Thu. Feb 25th, 2021

জকিগঞ্জে প্রবাসীর সম্পত্তি আত্মসাৎতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জকিগঞ্জে এক প্রবাসীর আপন ভাই কতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার ৩ নং কাজলশাহ ইউনিয়ের মৃত কারী আব্দুল খালিক তালুকদারের পুত্র লন্ডন প্রবাসী মোঃ খলিলুর রহমান জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সিলেটের কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন

তিনি লিখিত অভিযোগ পাঠ করে বলেন তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন সহজ সরল লোক বটে।১৯৮৬ ইং সনে জীবিকার তাগিদে লন্ডনে চলে যান।সেখানে কঠোর পরিশ্রম করে জীবনের সমস্ত উপার্জন দেশে থাকা পরিবার ও পরিজনদের কাছে বিভিন্ন সময় ব্যাংক ও বিভিন্ন মাধ্যমে পাঠাই।পিতা মরহুম কারী আব্দুল খালিক মসজিদের ইমাম ছিলেন।জীবিত অবস্থায় সমুদয় টাকা পয়সা পিতার কাছে দেই।আমার পাঠানো টাকা দিয়ে পরিবারের ভরণপোষণের পর অবশিষ্ট টাকা দিয়ে যে জায়গা জমি ক্রয় করার কথা ছিল তা আমি খলিলুর রহমানের নামে কেনার কথা থাকলেও তিনি তাহার নিজ নামে ক্রয় করেন।

এই জায়গাগুলো আমার নিজ নামে হস্তান্তর করার জন্য আমি কোর্টে মামলা করি,যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত সিলেট,স্বত্ব মোকদ্দমা নং ১৪/ ২০১৮।মামলাটি এখন বিচারাধীন।

১৯৯১ সালের ৬ জুন পিতা মারা গেলে ফজলুল রহমান ও মাহবুবুর রহমান পরিবারের দায়িত্ব নেন।এরপর থেকে লন্ডন প্রবাসী খলিলুর রহমান ফজলুল রহমান ও মাহবুবুর রহমানের কাছে ব্যাংক বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা পয়সা পাঠাই।

আমি ১৯৯৯ সনে দেশে আসলে বুঝতে পারেন প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা পয়সা ও বাড়ির সহায় সম্পত্তির আয়সহ ফজলুল রহমান পরিবারের কোন কাজে ব্যবহার না করে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করে আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।

তখন আমার প্রবাস থেকে পাঠানো টাকাসহ পরিবারের সহায় সম্পত্তির হিসাব চাইলে তিনি আমাকে কোন হিসাব দিতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন ও বিভিন্ন হুমকি ধামকিসহ প্রাণে মারার ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।তখন আমি বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানিয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে আদালতের দারস্থ হই।

আইনজীবির সহায়তায় সমূহ বিবাদীগণের বিরুদ্ধে ২৫/০২/২০১৮ ইং সনে সিলেট যুগ্ন জজ ১ম আদালতে একটি অভিযোগ দিলে আদালত তা মামলা আকারে রেকর্ড করে।।

এরই প্রেক্ষিতে মামলাটির বিচার কাজ শুরু হলে বিবাদীগণ বিভিন্ন ছলচাতুরী ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়।তারা টাকা পয়সা সহায় সম্পত্তি আত্মসাৎ করার লক্ষে আমার এই পিতার সন্তান নয় মর্মেও আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।মিথ্যা ভিক্তিহীন বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে আদালতের বিচারকাজ বিলম্বিত ও বিভ্রান্তি করার লক্ষ্যে বিভিন্ন অজুহাত সৃষ্টিসহ ষড়যন্ত্র করছে।

বিবাদীগণ বাদীর পরিচয় গোপন করে মিথ্যা তত্ত্ব আদালতে উপস্থাপন করে জায়গা সম্পত্তি আত্মসাৎ করার পায়তারা করছে।

এছাড়া বিভিন্ন সময় হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে বাদীর ক্ষতি সাধন
করছে বলেও তিনি লিখিত অভিযোগে জানান

গত ১৫/১১/২০২০ ইং তারিখে চৌধুরী বাজার সংলগ্ন তার পানি সেচের মিশিন লোহার হেমার দিয়ে দিন দুপুরে প্রকাশ্যে জনসম্মুখে ভেঙে চুরমার করে ফেলে।বাড়ির আঙ্গিনার বাশের বেড়া ও গেইট রাতের আধারে ফজলুল রহমান তার সহযোগীদের নিয়ে তুলে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে তিনি জকিগঞ্জ থানায় একটি মামলা ও দায়ের করেন।জকিগঞ্জ থানার মামলা নং ১১/২৯৪ মামলার পর তারা আরো বেশি উশৃংখল আচরণ শুরু করায় আমি নিরুপায় হয়ে সাংবাদিকদের দারস্থ হয়েছে এদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষন করছি।