয়তো সেইটা বুঝার মতো মানুষিকতা আমাদের অনেকের নাই।

ব্যর্থতার সমালোচনা করেন সমস্যা নেই কিন্তু ভালো কাজের জন্য উৎসাহের বদলে গালি দিবেন?? এটাই কি তাদের প্রাপ্য???

(৯ নভেম্বর) পুলিশের কৌশলেই ধরা পড়েছেন সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে যুবক রায়হান আহমদ হত্যায় প্রধান অভিযুক্ত (বরখাস্তকৃত) এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া। পুলিশের উপঢৌকনে আশ্রয়দাতা আসাম রাজ্যের শিলচরের গোপালই এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়াকে গাড়ি চালক অভিজিৎ এর মাধ্যমে গৌহাটিতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে খাসিয়াদের হাতে তুলে দেন। তারপর উয়েস খাসিয়াসহ তার সঙ্গীরা কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডোনা সীমান্তের খাসিয়াদের মাধ্যমে আকবরকে কানাইঘাটের একেবারে সীমান্তবর্তী ভারতের ত্রিগাঙ্গা নামক পাহাড়ি ঝরনার কাছে নিয়ে এসে পুলিশ কর্তৃক পাঠানো সোর্স আব্দুর রহিমের মাধ্যমে নিয়ে আসে। সীমান্তের ১৩৩৫ নম্বর মেইন পিলারের পাশে আগে থেকে অবস্থানরত পুলিশের সোর্স শাহাব উদ্দিন ও সালেহ আহমদের কাছে আকবরকে পৌঁছে দেয় রহিম। তারপর সীমান্ত এলাকায় অবস্থানরত কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুদ্দোহা পিপিএম ও জকিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মিলে আকবরকে গ্রেপ্তার করেন। এর (১০) নভেম্বর মঙ্গলবার থেকে ৭ দিনের রিমান্ডে আছেন আকবর।

আসামি গ্রেফতারের পর তাকে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার এর কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। আসামি গ্রেফতার করার পর পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন প্রেসব্রিফিং এ জানান,স্থানীয় কিছু মানুষ ও পুলিশের কিছু বিশ্বস্ত বন্ধুদের মাধ্যমে কানাইঘাট থানা পুলিশ ও জকিগঞ্জ থানা পুলিশ বরখাস্তকৃত আকবরকে সীমান্তবর্তি এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

এই বক্তব্যে পরপরই পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিনকে বৎসনা করতে থাকেন সিলেটের কিছু মহল। ঘটনার আন্তো পান্ত না জেনেই যে যেভাবে পারে এসপি ফরিদ উদ্দিন পুলিশ সুপার সিলেটকে কটাক্ষসহ অশ্লিল ভাষায় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য উপস্থাপন করতে থাকেন সিলেটসহ সারা দেশের মানুষ। কিছু কিছু ইউটিউবার তাদের নিজস্ব চ্যানেলে, ফেসবুক পেজে, গ্রুপে ক্রমাগত বাংলাদেশ পুলিশ এবং সিলেট জেলা পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিনকে নিয়ে অসত্য বক্তব্য তুলে ধরতে থাকে। অন্যদিকে পুলিশের সোর্স কানাইঘাট এর আব্দুর রহিম যে কিনা আকবরকে সীমান্ত থেকে নিয়ে আসার কাজ করেছে সে অসত্য বক্তব্য তুলে ধরতে থাকে।

এই ঘটনায় পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন গণমাধ্যম কর্মীদের জানান যে,কিভাবে আকবরকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ ছক আকে। পুলিশের কিছু বাধ্যবাদকতা থাকায় কোথায় কোন অবস্থায় বক্তব্য বা প্রকাশ্যে নিজেকে উপস্থাপন করা যায় না। কিছু ঘটনা সর্বশেষ আব্দুর রহিমের বক্তব্যে পুলিশের ভূমিকা স্পষ্ট হয় যে সিলেট জেলার এসপি ফরিদ উদ্দিন এর ঐকান্তিক ইচ্ছা এবং দুরদর্ষিতার কারণেই রায়হান হত্যার প্রধান অভিযুক্ত সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বরখাস্ত এসআই আকবর গ্রেফতার হন। এত কিছুর পরও কিছু মানুষ কোন ভাবেই স্বীকার করতে রাজি নয় রায়হান হত্যায় পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন এর কৃতিত্ব। অনেকেই বলছেন পুলিশ কৃতিত্ব নিতে চায়,তাদের কে বলবো পুলিশ কখনো কৃতিত্ব পাওয়ার লোভে আপনার আমার জান,মাল রক্ষা করে না,পুলিশ কৃতিত্ব পাওয়ার জন্য কখনো কোন কাজ করতে হয় না। পুলিশ কৃতিত্ব পাওয়ার জন্য তাদের জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করতে দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে না। তাই বলবো ভালো চিন্তা করুন ভালো চিন্তা ধারায় ই বদলে দিতে পারে আপনাকে। আপনার আমার দেশটাকে।আপনি যেখানেই থাকুন না কেনও নিজের দেশের মানুষ সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করে নিজেকে ও নিজের দেশকে ছোট করবেন না। মনে রাখবেন আমাদের দেশ তিরিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত একটি দেশ যা ইতিহাসে আর কোন দেশ নেই। তাই নিজের দেশের মানুষ কে সম্মান করুন,নিজের দেশকে ভালোবাসুন।

পুলিশের ভালো কাজের প্রশংসা করলে তেলবাজ ধান্দা বাজ! আর খারাপ কাজের সমালোচনা করলে তীরন্দাজ! এই মনমানসিকতা থেকে আমাদের বের হয়ে আসা উচিত।

ভালোকে ভালো আর খারাপকে খারাপ বলার সৎসাহস থাকা উচিত আর কোনকিছু ভালোভাবে না জানলে চুপ থাকা উচিত।

পৃথিবীর এমন কোন প্রতিষ্ঠান নেই যেটাকে আপনি ১০০% বিশুদ্ধ বলে দিতে পারেন।

তাই কোন একজন খারাপ সদস্যের জন্য,একটি সুশৃঙ্খল,জনসেবামুলক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলাটা সমীচীন নয় বলে মনে করি।
কারন পুলিশ আমার এবং আমাদের নিরাপত্তার জন্যেই দিনরাত কাজ করে।

ওসি প্রদীপ কিংবা এসআই আকবরের মতো বদ পুলিশ সদস্যদেরকে ঘৃনা করার পাশাপাশি মো: ফরিদ উদ্দিন পিপিএম এর মতো কর্তব্যপরায়ন,ন্যায়নিস্ট পুলিশ অফিসারদেরক শ্রদ্ধা করা উচিৎ। তথাপি জ্ঞাত,অজ্ঞাত বদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি ঘৃনা নিক্ষেপ করি।

তাই আসুন খারাপের সমালোচনার পাশাপাশি আমরা ভালোকে ভালো বলি,উতকৃষ্ট কে উতকৃষ্ট বলি। সবকিছুতে সমালোচনার মনোভাব পোষন না করে পুলিশের ভালো কাজ গুলোর প্রশংসা করে পুলিশকে উত্সাহ এবং সহযোগিতা করি।

পুলিশকে জনতার প্রতিস্টান বা জনতার পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে আসুন আপনি/ আমি।/আমরা সবাই মিলে কাজ করি।