Mon. Nov 30th, 2020

চলাচলের ভরসা বাঁশের সাঁকো

ডেইলি বিডি নিউজঃ সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়নের সোনাচড়া- বালিচড়া রাস্তার কালভার্ট না হওয়ায় স্কুল,কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীসহ স্থানীয় মানুষদেরকে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচলতি মানুষও স্থানীয় বাসিন্দাদেরকে।

স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান, বছরের পর বছর ধরে এলাকার জনগণ সোনাচড়া- বালিচড়া রাস্তায় কালভার্ট নির্মাণ দাবি করে আসলেও তা উপেক্ষিত রয়ে গেছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা রয়েছে। স্থানীরা অভিযোগ করে আরও বলেন জীবনের ঝুকি নিয়ে বাড়িঘর, হাট-বাজার, কর্মস্থল বা শিশুদের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যেতে প্রত্যেককে বাঁশের সাঁকোটি বেয়ে পার হতে হয়। আর পার হতে গিয়ে কখনো কেউ হয়েছেন রক্তাক্ত, ভেঙেছেন হাত-পা বা কারো কোমর।

এলাকার এক স্কুল শিক্ষার্থী জানান,প্রতিদিন এভাবেই কষ্ট করে আমাদের এক হাতে বই আর এক হাতে সাঁকোর বাঁশ ধরে পাড়ি দিতে হয়। আমি গত কদিন আগে পারাপারের সময় সাঁকো থেকে নিচে পরে আমার বুকে, হাতে ও পেটে ব্যথা পেয়েছি,এখনও হাটতে পারি না। এছাড়াও প্রায়ই সময় সাঁকো থেকে অসংখ্য লোকজন পড়েন।

দীর্ঘ বছরের এই সাঁকোটি কবে কালভার্ট রূপে তৈরি হবে সেই স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয়রা। বরাবরই উন্নয়নের ছোয়া থেকে বঞ্চিত সোনাচড়া- বালিচড়া এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়,এখানে কালভার্ট নির্মাণ হলে উপজেলার বোগলাবাজার,সোনাচড়া,বালিচড়া,মোল্লাপাড়া, ভোলাখালীসহ পূর্ব পশ্চিম দিকের জনগণের চলাচলের কিছুটা অসুবিধা কমে যাবে। গত বছরের বন্যায় শতাধিক গ্রামীণ সড়ক ভেঙ্গে যায় এবার যেটুকো ছিল তাও ভেঙ্গে যায়। কালভার্ট না থাকায় সাঁকো দিয়ে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পরেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এছাড়া কালভার্ট না থাকার কারণে ওই রাস্তায় যান চলাচলও করতে পারে না। কতৃপক্ষের কাছে এলাকার বাসীর দাবি অচিরেই যেন কালভার্ট নির্মাণ করে হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া বলেন, আমরা বালিচড়া থেকে সোনাচড়াসহ উপজেলা যেতে হলে আমাদের একমাত্র যোগাযোগের ভরসা হচ্ছে এই বাশেঁর সাকোঁ। গ্রামের ছেলে মেয়েরা পাশের গ্রামেরবিদ্যালয়ে যেতে হলে এই সাকোঁ দিয়ে চলাচল করতে হয়। এক গ্রামের কৃষক অন্য গ্রামে কৃষি কাজ করে থাকে। কৃষি পণ্য আনা নেয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। খুব দ্রুত কালভার্ট নির্মাণ করে এলাকার যাতায়াতের সুব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্যে কতৃপক্ষের কাছে জুড় দাবি জানাই।

এ ব্যপারে বোগলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, খুব শ্রীগ্রই কালভার্ট নির্মাণ করে দেয়া হবে। গ্রামবাসীর আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।